শিরোনাম
◈ অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের মধ্যে ইতিহাস গড়া বাজেট, লক্ষ্য প্রবৃদ্ধি ও স্থিতিশীলতা ◈ ৪৮ দলের মহারণ, আজ পর্দা উঠছে বিশ্বকাপের ◈ আমার চারটি গাড়ি আছে, চারজন ড্রাইভার আছে, খুব একটা গরীব মানুষ, না: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ বাংলা‌দে‌শের মুশ‌ফিকুর র‌হিম ও তাইজুল আইসিসির মাসসেরা ক্রিকেটারের দৌড়ে ◈ আইসিসি শাস্তি দি‌লো নাহিদ রানা‌কে ◈ প্রধানমন্ত্রীর সফর শেষে সেই সড়কের ইট তুলে নেওয়া হলো! ◈ মালয়েশিয়া যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, সই হতে পারে ১২টি চুক্তি ◈ অফিসে ঢুকে বলে, “বাপে ফোন দেয়, ধরস না কেন? বাপের সঙ্গে কথা না বলে কীভাবে ব্যবসা করিস সেটা দেখবো” ◈ ইসলামী ব্যাংকে পর্যবেক্ষক নিয়োগ দিলো বাংলাদেশ ব্যাংক ◈ প্রবাসীদের জন্য সুখবর: ১৩ ধরনের ওয়ার্ক পারমিটে নতুন সুবিধা, শ্রমবাজার আধুনিক করছে আমিরাত

প্রকাশিত : ১৫ এপ্রিল, ২০২১, ১২:২৭ রাত
আপডেট : ১৫ এপ্রিল, ২০২১, ১২:২৭ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] পুলিশ নির্যাতনে মারা যাওয়া সেই রায়হানের বাড়িতে উপহার পাঠালেন এসএমপি কমিশনার

বিপ্লব বিশ্বাস: [২]পুলিশ নির্যাতনে মারা যওয়া৷ সেই রায়হান আহম্মেদের বাড়িতে রমজান ও নববর্ষ উপলক্ষে বাড়িতে উপহার পাঠিয়েছেন সিলেট মহানগর পুলিশ (এসএমপি) কমিশনার মো. নিশারুল আরিফ৷
[৩]সিলেটের নগরের বন্দরবাজার ফাঁড়িতে পুলিশের নির্যাতনে মারা যান রায়হান আহমেদ ৷
[৪]আজ দুপুরে এসএমপি কমিশনারের পক্ষ থেকে অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (গণমাধ্যম) বি এম আশরাফ উল্যাহ তাহের ও সহকারী পুলিশ কমিশনার (অর্থ) রাখী রাণী দাস রায়হান আহমদের নগরের আখালিয়াস্থ বাসায় উপহারসামগ্রী নিয়ে যান ।
[৫]উপহার সামগ্রীগুলো গ্রহণ করেন রায়হানের সৎ বাবা হাবিব উল্লা, মা সালমা বেগম, স্ত্রী তাহমিনা আক্তার তান্নি ও চাচা মঈনুল ইসলাম। এ সময় মায়ের কোলে ছিল রায়হানের ছোট্ট শিশুকন্যা।

[৬]উল্লেখ্য, নগরের আখালিয়ার নেহারীপাড়া এলাকার বাসিন্দা রায়হান আহমদকে গত বছরের ১১ অক্টোবর দিবাগত মধ্যরাতে বন্দরবাজার ফাঁড়িতে ধরে নিয়ে যায় পুলিশের একটি দল। এরপর টাকার দাবিতে তাকের রাতভর ফাঁড়িতে আটকে রেখে নির্যাতন করা হয়। সকাল ৬টা ৪০ মিনিটে দিকে তাকে এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করা হয়। সকাল ৭টা ৫০ মিনিটে রায়হান হাসপাতালে মারা যান।
এ ঘটনায় কোতোয়ালি মডেল থানায় অজ্ঞাত পুলিশ সদস্যদের আসামি করে রায়হানের স্ত্রী তাহমিনা আক্তার তান্নি বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। এ ঘটনায় ১২ অক্টোবর ফাঁড়ির ইনচার্জের দায়িত্বে থাকা এসআই আকবর হোসেনসহ চারজনকে সাময়িক বরখাস্ত ও তিনজনকে প্রত্যাহার করা হয়। [৭]পরে এসআই আকবর, এএসআই আশেক এলাহী, কনস্টেবল হারুনুর রশিদ, টিটু চন্দ্র দাস ও ছিনতাইয়ের অভিযোগকারী সাইদুর শেখকে গ্রেফতার করা হয় ৷

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়