প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

খাজা নিজাম উদ্দিন: কোকিলের গল্পের অবস্থা এখন বিএনপির, কাকের বাসায় ডিম পেরে বাচ্চা ফুটাতে চায়!

খাজা নিজাম উদ্দিন: সরকার হেফাজতের ওপর ডাইরেক্ট অ্যাকশনে নেমেছে। তার আগে একটা কথা বলি, আমার পছন্দের একজন মানুষ প্রায় ৮ মাস পরে ফোন দিয়েছে। খাজা ভাই, একটা কথা ছিলো। কথার আসল কথা হলো, কেউ একজন বলেছে, আমি তার সম্পর্কে নানা আজেবাজে কথা বলেছি। সে জানতে চায়, খাজা ভাই আসলেই কি আপনি কথাগুলো বলেছেন? বিষয়টাতে আমি কিছুটা মর্মাহত হই। প্রথমত যদি বলি, এসবের সময়টাই আমার নেই, আমি কারও সম্পর্কে কখনো খারাপ কিছু বলি না আর দ্বিতীয়ত এতোদিন পরে কেন প্রশ্ন করলো। সঙ্গে সঙ্গে প্রশ্ন করেই জানা যেতো। আর এই যে ৮ মাস মনের মধ্যে একটা ক্ষোভ বা দুঃখ চেপে রেখেছে, মনোঃকষ্ট পেয়েছে- এটার নানাবিধ ক্ষতিকর দিক আছে। এই কাজগুলো আমরা অনেকেই করি। এর ফলে তৃতীয় পক্ষ সুযোগ নেয়।

গত মার্চ থেকে হেফাজত হঠাৎ করেই সরকারবিরোধী কর্মকাণ্ডে নামে, যা তাদের সঙ্গে যায় না। সরকার সব ধরনের বিচার বিশ্লেষণের পরেই ক্র্যাকডাউনে নেমেছে। সরকার বলেছে, বিএনপি নেপথ্যে কাজ করেছে। এই বিএনপি একটা অদ্ভুত জাতের বিরোধী দল। ডাইরেক্ট সে নামবে না- যখনোই কোনো আন্দোলন, সেটা দিয়ে সে সরকার পতন করতে চায়, কিন্তু নিজে নামবে না। কখনো নুরুর ওপর আশা করে, কখনো কোটাবিরোধী আন্দোলনের ওপর আশা করে, কখন নিরাপদ সড়ক আন্দোলনকে সরকার পতনের দিকে ডাইভার্ট করতে চায়, কখন ফটোগ্রাফার শহিদুল ইসলামের ওপর আশা করে, কখনো গণস্বাস্থ্যের ডা. জাফরুল্লাহ সাহেবের ওপর নির্ভর করে, কখনো ড. কামাল হোসেনের ওপর নির্ভর করতে চায়, কখনো আমেরিকায় পলাতক নানা সাংবাদিকদের ওপর ভরসা করতে চায়, কেনরে ভাই? সরাসরি মাঠে নামতে সমস্যা কী?

ভাইরে, এতো ভায়া দিয়ে কি রাজনীতি চলে? কোকিলের গল্পের অবস্থা এখন বিএনপির। কাকের বাসায় ডিম পেরে বাচ্চা ফুটাতে চায়।  রাজনীতিতে এটা সম্ভব না। এখন বিপদে পড়ছে কারা? বিপদে এখন হেফাজতের নেতারা, তারা এখন লীগের নানা মন্ত্রীর বাসায় বাসায় দৌঁড়াদৌঁড়ি করছে, আর বিপদে গুণছে কোটা আন্দোলনের নেতা নুরু। সে মাফটাফ চেয়ে একাকার অবস্থা। মাঝখানে অতি দরিদ্র পরিবারের ১৭টি সন্তানের জীবন গেলো, আর নেতারা ফূর্তি করছে, দামি গাড়িতে-নারীতে সময় কাটাচ্ছে, আর মূল মাস্টারমাইন্ড লন্ডনে বসে আরাম-আয়াসে জীবনযাপন করছে। এসব কেন? বিএনপির ডাইরেক্ট নামতে সমস্যা কী? কেউ কি জানেন? ফেসবুক থেকে

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত