শিরোনাম
◈ ‘আসল’ তৃণমূলের নিয়ন্ত্রণ ঋতব্রতের হাতে, মতাকে উপদেষ্টা হওয়ার প্রস্তাব ◈ অস্ট্রেলিয়ার বিরু‌দ্ধে বাংলা‌দে‌শের ওয়ান‌ডে দল ঘোষণা, মিরাজ অ‌ধিনায়ক ◈ বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ তুলে নিল সরকার ◈ হাজিদের লাগেজ চুরি রোধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস ধর্মমন্ত্রীর ◈ ৩০০ দিনে ১৭ দেশ পেরিয়ে আর্জেন্টিনার ক্যাম্পে ৩ ভক্ত সাইক্লিস্ট  ◈ হাদি ইস্যুতে মমতার মন্তব্য; যা বললেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী (ভিডিও) ◈ শ্রম অধিকার ইস্যুতে বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের আমদানিতে কড়াকড়ি আনছে যুক্তরাষ্ট্র ◈ জ্বালানি তেলের সাশ্রয়ে ভার্চুয়াল সভা-সেমিনার ও প্রশিক্ষণে জোর দেওয়ার নির্দেশ ◈ ভারত-চীন নয়, প্রথম বিদেশ সফরে মালয়েশিয়ায় যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◈ প্রধানমন্ত্রীর রেড টেলিফোনের তার চুরি সচিবালয়ে, সাত ঘণ্টা ফোন বন্ধ, প্রশাসনে তোলপাড়

প্রকাশিত : ০৩ এপ্রিল, ২০২১, ০৪:৪২ সকাল
আপডেট : ০৩ এপ্রিল, ২০২১, ০৪:৪৫ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ডা. সাইয়েদা নাজিয়া: মহামারি মোকাবেলায় আমাদের সাহায্য করুন

ডা. সাইয়েদা নাজিয়া: ২৪ মার্চের নাইট ডিউটি ছিলো মুগদা হাসপাতালের আমার কোভিড ডিউটির ভয়ংকরতম রাত। ফজর পর্যন্ত আমি এবং আমার তিন কলিগ সাততলা থেকে ১২ তলা পর্যন্ত অবিরাম ছুটে বেড়িয়েছি। ওয়ার্ডে পা দিয়েই একটা ডেড বডি। অবিরাম রোগী আসছে শ্বাসকষ্ট নিয়ে। বেশিরভাগ রোগীর ফুসফুস ৩০-৬০ শতাংশ আক্রান্ত। অক্সিজেন স্যাচুরেশন ৭০ থেকে ৮০ পার্সেন্ট। আইসিইউতে অবিরাম কল যাচ্ছে, কিন্তু ১৪ বেডের আইসিও খালি হচ্ছে না। পঁচিশটা আইসিইউ কল পেন্ডিং।

রোগীর এটেনডেন্টের অসহায় আর্তনাদে রাতের বাতাস ভারী। তাদের কাকুতি-মিনতি যতো টাকা লাগে ডক্টর একটা আইসিইউ দিন। তাদের কাছে উল্টো ক্ষমা চাই; বোঝাতে পারি না ওয়ার্ডে পনের লিটারের বেশি অক্সিজেন দেওয়া যায় না যেখানে পেশেন্টের দরকার ৬০-৭০ লিটার পার মিনিট অক্সিজেন। আমাদের অক্ষমতা, আমাদের অশ্রু কেউ দেখে না। চোখের সামনে স্যাচুরেশন পঞ্চাশে নেমে আসে, এতোটা অসহায় আর কখনো লাগেনি নিজেকে। এমনকি ২০১৯ সালে ডেঙ্গু মহামারীতে একা ২০০ পেশেন্ট ম্যানেজ করার সময়ও না। রাত তিনটার মধ্যে বাইশটা পেশেন্ট ভর্তি। অষ্টম-নবম তলা থেকে খবর আসে আমরা ফুললি অকুপাইড, কোনো বেড খালি নেই। ভোরের দিকে আবার মৃত্যু। ইমার্জেন্সির সামনে অ্যাম্বুলেন্সের ভিড়।

সীমিত জনবল আর লজিস্টিকস নিয়ে আমরা এই করোনা ঝড়ের সামনে দাঁড়িয়ে আছি। অসম এই লড়াইয়ে আমরা হারতে চাই না। তাই দুইবার করোনা আক্রান্ত হয়েও ডিউটিতে ফিরেছি। অনেক সহকর্মী হারিয়েছে তার আপনজন। ১১ মাসের টানা লড়াইয়ে আমরা বিপর্যস্ত। তাই ডাক্তারকে গালি দেওয়া বন্ধ করে নিজেরা একটু দায়িত্বশীল হন। আইসিউ বেড বা অক্সিজেন আমরা তৈরি করি না। তাই স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন, অকারণে ঘরের বাইরে যাবেন না। Help us to fight the pandemic! ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়