প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

করোনা পরিস্থিতি ঋণ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা আনতে চীনকে অনুরোধ জানিয়েছে জি-২০

নিক্কিএশিয়া: গত বুধবার জি-২০ ভুক্ত দেশগুলোর শীর্ষ অর্থনৈতিক কর্মকর্তারা করোনা টিকা পরিস্থিতি নিয়ে ভার্চুয়াল এক আলোচনায় বসেন। তারা বলেন, করোনার টিকা ও চিকিৎসাক সেবার প্রচারণা প্রকল্পের ঋণ সহায়তা নিয়েও সংকটে রয়েছে নিন্ম আয়ের দেশগুলো। আলোচনায় বক্তারা বলেন, ঋন সহায়তা নিয়ে উন্নত দেশগুলো সবচেয়ে বড় ঋণদাতা দেশ চায়নার সঙ্গে দূরত্ব ঘুচাতে সক্ষম হয়নি। তাদের দাবি চায়না ঋণের শর্তসমুহ বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেনি।

বৈঠকে জোটের অর্থমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের উচ্চকর্তার বলেন, ২০২১ এর শেষেই ঋণদান ও মওকুফ নিয়ে দেশগুলো কি সিদ্ধান্ত নিবে তা চূড়ান্ত করার কথা রযেছে। তারা এটি উল্লেখ করেন যে গত নভেম্বরে ঋণ কাঠামো পুর্ণগঠন ও মওকুফ নিয়ে একটি যৌথ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছিল।

যৌথ চুক্তিতে সম্মত হলেও পরবর্তীতে চীন জি-২০ সদস্যদের হতাশ করেছে। তারা যথেষ্ট পরিমানে সহায়তা করেননি বলেও দাবি করা হয়। যেমন উন্নয়নশীল দেশগুলো কি শর্তে ঋণ নিবে, কি কি কাগজপত্র ও শর্তপুরণ করতে হবে এমন বিষয়গুলো প্রকাশ চীন চরম উদাসীনতা দেখিয়েছে। উদহারণ টেনে তারা বলেন, চীণের শতভাগ রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাণিজ্যিক ঋণদাতা হতে পারে না।এই ঋণগ্রহণ প্রক্রিয়া স্বচ্চ না হওয়ায় মুখাপেক্ষী দেশগুলো কিভাবে করেনা মোকাবেলা করবে বা ভ্যাকসিন প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে এমন পরিল্পনাই করতে পারেনি।

আইএমএফ যেখানে সামগ্রকি আর্থিক ঘাটতি সমন্বয় করতে নিন্ম আয়ের দেশগুলোতে জিডিপি ৪.৯ শতাংশে রাখতে বলছে যেখানে উন্নত দেশগুলির জিডিপি ১০.৪শতাংশ। সংস্থাটি বলছে করোনার প্রভাবে নিন্মআয়ের দেশগুলো এরিমধ্যে ঋণ সংকট, বার্ষিক আয় ও খাদ্যসংকটে রয়েছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসেবে যেখানে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যে তাদের ৫০ জন নাগরিকে জন্য ১০০ ডোজ করে টিকা কিনে ফেলেছে সেখানে দক্ষিণ আমেরিকা ও এশিয়ার নাগরিকদের দশজনের জন্যও অ্যাস্ট্রেজেনেকার টিকা নিশ্চিত করতে পারেনি। বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার পরিচালক বলছেন এইসব অর্থনৈতিক সংকটের কারনে ধনী ও দরিদ্র দেশগুলোতে টিকা বৈষম্য বেড়েই চলছে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত