শিরোনাম
◈ আজ থেকে ৭২ ঘণ্টার জন্য বন্ধ হলো মোটরসাইকেল চলাচল ◈ নির্বাচন ঘিরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কঠোর অবস্থান ◈ সাময়িকভাবে স্থগিত মালয়েশিয়ার ই-ভিসা কার্যক্রম ◈ ৪ কিমি গতির ঢাকা শহর! যানজট কমাতে এআই ও জিরো সিগন্যাল ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার পথে বাংলাদেশ ◈ ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের জোট সমীকরণ: কে কার সঙ্গে, কে কোথায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে? ◈ ভোটের দিন প্রার্থী, পোলিং এজেন্ট ও ভোটারদের যেসব বিধিনিষেধ মানতে হবে ◈ আমরা এককভাবে সরকার গঠনে সক্ষম হবো: ডয়চে ভেলেকে তারেক রহমান (ভিডিও) ◈ টি-‌টো‌য়ে‌ন্টি বিশ্বকা‌পে আরব আমিরাতের বিরু‌দ্ধে দাপু‌টে জয় নিউ জিল্যান্ডের ◈ নির্বাচনে টানা ছুটি: সরকারি চাকরি থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান—কার কত দিন? ◈ বাংলাদেশের নতুন রাজনৈতিক সমীকরণে আওয়ামী লীগ নিয়ে ভারতের দোটানা!

প্রকাশিত : ২৬ এপ্রিল, ২০২১, ০৪:১৭ সকাল
আপডেট : ২৬ এপ্রিল, ২০২১, ০৪:১৭ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

শওগাত আলী সাগর: করোনার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের একটা মিল আছে, কী সেটা?

শওগাত আলী সাগর: [১] স্বল্পোন্নত দেশগুলোর করোনার ভ্যাকসিন পাওয়া নিশ্চিত করতে গঠিত আন্তর্জাতিক সরবরাহ ফোরাম ‘কোভ্যাক্স’ এর ৬০ শতাংশ ভ্যাকসিন  সরবরাহকারী দেশ ভারত।  কিন্তু  দেশটি  নিজ দেশের জনসংখ্যার ১০ শতাংশের কম লোককে এক ডোজ করে ভ্যাকসিন দিতে পেরেছে। পুরো দুই ডোজ ভ্যাকসিন পেয়েছে মাত্র ১ শতাংশ নাগরিক। শুরুর দিকে ভারত যে ‘আমাদের চাহিদা পূরণ হলেই কেবল বাইরের দেশে রপ্তাণি হবে’ নীতিমালা নিয়েছিলো, সেখানে স্থির থাকাই কী ভারতের জন্য ভালো ছিলো? যেমনটি আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন করেছেন। আমেরিকায় উৎপাদিত সব ভ্যাকসিন এমনকি ভ্যাকসিনের কাঁচামালও যাতে আামেরিকার বাইরে যেতে না পারে সে ব্যবস্থা করেছেন। ভারত সিদ্ধান্ত  নিয়েও সে জায়গায় থাকেনি। ব্যাপারটা যদি বাংলাদেশের ঘটতো। মানে বাংলাদেশের কোনো কোম্পানি ভ্যাকসিন উৎপাদন করছে, সেই ভ্যাকসিন বিশ্বের বিভিন্ন দেশে যাচ্ছে, আর বাংলাদেশের মানুষ কোভিডে মারা যাচ্ছে। পরিস্থিতিটা কেমন হতো।

[২] করোনার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের একটা মিল আছে। মাথাপিছু করোনার টেস্টের পরিসংখ্যানে পৃথিবীর সবচেয়ে নীচে থাকা দেশগুলোর একটি ভারত। প্রতি ১০ হাজার মানুষের মধ্যে ভারত মাত্র ০.৪ জনের করোনা টেস্ট করেছে। বাংলাদেশের এই হারটা কতো? [৩] ভারতে করোনার বর্তমান বিস্তারের পেছনে নতুন ভ্যারিয়েন্ট কতোটা দায়ী, সেটি নিয়ে গবেষণা হচ্ছে। তবে এটিই যে একমাত্র ফ্যাক্টর সে ব্যাপারে এখনো বিশেষজ্ঞরা উপসংহারে পৌঁছুতে পারেননি। কুম্ভমেলায় হাজারো মানুষের সমাগম, নির্বাচনী প্রচারণায় লোকসমাগম আর অবাধ বায়ু চলাচালের সুবিধাহীন বাসস্থানে গাদাগাদি করে বসবাস করোনার নতুন এই বিস্তারের পেছনে কাজ করেছে বলে গবেষকরা ভাবছেন। বাংলাদেশের সাম্প্রতিক সংক্রমণ বৃদ্ধির পেছনে মোদি বিরোধী আন্দোলনের সময় হেফাজতের বিক্ষোভ এবং শত শত মানুষের স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করে মেলামেশা  কতোটা ভূমিকা রেখেছে তা নিয়ে কোনো পরিসংখ্যান আছে কিনা জানা নেই। তবে বাতাসের অবাধ চলাচলের (ভ্যাল্টিলেশন) সুবিধাহীন বাসস্থানে গাদাগাদি করে লোকজনের বসবাসের চিত্রটা বাংলাদেশেও বিদ্যমান। লেখক : সিনিয়র সাংবাদিক

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়