শিরোনাম
◈ চীনে জ্বালানির দাম ১২% বৃদ্ধি, বাংলাদেশসহ বৈশ্বিক অর্থনীতিতে বাড়ছে চাপ ◈ সরবরাহ স্বাভাবিক, তবু বাড়ছে ডলারের দর—তদন্তে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ◈ আমদানি-রফতানি কমেছে, বেড়েছে বাণিজ্য ঘাটতি; স্বস্তি দিচ্ছে রেকর্ড রেমিট্যান্স ◈ স্থানীয় নির্বাচন দলীয় প্রতীকে হবে না: মির্জা ফখরুল ◈ পাঠ্যবইয়ে আসছে বড় পরিবর্তন, দুই শ্রেণিতে নতুন চার বই ◈ মিত্রদের ধন্যবাদ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি: বাস্তবায়ন হবে ৩১ দফা ও জুলাই সনদ ◈ ইতালির স্বপ্ন ভেঙে লিবিয়ায় বন্দিদশা, মুক্তিপণে দেড় কোটি টাকা দাবি ◈ প্রান্তিক মানুষের স্বাস্থ্যসেবা আরও উন্নত করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ◈ মানদণ্ডে ব্যর্থ, বাজার থেকে ৮ পণ্য প্রত্যাহারের নির্দেশ বিএসটিআইয়ের ◈ আইনি ও প্রশাসনিক জটিলতায় ওষুধের মূল্য নির্ধারণ থমকে গেছে: বাজারে আসছে না নতুন ওষুধ, হুমকিতে বিপুল বিনিয়োগ

প্রকাশিত : ১০ মে, ২০২১, ০২:২৪ দুপুর
আপডেট : ১০ মে, ২০২১, ০২:২৪ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] নানীর বাড়িতে ঈদ উদযাপন করা হলো না সাদিয়ার

সোহেল রানা ডালিম: [২] চুয়াডাঙ্গার পিরপুরে আলমসাধুর ধাক্কায় সাদিয়া আক্তার (৪) নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

[৩] সোমবার (১০ মে) বেলা সাড়ে ১২টার দিকে সদর উপজেলার আলুকদিয়া ইউনিয়নের পিরপুর বাইতুল মামুর জামে মসজিদের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

[৪] এসময় স্থানীয় ব্যক্তিরা শিশুটিকে দ্রুত উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নেয়। জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎশক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহত শিশু চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার গাঈদঘাট বিলপাড়ার সবুজ হোসেনের মেয়ে।

[৫] জানা যায়, ঈদে উদযাপন করতে নানীর বাড়িতে ছিলো সাদিয়া ও তার ভাই। দুপুর ১২ টার পরে নানীর সঙ্গে একই এলাকায় একটি বাড়িতে বেড়াতে যাচ্ছিলো তারা। এসময় পিরপুর বাইতুল মামুর মসজিদের সামনে নানীর পেছন পেছন রাস্তা পার হচ্ছিল সাদিয়া। নানী রাস্তা পার হয়ে গেলেও আলুকদিয়া থেকে পিরপুর মুখি একটি আলমসাধু ধাক্কা দেয় সাদিয়াকে। এতে গুরুতর আহত হয় সাদিয়া। এসময় স্থানীয় ব্যক্তিরা শিশুটিকে দ্রুত উদ্ধার করে সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

[৬] চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. জান্নাতুল ফেরদৌস বলেন, দুপুরে কয়েকজন ব্যক্তি শিশুটিকে জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে। একটি আলমসাধু শিশুটিকে ধাক্কা দিয়েছে বলে জানায় তাঁরা। আমরা জরুরি বিভাগে শিশুটিকে মৃত অবস্থায় পেয়েছি। হাসপাতালে নেওয়ার পূর্বেই তার মৃত্যু হয়েছে। সম্পাদনা: হ্যাপি

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়