প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

চা গবেষণা ইনস্টিটিউটে দুর্লভ বৃক্ষ ‘নাগলিঙ্গম’

ডেস্ক নিউজ: বিরল প্রজাতির ঔষধি গুণাগুণ সম্পন্ন এক ধরনের উদ্ভিদ এটি। সচরাচর দেখা না মিললেও মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলের বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিটিআরআই) ক্যাম্পাসে এই বিরল বৃক্ষটি দেখা যায়। গাছটিতে বছরের ১২ মাস। ফুল-ফল নিয়ে এখন তার ভরা মৌসুম।

বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিটিআরআই) উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগ সূত্র জানায়, অ্যান্টিবায়োটিক, অ্যান্টিফাঙ্গাল ও অ্যান্টিসেপ্টিক আর ঔষধি গুণাগুণ রয়েছে এই উদ্ভিদে। দক্ষিণ আমেরিকায় এ উদ্ভিদটির উৎপত্তিস্থল। এ বৃক্ষটি সাধারণত ৮৫ ফুট পর্যন্ত লম্বা হয়ে থাকে। ফুল কমলা ও রক্তবর্ণ রঙের হয়। ফলগুলো বেল আকৃতির ও চকলেট কালার হয়ে থাকে।

এখন বিটিআরআই এর নাগলিঙ্গম গাছটিতে ফুল ও ফল দুটিই শোভা পাচ্ছে। সেখানে ঘুরতে যাওয়া পর্যটকদেরও আকর্ষণ থাকে গাছটিতে। একটি ফলের ভেতর ২শ’ থেকে ৩শ’ বীজ থাকে। ফ্রান্সের উদ্ভিদ বিজ্ঞানী জে. এফ. আবলেট ১৭৫৫ খ্রিষ্টাব্দে এটির নামকরণ করেন।

বিটিআরআই সূত্র আরও জানায়, দক্ষিণ আমেরিকাতে এ গাছের পাতা ও ছালের নির্যাস চর্মরোগ ও ম্যালেরিয়া প্রতিরোধে ব্যবহার করা হয়। এর কচি পাতা দাঁতের ক্ষয়রোধ করে। এর ফলের নির্যাস শরীরে ব্যবহার করলে পোকামাকড় ও মশার আক্রমণ থেকে অনেকটা রক্ষা পাওয়া যায়। দেশ রুপান্তর

১৯৯৩ সালের ১ ডিসেম্বর বাংলাদেশ চা বোর্ডের তৎকালীন চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার আবদুল্লাহ আল হেলাল বিটিআরআই ক্যাম্পাসের ভেতরে এ নাগলিঙ্গম গাছের চারাটি রোপণ করেছিলেন।

সর্বাধিক পঠিত