প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

শাহনাজ খুশি: ২৭ বছরই যদি কাটিয়ে দেওয়া যায়, তার পরের জীবন কি খুব বেশি বহমান?

শাহনাজ খুশি: নিউজটা দেখে খুব চমকে গেলাম। মানুষের জীবনের  কতো কত মানে থাকে। ২৭ বছরই যদি কাটিয়ে দেওয়া যায়, তার পরের জীবন কি খুব বেশি বহমান? মানে রাখে অনেক বেশি? এসব আমার একেবারেই বাঙালি সংস্কার থেকে ভাবনা। রথী-মহারথীদের জীবনবোধ আলাদা। আমাদের জীবনটা দেখার/সাজাবার দৃষ্টিভঙ্গিও আলাদা। তবুও আসলে একটু চমকে গেলাম বৈকি। কারণ তারা দম্পতি হিসেবে এবং তাদের কর্মময় নানা উদ্দ্যোগ, আমার খুবই পছন্দের ছিলো। আর একটা গোপন কথা, তাদের আর আমার বিবাহ সালটা কিন্তু একই ছিল। পৃথিবীর সকল মানুষ সুখী হোক।

নির্বাচিত মন্তব্য : কাজী ইলিয়াস কল্লোল- আমি কখনো সবারমতো কমন কথা কেনো যেন ভাবিনা। এমনওতো হতে পারে, বহমান জীবনের বৈচিত্র্যময় নতুন স্বপ্ন দেখছে তারা- এই বিচ্ছেদের আয়োজন সজ্জায়। জীবনকে তারা মহুমাত্রিক রূপ দিতে এবং অধিকতর উপভোগ্য করে তুলতেই এই সিদ্ধান্ত। দুজনের জীবনই হয়তো আটকে গিয়েছিলো পারস্পারিক সীমাবদ্ধতায়। তারা ব্যতীত কে বলতে পারে- হয়তো বৃহত্তর স্বার্থে অবদান রাখবে বলে তাদের মুক্তির খুব আবশ্যকতা ছিলো। তাদের দুজনকেই মুক্তির অভিনন্দন।

[২] জান্নাতুল ফেরদৌসী- তারা নিজেদের ভালবাসে এবং সম্মান করে। যখন দেখে নিজেদের সম্মানের জায়গাটা সেই সাথে মনের সুখটুকু নেই তখনি সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসে। আমরা নিজেদের ভালবাসতে জানি না। তাই সন্তান সংসার এর মায়ায় অসুখি সম্পর্ক ও সারাজীবন টেনে নিয়ে যাই। বাংলাদেশের ঘরে ঘরে অসুখী দাম্পত্য জীবন কাটাচ্ছে অনেক দম্পতি। শুধু সমাজ কি বলবে সন্তানদের কি হবে এইটা ভেবে পড়ে থাকে। আর যারা প্রেম করে বিয়ে করে তাদের তো কষ্ট বলার জায়গা নেই যাওয়ার ও জায়গা নেই। ফেসবুক থেকে

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত