প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] মমতার বন্দোপাধ্যায়ের বিশাল জয়ের মুল কারিগর প্রশান্ত কিশোর

মাছুম বিল্লাহ: [২] প্রশান্ত কিশোর ওরফে পিকে ভারতের আলোচিত ‘নির্বাচনী কৌশলী’। তাকে বলা হয় ভোটযুদ্ধে রণনীতির গুরু। এক সময় মোদি ও বিজেপির নির্বাচন এবং প্রচারাভিযানের কৌশলের কারণে প্রতিবারই জিতেছে বিজেপি। ভোটযুদ্ধে পিকের রণনীতির মানেই সফলতা। এবার পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনে তার কৌশলে সফলতা পেয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। বড় জয় নিয়ে আবারও মুখ্যমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন মমতা বন্দোপাধ্যায়।

[৩] তিন বছর আগে পিকেকে রাজনৈতিক উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দিয়েছিলেন তৃণমূল কংগ্রেরস প্রধান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ২০১৯ সালে লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির কাছে অনেকগুলো আসন হারানোর পর পিকেকে নিয়োগ দেন মমতা। এরপর নির্বাচনী কৌশল ঠিক করে সে অনুযায়ী তিন গত তিন বছর কাজ করেন পিকে।

[৪] গত বছরের ডিসেম্বরে পিকে দাবি করেছিলেন পশ্চিমবঙ্গে কিছুতেই তিন অংকের আসন পাবে না বিজেপি। ট্যুইট করে রণনীতি গুরু দাবি করেছিলেন, যতই মোদি হাওয়া উঠুক না কেন, পশ্চিমবঙ্গে দুই অঙ্ক পেরতে বেগ পেতে হবে বিজেপিকে। রীতিমত চ্যালেঞ্জ জানিয়ে তিনি আরও বলেছিলেন, এই ট্যুইটটা সেভ করে রেখে দিন। যদি এর অন্যথা হয়, তবে আমি এই পেশা ছেড়ে দেবো। রোববার সেই ভবিষ্যবাণী ফলতেই পুরনো টুইট পিন টু টপ করে রাখলেন প্রশান্ত কিশোর। আবারও মনে করালেন পুরনো কথা।

[৫] প্রশান্ত কিশোর নির্বাচনী কৌশলবিদ হিসাবে ২০১৪ সাল থেকে আলোচনায় রয়েছেন।বিহারে নীতীশ কুমারের সাথে কাজ করার সময় পিকে ব্র্যান্ড সকলের নজর কাজে। ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে পিকে ভারতীয় জনতা পার্টির জন্য নির্বাচনের কৌশল তৈরি করেছিল। যদিও পরে বিজেপির সাথে তাঁর দূরত্ব বাড়তে থাকে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের পরে প্রশান্ত কিশোরকে ভোট কৌশলী হিসাবে নিয়ে আসে। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এরপর তৃণমূলের অনেক নেতা পিকে কার্যক্রমে ক্ষুব্ধ হয়ে দল ত্যাগ করে বিজেপিতে যোগ দেন। তা সত্ত্বেও, পিকে-র দাবি ছিল, বিজেপির আসন সংখ্যা এবার তিন অঙ্কে পৌঁছবে না।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত