প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] সাত শর্ত মেনে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে অনলাইন পরীক্ষার অনুমতি: ইউজিসি

শরীফ শাওন: [২] বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ পরীক্ষাগুলোর বিষয়ে গাইডলাইন তৈরি করছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) টেকনিক্যাল কমিটি। করোনায় শিক্ষার অগ্রগতিতে এ কমিঠি গঠন করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। কমিটির সিদ্ধান্ত মেনে পরীক্ষা আয়োজন করতে পারবে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

[৩] বৃহস্পতিবার দুপুরে ইউজিসি’র সিনিয়ন সদস্য প্রফেসর ড. দীল আফরোজা বলেন, কিছুক্ষণ আগে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের সঙ্গে বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শর্ত মেনে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো একাডেমিক পরীক্ষাগুলো অনলাইনে নিতে পারবেন। কিভাবে প্রশ্ন করতে হবে, কিভাবে পরীক্ষা মনিটরিং করতে হবে, সব বিষয় টেকনিক্যাল কমিটির গাইডলাইনে বলা আছে।

[৪] বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য ড. মূনাজ আহমেদ নূর বলেন, কোনো বিশ্ববিদ্যালয় বা শিক্ষার্থী যদি অনলাইনে পরীক্ষা দিতে না চায়, সেক্ষেত্রে তাদের চাপিয়ে দেয়া যাবে না। কোনো বিশ্ববিদ্যালয় যদি মনে করে যে অনলাইনে না নিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে তারা সরাসরি পরীক্ষা নেবে, সেটিও করতে পারবে।

বিশ্ববিদ্যালয় সমূহের অনলাইনে পরীক্ষা গ্রহণের শর্তগুলো হলো-
১. যেকোনো বিষয়ের তত্ত্বীয় ব্যবহারিক পাঠদান অনলাইনে সম্পন্ন হওয়ার পর কালক্ষেপণ না করে তার চূড়ান্ত মূল্যায়ন অনলাইনের মাধ্যমে সম্পন্ন করতে হবে। শুধু যে সকল ব্যবহারিক কোর্সে হাতে-কলমে কাজ করা ছাড়া পরীক্ষা সম্পন্ন করা সম্ভব নয়, তা অবশ্যই সুবিধাজনক সময়ে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্লাসে সম্পন্ন করতে হবে।
২. মূল্যায়ণের ক্ষেত্রে সব বিষয়ের বিপরীতে শিক্ষার্থীর সত্যিকারের মেধা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার মাধ্যমে চলমান পদ্ধতি ও স্কেল গ্রেড প্রদান করতে হবে।
৩. বিশ্ববিদ্যালয়সমূহ তাদের জন্য উপযোগী অনলাইনে পরীক্ষা নেয়ার সুস্পষ্ট পদ্ধতি গ্রহণ করবে এবং বাস্তবতার নিরিখে সকল সুযোগ-সুবিধা বিবেচনায় রেখে যথাযথ নিয়ম অনুসরণ করবে।
৪. যেকোনো তত্ত্বীয় বিষয় এবং হাতে-কলমে কাজ করার প্রয়োজন নেই, এমন ব্যবহারিক বিষয়ে চূড়ান্ত নম্বর অনলাইনে পরীক্ষা নিয়ে প্রদান করা যেতে পারে।
৫. ব্যবহারিক ক্লাসের বিভিন্ন এক্সপেরিমেন্টের ভিডিও সংশ্লিষ্ট বিভাগের ওয়েবসাইটে আপলোড করতে হবে এবং শিক্ষার্থীদের ইমেইলে এক্সপেরিমেন্টের পুরোনো ডেটা প্রেরণ করতে হবে। শিক্ষার্থীরা এসব ডেটা অ্যানালাইসিস করে সংক্ষিপ্ত রিপোর্ট সংশ্লিষ্ট শিক্ষককে প্রদান করবে।
৬. ল্যাবভিত্তিক নয় এমন থিসিস অনলাইনে সুপারভিশন করা যেতে পারে। ল্যাবভিত্তিক থিসিসের সুপারভিশন যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে অনলাইনে হতে পারে। থিসিসের হার্ডকপি গৃহীত হওয়ার পর অনলাইনে ভাইভা নেয়া যেতে পারে।
৭. অনলাইন ক্লাস ও পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য প্রত্যন্ত অঞ্চলে ইন্টারনেট প্রাপ্যতা ও প্রয়োজনীয় স্পিড নিশ্চিত করা দরকার। এ জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয় যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ জানাতে পারে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত