শিরোনাম
◈ যে ছয় কারণে দরিদ্র হওয়ার ঝুঁকিতে ৬ কোটি ২০ লাখ বাংলাদেশি ◈ ভারতের পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মন্ত্রী সমমর্যাদার উপদেষ্টা নিযুক্ত হলেন মিঠুন চক্রবর্তী ◈ এআই ও স্বয়ংক্রিয় বট ব্যবহার করে গান বানিয়ে ৮০ লাখ ডলারের স্ট্রিমিং জালিয়াতি! ◈ বাংলাদেশের সঙ্গে ইতিবাচক ও ভবিষ্যৎমুখী সম্পর্ক বজায় রাখতে চায় ভারত: রণধীর জয়সওয়াল ◈ ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার সমান অধিকার নিশ্চিত করতে সরকারের অঙ্গীকার: প্রধানমন্ত্রী ◈ ১০ উড়োজাহাজ কিনতে এয়ারবাসের সঙ্গে বিমান বাংলাদেশের চুক্তি সই ◈ ফ্রান্সের শিক্ষার্থী বিক্ষোভে স্পষ্ট ঋণ ও বাজেট সংকট, যা ছড়িয়ে পড়তে পারে পুরো ইউরোপে ◈ ব্যাংকক সম্মেলনে বাংলাদেশের নিজস্ব অর্থনৈতিক সংস্কার কর্মসূচি তুলে ধরবে সরকার ◈ চীন-ভারতের তুলনায় যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি বেশি স্থিতিশীল, সামনে বড় সুযোগ ◈ শ্রমিকদের বিরোধিতার মধ্যেই ডিপি ওয়ার্ল্ডকে ১৫ বছরের এনসিটি ইজারা দিচ্ছে বাংলাদেশ

প্রকাশিত : ২৯ এপ্রিল, ২০২১, ০৯:১৯ রাত
আপডেট : ২৯ এপ্রিল, ২০২১, ০৯:১৯ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মেডিকেল ছাত্রীকে হয়রানি: ফেসবুকে ম্যাসেজ পেয়ে ব্যবস্থা নিলো পুলিশ

সুজন কৈরী: [২] বৃহস্পতিবার পুলিশ সদর দপ্তরের এআই‌জি (মি‌ডিয়া এন্ড পিআর) মো. সোহেল রানা জানান, ‌মি‌ডিয়া এন্ড পাব‌লিক রি‌লেশন্স উইং প‌রিচা‌লিত বাংলা‌দেশ পু‌লি‌শের ফেসবুক পেইজের ইনবক্সে একটি বার্তা আসে। সেখানে একজন মেডিকেল পড়ুয়া ছাত্রী অভিযোগ করে বলেন, সে রাজধানীর একটি অত্যন্ত খ্যাতনামা সরকারি মেডিকেল কলেজের ছাত্রী। তার সঙ্গে পারিবারিকভাবে বেসরকা‌রি প্র‌তিষ্ঠা‌নে কর্মরত এক ছেলের বিয়ের কথা চলছিলো। ছেলেটি দেখতেও গিয়েছিলো তাকে।

[৩] দেখতে গিয়ে মেয়েটির ফোন নম্বর নিয়ে যায় ছেলেটি। এরপর কয়েকদিন দুজনের মধ্যে ফোনে কথা হয়। ত‌বে ছেলেটিকে ভাল না লাগায় মেয়েটি মানা করে দেয়। কিন্তু ছেলেটি তাকে নানাভাবে বিরক্ত করতে থাকে।

[৪] ফেসুবকে তার নামে ভুয়া আইডি খুলে আজেবাজে বিভিন্ন কথা লিখতে থাকে। সেই আইডি দিয়ে ছাত্রীর মেডিকেলের বিভিন্ন গ্রুপে ঢুকে নানা পোস্ট দিতে থাকে। পাশপাশি মেয়েটির আত্মীয় স্বজনদেরও বিরক্ত করছিলো ছেলেটি। তার এই হয়রানির কারনে মেয়েটি কোনোভাবেই পড়াশোনা করতে পারছে না। ভীষণ মানসিক যন্ত্রনায়র মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছে তাকে। তার পরিবারও অতিষ্ঠ। এক পর্যায়ে সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে সে পুলিশের সহযোগিতা চায়।

[৫] সো‌হেল রানা বলেন, বার্তা পাওয়ার পরপরই মিডিয়া এন্ড পাবলিক রিলেশন্স উইং কেরানীগঞ্জ মডেল থানার ওসি কাজী মাঈনুল ইসলামকে এই বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য নির্দেশনা দেয়। পাশাপাশি ঢাকা জেলা পুলিশের অতিরিক্ত সুপার পদমর্যাদার আরও দুই কর্মকর্তাকে বিষয়টি তদারকির নির্দেশনা দেওয়া হয়।

[৬] উভয়ের তদারকি ও ওসির প্রত্যক্ষ উদ্যোগে ক‌রোনা প‌রি‌স্থি‌তির মধ্যেই মেয়েটি ও তার পরিবারকে থানায় আসার ব্যবস্থা করে দেয়া হয়। মেয়েটির অভিযোগ গ্রহণ করা হয়। অল্প সময়ের মধ্যেই অভিযুক্তকে খুঁজে বের করে অভিযুক্ত ছেলেকে আইনের আওতায় আনা হয়।

 

  • সর্বশেষ