শিরোনাম
◈ পদ্মা সেতু হয়ে মৈত্রী এক্সপ্রেস চালুর পরিকল্পনা, কলকাতা যেতে সময় লাগতে পারে মাত্র ৬ ঘণ্টা ◈ হোসাইনের ঘূর্ণিতে ঘায়েল ও‌য়েস্ট ইন্ডিজ, ড্র হ‌লো প্রস্তু‌তি ম‌্যাচ ◈ কক্সবাজারে আবারও হোটেলে আগুন, নিরাপদে বেরিয়ে এলেন ৩ শতাধিক পর্যটক ◈ বাংলাদেশের কারাগারে বন্দি ১৫ দেশের ৪০৭ নাগরিক, সবচেয়ে বেশি ভারতীয় ◈ এশিয়ান চ্যাম্পিয়নস ট্রফি খেল‌তে ভারতে গে‌লো বাংলা‌দেশ হকি দল ◈ ভারত থেকে আসা ১৩৫ টন চালে মিলল বিষাক্ত ও ক্ষতিকর উপাদান ◈ কানাডায় ২০৯ বাংলাদেশির ভিসা আবেদনে জালিয়াতির অভিযোগ, ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা ◈ এনসিপির ‘সুপার সিক্সটিন’ কী, কারা আছেন এই তালিকায় ◈ সৌদি আরবে হুতি হামলার তীব্র নিন্দা বাংলাদেশের ◈ দেশে সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় এবার পুলিশের বিশেষ ইউনিট

প্রকাশিত : ১২ এপ্রিল, ২০২১, ০৮:১৮ রাত
আপডেট : ১২ এপ্রিল, ২০২১, ০৮:১৮ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] মিরাজের মেডিকেল কলেজ ভর্তির দায়িত্ব নিলেন নোয়াখালীর ডিসি

অহিদ মুকুল: [২] ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের এমবিবিএস কোর্সের প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় মেধাক্রমে ৩৭৯৫তম হয়ে শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ জামালপুরে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন মিরাজ। ভর্তি পরীক্ষায় ১০০ নম্বরের মধ্যে তিনি পেয়েছেন ৬৯.৫ নম্বর।

[৩] তবে অভাবের সংসারে তার মেডিকেলে পড়া হবে কিনা, তা নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছিল। মো. মিরাজের মেডিকেলে ভর্তির দায়িত্ব নিয়েছেন নোয়াখালীর ডিসি মোহাম্মদ খোরশেদ আলম খান। এখন আর তার মেডিকেল ভর্তি নিয়ে শঙ্কা নেই।

[৪] মো. ফিরোজ উদ্দিন ও মালেকা বেগমের দুই ছেলে ও তিন মেয়ের মধ্যে দ্বিতীয় সন্তান মো. মিরাজ এ বছর এইচএসসি পরীক্ষায় নোয়াখালী ন্যাশনাল মডেল কলেজ থেকে বিজ্ঞান বিভাগে জিপিএ-৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হন।

[৫] তাদের বাড়ি নোয়াখালী সদরের দক্ষিণ চর শুল্লাকিয়া গ্রামের চাঁদ মিয়া বাড়িতে। তারা বাবা ইটভাটায় দিনমজুরের কাজ করেন। দিনশেষে যা রোজগার, তা দিয়েই চলে সংসার। মিরাজের মা মালেকা বেগম গৃহিণী। তার বড় ভাই রিয়াজ উদ্দিন পড়ালেখার পাশাপাশি টিউশনি করে চালাচ্ছেন তার পড়ালেখার খরচ।

[৬] সোমবার দুপুরে নোয়াখালীর ডিসি মোহাম্মদ খোরশেদ আলম খান মিরাজ ও তার পরিবারের হাতে মেডিকেলে ভর্তির ৩৫ হাজার টাকা তুলে দেন।

[৭] মিরাজ বলেন, মেডিকেলে ভর্তি নিয়ে চিন্তায় ছিলাম। এখন আমার ভর্তির চিন্তা কেটেছে। আল্লাহর দুনিয়ায় ভালো মানুষের অভাব নেই। ডিসি মোহাম্মদ খোরশেদ আলম খান আমার মেডিকেলে ভর্তি ফি ও বইপত্রের খরচ হিসেবে ৩৫ হাজার টাকা দিয়েছেন। তিনি আশ্বাস দিয়েছেন আমার পড়াশোনায় আর্থিক সহযোগিতা করার।

[৮] ডিসি মোহাম্মদ খোরশেদ আলম খান বলেন, মানবিক বিষয়টি বিবেচনা করে মিরাজের মেডিকেলে ভর্তি ও পড়াশোনার দায়িত্ব নিয়েছি। তাদের আর্থিক অবস্থার বিস্তারিত জেনে নিজ উদ্যোগে মিরাজের পরিবারের হাতে ৩৫ হাজার টাকা দিয়েছি।

[৯] খোরশেদ আলম খান আরো বলেন, দোয়া করি মিরাজ একদিন মানবিক ডাক্তার হয়ে দেশের অসহায় মানুষগুলোর পাশে দাঁড়াবে। মিরাজের মেডিকেলে পড়াশোনায় আর্থিক সহায়তা করব। এ সময় তিনি সরকারি প্রকল্পের আওতায় মিরাজের মাকে দুধের গাভী কিনে দেয়ার আশ্বাস দেন।

  • সর্বশেষ