প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

সিঙ্গাপুর ও যুক্তরাজ্যের ভিসার মেয়াদ আছে খালেদা জিয়ার, সবকিছু ঠিক থাকলে রোববার রাতে অথবা সোমবারের মধ্যেই বিদেশে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি

আজাহার আলী সরকার: শুধু রাজনৈতিক সিদ্ধান্তহীনতার কারণেই করোনায় আক্রান্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিদেশে যেতে বিলম্ব হচ্ছে ! আর এ কারণেই গত কালও বিদেশ যেতে পারলেন না তিনি ।

রবিবারেই খালেদা জিয়ার বিদেশে চিকিৎসা করার সরকারী আদেশ আসছে । একই সাথে ঐদিনেই খালেদা জিয়ার নুতন পাসপোর্টে কমপক্ষে দু’দেশের ভিসাও মিলবে। যদিও তাঁর নুতন ভাবে ভিসা পেতে তেমন কোন সমস্যা হওয়ার কথা না।

তবে অসমর্থিত একটি সূত্র দাবি করেছে, খালেদা জিয়ার আগের পাসপোর্টের মেয়াদ না থাকলেও যুক্তরাজ্য এবং সিঙ্গাপুরসহ তাঁর বেশ কয়েকটি দেশের ভিসার মেয়াদ রয়েছে। এছাড়া সাবেক প্রধানমন্ত্রীদের বিভিন্ন দেশের ভিসা পেতেও কোন সমস্যা হয় না। খবর সংশ্লিষ্ট সূত্রের।

জানা গেছে, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে সরাসরি লন্ডনে নেওয়ার কথা থাকলেও শারীরিক অসুস্থতা খুব বেশী হওয়ায় চাটার্ড ফ্লাইটে প্রথমে সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে নেয়া হতে পারে ।

সিঙ্গাপুরে তাঁর শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলে আরও উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডনে নেয়া হবে । সেখানে তিনি চিকিৎসার পাশাপাশি তাঁর ছেলে এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বাসায়ও যাবেন।

উল্লেখ্য , খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নেওয়ার সুযোগ চেয়ে সরকারের কাছে তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে গত বুধবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ে আবেদন করা হয়। পরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় খালেদা জিয়ার আবেদনটি আইনমন্ত্রণালয়ে পাঠায়।

আইন মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যেই তাঁকে শর্ত সাপেক্ষে বিদেশে চিকিৎসা করার ব্যাপারে অনুমতি দিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে অনুরোধ করেছে।

গত ১১ এপ্রিল খালেদা জিয়ার করোনা শনাক্ত হয়। এরপর থেকে গুলশানের বাসা ‘ফিরোজায়’ তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. এফএম সিদ্দিকীর নেতৃত্বে চিকিৎসা শুরু হয়। করোনা আক্রান্তের ১৪ দিন অতিক্রান্ত হওয়ার পর খালেদা জিয়ার করোনা টেস্ট করা হলে ফলাফল আবারও পজিটিভ আসে।

এরপর কিছু পরীক্ষার জন্য তাকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। প্রথম দফায় পরীক্ষা শেষে বাসায় ফেরার পর দ্বিতীয় দফায় ২৭ এপ্রিল ফের হাসপাতালে নেওয়া হয়। সোমবার ভোরের দিকে শ্বাসকষ্ট বেড়ে যাওয়ায় খালেদা জিয়াকে সিসিইউতে (করোনারি কেয়ার ইউনিট) স্থানান্তর করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি সেখানেই আছেন।

এদিকে খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, বিএনপি চেয়ারপারসনের করোনার কিছু পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। তার ফুসফুস থেকে তরল জাতীয় পদার্থ (ফ্লুইড) অপসারণ করা হয়েছে। তার ডায়াবেটিস পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে থাকছে না। এর মাত্রা ওঠানামা করছে। এছাড়া অক্সিজেনের মাত্রাও কিছুটা কমেছে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত