শিরোনাম
◈ মন্ত্রীদের কথা কম বলে মনোযোগ দিতে নির্দেশ, ১৮০ দিনে পারফরম্যান্স মূল্যায়নের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর ◈ পাকিস্তানে সেনাবাহিনীর অভিযানে ‘ভারতীয় প্রক্সি’ গোষ্ঠীর ৩৪ সদস্য নিহত ◈ রাজনীতি করার জন্য একটু ‘স্পেস’ চায় আওয়ামী লীগ! ◈ ছয় আসন, বড় লক্ষ্য: ছাত্রনেতৃত্বাধীন এনসিপির সামনে এখন কী? তৃতীয় শক্তি কি গড়ে উঠতে পারবে? ◈ অভিযুক্ত সিয়াম গ্রেফতার, ছুরি ও জামা উদ্ধার: স্কুলছাত্রী হত্যা ◈ একুশে পদক প্রদান করলেন প্রধানমন্ত্রী ◈ নতুন দায়িত্ব পেলেন মির্জা আব্বাস ◈ উত্তর-পশ্চিমে পরিবর্তনের ইঙ্গিত: অবহেলিত প্রান্তে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ ◈ বিএনপি সরকারের পদক্ষেপ ভালো, তবে সমালোচনাও আছে ◈ পবিত্র রমজান মাসে একদিনে ওমরাহ পালনকারীর সংখ্যায় নতুন বিশ্বরেকর্ড

প্রকাশিত : ৩০ এপ্রিল, ২০২১, ০৫:১৫ বিকাল
আপডেট : ৩০ এপ্রিল, ২০২১, ০৭:৪২ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

লকডাউনের বিকল্প হিসেবে সরকারের কাছে বিশেষজ্ঞদের ১০টি সুপারিশ

শিমুল মাহমুদ: ক. অবশ্যই মুখে মাস্ক পরা নিশ্চিত করতে হবে। না পরলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা থাকতে হবে। খ. অফিসে উপস্থিতি অর্ধেক করতে হবে। এক-তৃতীয়াংশ হলে ভালো হয়। অফিসগুলোতে ভার্চুয়াল মিটিংকে উৎসাহ দিতে হবে। অফিসগুলোতে  দলবেঁধে খাওয়া-দাওয়া না করে আলাদাভাবে  খাওয়া।

গ. গণপরিবহনে েআসন সংখ্যার ৫০ ভাগ যাত্রী বহন করবে। এই নিয়ম দীর্ঘদিনের জন্য চালু থাকতে হবে। এছাড়া প্রাইভেট এবং তিনচাকার ট্যাক্সি একজন করে যাত্রী বহন করবে। তবে পরিবারের সদস্য হলে দুইজন বহন করতে পারে। অবশ্য রিকশা, মোটরসাইকেল এবং বাই-সাইকেলে কোন সমস্যা নেই।

ঘ. খাবারের দোকান, মুদি দোকান, মার্কেট এবং শপিং-মল দীর্ঘ সময়ের জন্য খোলা রাখা। স্বল্প সময়ের জন্য খোলা রাখলে মানুষের চাপ বাড়ে এবং সংক্রমণের ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়। কাঁচা বাজারগুলো উন্মুক্ত জায়গায় পরিচালনা করতে হবে। রেস্টুরেন্টে বসে খাওয়া যাবে না। হোম ডেলিভারি সার্ভিসকে উৎসাহ দিতে হবে।

ঙ. জনসমাবেশ কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। মসজিদ, মন্দির এবং চার্চে যাতে ভিড় না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। প্রার্থনায় সীমিত সংখ্যক মানুষ যেতে পারবে। এছাড়া রাজনৈতিক সভা-সমাবেশ বন্ধ রাখার সুপারিশ করা হয়েছে। যদিও করাও হয় তাতে ১০জনের বেশি মানুষ থাকতে পারবে না।

চ. যারা দৈনিক মজুরির ভিত্তিতে জীবিকা নির্বাহ করে তাদের কাজ চালিয়ে নেয়া যাবে। নিয়োগকারী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান শ্রমিকদের শারীরিক দূরত্ব এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার বিষয়টি নিশ্চিত করবে। কারখানায় স্বাস্থ্য বিধি মানতে হবে।

ছ. কলকারখানার প্রবেশ মুখে শ্রমিকদের জন্য স্যানিটাইজেশন ও হাত ধোয়ার ব্যবস্থা রাখতে রাখবে, যাতে করে তারা জীবাণুমুক্ত হয়ে কারখানায় প্রবেশ করতে পারে। কারখানার ভেতরে মাস্ক পরে নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রেখে কাজ করতে হবে।

জ. পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখতে হবে। অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রমকে উৎসাহ দিতে হবে।

ঝ. বিনোদন এবং পর্যটন কেন্দ্রগুলো সম্পূর্ণ বন্ধ রাখতে হবে। পরবর্তী ঘোষণা না দেয়া পর্যন্ত পর্যটন কেন্দ্র খোলা যাবে না।

ঞ. আইসোলেশন, কন্টাক্ট ট্রেসিং এবং কোয়ারেন্টিন নিশ্চিত করতে হবে। এছাড়া ভ্যাকসিন কার্যক্রম চলমান রাখতে হবে। সংক্রমণ রোধ করার জন্য এটা ভীষণ প্রয়োজন। বিদেশ থেকে আসা যাত্রীদের ক্ষেত্রে কোয়ারেন্টিন ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে যারা আসবেন তাদের দ্রুত খুঁজে বের করে আইসোলেশন নিশ্চিত করতে হবে। টেস্ট করার সুবিধা বাড়াতে হবে। টেস্টিং সেন্টারগুলোতে যাতে ভিড় না হয় সেজন্য সেন্টারের সংখ্যা বাড়ানোর পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

শুক্রবার বিবিসি বাংলায় প্রকাশিত এক সংবাদে করোনা মোকাবিলায় গঠিত জাতীয় টেকনিক্যাল পরামর্শক কমিটির সভাপতি অধ্যাপক শহীদুল্লাহ এসব কথা বলেন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়