শিরোনাম
◈ দুই দশক পর তারেক রহমান চট্টগ্রামে: ভোর থেকে পলোগ্রাউন্ডে বিএনপির নেতাকর্মীদের ভিড় ◈ তিস্তা মহাপরিকল্পনায় চীনের অগ্রগতি, সমঝোতার পথে বাংলাদেশ ◈ আই‌সি‌সি থে‌কে জয় শাহকে ‘গদিচ্যুত’ করার সুবর্ণ সুযোগ! বাংলা‌দে‌শের সমর্থনে পাকিস্তানকে বিশ্বকাপ বয়কটের পরামর্শ সা‌বেক‌দের ◈ ‌বি‌পিএল চ্যাম্পিয়ন হয়ে শান্তরা পেলো ২ কোটি ৭৫ লাখ টাকা ◈ যুক্তরাষ্ট্র বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থায় না থাকায় কতটা ক্ষতি হবে বাংলাদেশের ◈ সাকিব আল হাসানকে দলে ফেরানোর উদ্যোগ নিয়েছে বিসিবি ◈ শান্তিপ্রিয় বাংলাদেশকে ভারত সবসময় সমর্থন করবে: প্রণয় ভার্মা ◈ পোস্টাল ব্যালট সংরক্ষণ-গণনা নিয়ে ইসির পরিপত্র জারি ◈ আইসিসি আমাদের অনুরোধে সাড়া দেয়নি, কিছু করার নেই: বিসিবি  ◈ আইসিসি প্রকাশ করল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের নতুন সূচি, বাংলাদেশকে নিয়ে দিলো বার্তা

প্রকাশিত : ১৩ এপ্রিল, ২০২১, ১১:২৬ দুপুর
আপডেট : ১৩ এপ্রিল, ২০২১, ১১:২৬ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সার-কীটনাশক-সেচ ছাড়াই যমুনার চরে ফলছে বিষমুক্ত ফসল

ডেস্ক রিপোর্ট: বগুড়ার ধুনটের যমুনা নদীর কয়েকটি চরে মরিচ, মশুর, বুট, খেসারি কালাই, ভুট্টা, বেগুন, মিষ্টি আলু, তিল, তিশি, কালো জিরা, চিনা বাদামসহ নানা ফসলে এখন সবুজের বন্যা বইছে। কালের কণ্ঠ

সরকারের 'কৃষি তথ্য সার্ভিস' ওয়েবসাইট থেকে জানা যায়, রাসায়নিক সার, বালাইনাশক, আগাছানাশক, হরমোন ইত্যাদি ব্যবহার না করে ফসলচক্র, সবুজ সার, কম্পোস্ট, জৈবিক বালাই দমন এবং যান্ত্রিক পদ্ধতি প্রয়োগ করে শাকসবজি চাষই হলো জৈব সবজি উৎপাদন। অর্থাৎ এই পদ্ধতিতে প্রাকৃতিক ব্যবস্থাপনাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয় এবং চাষের কাজে কোনো রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করা হয় না।

জৈব পদ্ধতিতে ফসল দূষিত হওয়ার শঙ্কা থাকে না এবং বিষমুক্ত শাকসবজি উৎপাদন অনেকটা নিশ্চিত হয়। রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ছাড়াই এসব ফসল আবাদ হয় বলে তা স্বাস্থ্যসম্মত। তাই দিন দিন বেড়েই চলেছে এসব জৈব ফসল চাষ ও এসব ফসলের চাহিদা।

বৈশাখী চরের ভুলু মণ্ডল বলেন, 'চর ভেঙে যাওয়ার পর এখন বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের পশ্চিম পাড়ে বানিয়াজান গ্রামে বাড়ি করেছি। বর্ষাকালে সব পানিতে একাকার থাকলেও গ্রীষ্মে জেগে ওঠে জমি। চর বলতে শুধুই বালু নয়, পলিও পড়ে। সেই পলিমাটিতে ফসলের বীজ বপন করলেই অনেক ফসল পাওয়া যায়। সার, সেচ দিতে হয় না।

ভুলু মণ্ডল জানান, তিনি তিন বিঘা জমিতে বাদাম করেছেন। এক বিঘার বাদাম জমি থেকে তুলেছেন। সার, কীটনাশক, সেচ ছাড়াই পেয়েছেন আট মণ।

রাধানগর চরের লিয়াকত আলী বলেন, 'বন্যায় ফসল নষ্ট হয়। তবু একটি ফসল ঘরে তুলতে পারলেই সারা বছরের খাবার হয়ে যায়। চরের লোকের এক ফসলেই সারা বছর চলে যায়। এখন চরে বাদাম, মশুর, খেসারি, মরিচ, মিষ্টি আলু, কালো জিরা, তিল, তিশি, ভুট্টার মৌসুম চলছে। ফলনও হয়েছে প্রচুর।'

নিউ সারিয়াকান্দি চরের আব্দুল মালেক বলেন, 'চরের সবজি থেকে শুরু করে সব ফসলের স্বাদই আলাদা। সার-কীটনাশক ছাড়াই চাষ করা হয় বলে এলাকার লোকজন যারা শহরে থাকেন, তারা এখান থেকে চাল-ডালসহ বিভিন্ন জিনিস নিয়ে যান।'

ধুনট উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মশিদুল হক বলেন, 'সার, কীটনাশক ছাড়াই স্বল্প খরচে কৃষকরা চরে অর্গানিক (জৈব) ফসল উৎপাদন করে। ফলনও হয় প্রচুর। চরের মানুষ এসব অর্গানিক ফসল, সবজি খাওয়ায় তাদের শরীর ভালো থাকে। রোগব্যাধি কম হয়, স্বাদও ভালো। তাই এর চাহিদাও অনেক বেশি। শুধু তাই নয়, চরে ঘাস, খড় খাওয়া গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগির রোগও কম হয়। এখন চরেই শুধু অর্গানিক ফসলের উৎপাদন হচ্ছে।'

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়