প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

শেখ আদনান ফাহাদ: ক্লাসে বাংলাদেশের যে সাংবাদিকের নাম সবচেয়ে বেশি বলি তিনি রোজিনা ইসলাম

শেখ আদনান ফাহাদ: চারজন সচিবের ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সনদ হাতেনাতে ধরিয়ে দিয়েছিলেন রোজিনা আপা। তাদের কোনো বিচার হয়নি। তাদের বিচার হয় না কেন? দুর্নীতির দায়ে আজ পর্যন্ত কোনো সচিবের কি বিচার হয়েছে? তাহলে এর দায় কি সেই গরিব কৃষক আর শ্রমিকদের? উপাচার্যরা তো মন্ত্রণালয় চালান না। মন্ত্রণালয়গুলো এবং এসবের অধীনে পরিচালিত প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের দুর্নীতির দায় তো সচিবদের নেওয়া উচিত। শুধু নিজেদের সুযোগ-সুবিধা বাড়িয়ে নেওয়া, নিজেদের অফিস, বাসার পেছনে রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে বরাদ্দ ক্রমাগত বৃদ্ধি করাও একপ্রকার দুর্নীতি। বলা যায় ভদ্রতার মুখোশে বড় আকারের দুর্নীতি। অবশ্য এই দুর্নীতির উচ্ছিষ্ট অনেক সাংবাদিকও পেয়ে আজ গাড়ি বাড়ির মালিক। বিশ্বাস করি আদালত প্রজ্ঞার প্রদর্শন করবে রোজিনা আপা ইস্যুতে। অপেক্ষায় আছি।

২] ছাত্র-ছাত্রীদের সামনে ক্লাসে বাংলাদেশের যে সাংবাদিকের নাম সবচেয়ে বেশি বলি তিনি রোজিনা ইসলাম। প্রায় পুরো ঘটনা আমি এখন জানি, শুধু নথিটা কী ছিলো সেটি নিশ্চিত নই। জেনেশুনে আমার পুরো সাপোর্ট রোজিনা আপার প্রতি রইলো। আমি বিশ্বাস করি একজন সচিবের গোপন নথি মানেই রাষ্ট্রের গোপন নথি নয়। কারণ অতীতে রোজিনা আপা সচিবদের অনেক দুর্নীতি সামনে এনেছেন। এই ঘটনায় কী নথি আপা হস্তগত করেছিলেন সেটি আমি কিছুটা আঁচ করতে পারলেও বিস্তারিত জানি না। করোনাকালে স্বাস্থ্যখাতে সরকার বা একটি মন্ত্রণালয় কী করছে সেটি জানতে সাংবাদিকতা করতে হবে কেন? সচিবালয় থেকে ব্রিফ করেই সেটি জানানো উচিত। স্বাস্থ্যখাতে আমলাদের দুর্নীতি সম্পর্কে সবাই কমবেশি জানে। আমলা মানে এডমিন ক্যাডার শুধু নয়। এখন রোজিনা আপার সাথে যা করা হলো সেটি কি সচিবের দফতর অন্যভাবে ডিল করতে পারত না? এভাবে আটকে রেখে, জোর করে উনাকে সার্চ করে কেন একজন নারী সচিব একজন সাংবাদিককে চাপে ফেলে, চেপে ধরে অসুস্থ করে ফেলবে? এর উপর জিডি করে থানায় নিয়ে যাবে? এটা কোনোভাবেই সমর্থনযোগ্য নয়। সচিবালয় পক্ষ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে পারল না, বলা যায় সঠিকভাবে হ্যান্ডল করতে পারল না। ফলে মানুষ রোজিনা আপার প্রতিই সাপোর্ট জানাচ্ছে। আমিও রোজিনা আপার মুক্তি দাবি করছি। ফেসবুক থেকে

সর্বাধিক পঠিত