শিরোনাম
◈ নামিবিয়ার কাছে পরাস্ত হওয়ার পর জিম্বাবুয়েকে হারিয়ে ঘুরে দাঁড়াল দ‌ক্ষিণ আ‌ফ্রিকা  ◈ সি‌লে‌টের দক্ষিণ সুরমায় পূর্ণাঙ্গ স্টেডিয়াম নির্মাণের পরিকল্পনা আছে: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ◈ প্রজ্ঞাপনের আগেই জানা গেল সম্ভাব্য পে-স্কেল, কার বেতন কত ◈ জমি, পরকীয়া, মাদক ও ছিনতাই: দুই সপ্তাহে ৯ খুন রংপুরে ◈ হত্যার পর ছাদজুড়ে পানি ঢালল কে? রংপুরের ঘটনায় নতুন মোড় ◈ কাপ্তাই হ্রদের পানি বিপৎসীমায়, ডুবছে রাঙামাটির ঝুলন্ত সেতু ◈ ‘আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস’ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর বার্তা ◈ ইরানের হুমকির পর ঘরবন্দি ট্রাম্পপুত্র ব্যারন, কাটছে অন্তর্মুখী জীবন ◈ কনটেইনার পরিবহন বাড়লেও সেরা ১০০ বন্দরে ৬৮তম চট্টগ্রাম ◈ সৌরবিদ্যুৎ নিয়ে সরকারের পরিকল্পনা কী এবং কোন পাঁচ বিষয় চ্যালেঞ্জ হতে পারে?

প্রকাশিত : ০৮ মে, ২০২১, ০৬:১৫ বিকাল
আপডেট : ০৮ মে, ২০২১, ০৬:১৮ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] জামিন কারও দয়া-মায়া নয়, অধিকার: বিশিষ্ট নাগরিক

শিমুল মাহমুদ: [২] গত কয়েক মাসে ডিজিটাল সিকিউরিটি আইনসহ বিভিন্ন মামলায় দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৫৯ জন ছাত্রকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের ঈদের আগে মুক্তি দিতে প্রধান বিচারপতিকে চিঠি দিয়েছে নাগরিক সমাজ।

[৩] এরপর শনিবার বেলা ১২ টায় ধানমন্ডি গণস্বাস্থ কেন্দ্রের সংবাদ সম্মেলনে চিঠি পাঠ এবং মূল বক্তব্য তুলে ধরেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক আসিফ নজরুল। উপস্থিত ছিলেন, বক্তব্য রাখেন গণস্বাস্থ্যের ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়াদ সাকি। র্ভাচুয়ালি বক্তব্য রাখেন গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন ।

[৪] ড. কামাল হোসেন বলেন, ছাত্রদের জামিন দেওয়া উচিত। জামিন অধিকারের বিষয়, কোনো দয়া-মায়ার বিষয় না। ছাত্র সমাজ সময় উপযোগী বিষয়গুলো নিয়ে জনমত গঠন করে, আন্দোলন করে। এগুলোকে আমরা সব সময় উৎসাহিত করেছি। তাদের অবশ্যই জামিন দেওয়া উচিত।

[৫] জামিন নিয়ে আমাদের ঐতিহ্য আছে উল্লেখ করে ড. কামাল হোসেন বলেন, নিম্ন আদালতগুলো এখানে একটি সাহসী ভূমিকা রেখেছে। অনেক সময় তারা জামিন দিয়ে..। আমাদের মনে আছে, অতীতে ব্যাপক আন্দোলনের সময় নেতাদের বক্তব্যের কারণে জেলে নেওয়া হতো। তখন আবেদন করলে সঙ্গে সঙ্গে জামিন দেওয়া হতো। আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা করা হলো, মানুষজনকে কারাঅন্তরীন করে রাখা হলো। তখন এই জামিনে যে একটি শক্তি ছিলো, তখন সেটা আমরা দেখিয়েছিলাম। যাকেই ধরা হোক, সঙ্গে সঙ্গে নিম্ন আদালত জামিন দিয়ে দিত, হাইকোর্টে আসা লাগতো না।

[৬] ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, জামিন আমাদের মানবিক ও আইনগত অধিকার। আজ আমাদের মূল সমস্যা হলো- বিচারকরা বিবেকবান নন। তারা অত্যাধিকভাবে সরকার ও পুলিশ নিয়ন্ত্রিত। কোর্টে গেলে বলে, সরকার না বললে তো হবে না। আজ এক মাস হয়ে গেছে এখনও মামলা উঠেনি। তারপর একই ধরনের মামলা ৫টা দেওয়া আছে। তখন ৫টার জন্যই জামিন নিতে হয়। এক্ষেত্রে প্রধান বিচারপতির সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা প্রয়োজন।

[৭] তিনি আরও বলেন, কয়েকদিন পরই ঈদ। আমরা সরকারের কাছে আবেদন করেছি। সেই সঙ্গে প্রধান বিচারপতিকেও বলেছি, সাংবিধানিক অধিকার ও ক্ষমতা প্রয়োগ করে এই ছাত্রদের ঈদের আগেই জামিনের ব্যবস্থা করুন। মনে রাখতে হবে এই ছাত্ররাই আজকের বাংলাদেশের সৃষ্টি করেছে। তারা বাংলা ভাষার আন্দোলন করেছিলো বলেই বাংলা ভাষা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

  • সর্বশেষ