শিরোনাম
◈ ইউরোপে পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশের অংশীদারিত্ব কমছে, বাড়ছে ভারতের উপস্থিতি ◈ সব সূচকে রেকর্ড, জিরো ওয়েটিং টাইমে ফিরেছে চট্টগ্রাম বন্দর ◈ জাপানের সঙ্গে গভীর হচ্ছে সম্পর্ক, বাড়ছে উন্নয়ন ও নিরাপত্তা সহযোগিতা ◈ বাংলাদেশি কার্গোর বাজার ধরতে সমুদ্র বন্দরের ৪৯ শতাংশ শেয়ার বিক্রি করছে আদানি ◈ হৃদয়কে অধিনায়ক, জিম্বাবু‌য়ের বিরু‌দ্ধে ১৫ জ‌নের বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি দল ঘোষণা ◈ বিশ্বকা‌পে ব্যর্থতার দায় স্বীকার ক‌রে নেদারল্যান্ডসের কোচের পদ থেকে ইস্তফা কোম্যানের, নতুন কোচ হ‌তে পা‌রেন আর্নে স্লট ◈ রাজধানী ঘিরে সড়ক ও নৌপথে নতুন পরিকল্পনা, অগ্রগতি পর্যালোচনা প্রধানমন্ত্রীর ◈ বাংলা‌দে‌শের স‌ঙ্গে চীনের লাইফলাইন কানেকশন, ভারতের চাণক্য বুমেরাং, ইস্ট লুকে আশা সাইবারে হতাশ ◈ এমবাপের বিশ্বরেকর্ড, ফ্রান্সের যত কীর্তি ◈ অভিন্ন প্রশ্নপত্রে এইচএসসি, থাকছে বডি ওর্ন ক্যামেরা ও লাইভ নজরদারি

প্রকাশিত : ০৩ এপ্রিল, ২০২১, ০৪:৪২ সকাল
আপডেট : ০৩ এপ্রিল, ২০২১, ০৪:৪৫ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ডা. সাইয়েদা নাজিয়া: মহামারি মোকাবেলায় আমাদের সাহায্য করুন

ডা. সাইয়েদা নাজিয়া: ২৪ মার্চের নাইট ডিউটি ছিলো মুগদা হাসপাতালের আমার কোভিড ডিউটির ভয়ংকরতম রাত। ফজর পর্যন্ত আমি এবং আমার তিন কলিগ সাততলা থেকে ১২ তলা পর্যন্ত অবিরাম ছুটে বেড়িয়েছি। ওয়ার্ডে পা দিয়েই একটা ডেড বডি। অবিরাম রোগী আসছে শ্বাসকষ্ট নিয়ে। বেশিরভাগ রোগীর ফুসফুস ৩০-৬০ শতাংশ আক্রান্ত। অক্সিজেন স্যাচুরেশন ৭০ থেকে ৮০ পার্সেন্ট। আইসিইউতে অবিরাম কল যাচ্ছে, কিন্তু ১৪ বেডের আইসিও খালি হচ্ছে না। পঁচিশটা আইসিইউ কল পেন্ডিং।

রোগীর এটেনডেন্টের অসহায় আর্তনাদে রাতের বাতাস ভারী। তাদের কাকুতি-মিনতি যতো টাকা লাগে ডক্টর একটা আইসিইউ দিন। তাদের কাছে উল্টো ক্ষমা চাই; বোঝাতে পারি না ওয়ার্ডে পনের লিটারের বেশি অক্সিজেন দেওয়া যায় না যেখানে পেশেন্টের দরকার ৬০-৭০ লিটার পার মিনিট অক্সিজেন। আমাদের অক্ষমতা, আমাদের অশ্রু কেউ দেখে না। চোখের সামনে স্যাচুরেশন পঞ্চাশে নেমে আসে, এতোটা অসহায় আর কখনো লাগেনি নিজেকে। এমনকি ২০১৯ সালে ডেঙ্গু মহামারীতে একা ২০০ পেশেন্ট ম্যানেজ করার সময়ও না। রাত তিনটার মধ্যে বাইশটা পেশেন্ট ভর্তি। অষ্টম-নবম তলা থেকে খবর আসে আমরা ফুললি অকুপাইড, কোনো বেড খালি নেই। ভোরের দিকে আবার মৃত্যু। ইমার্জেন্সির সামনে অ্যাম্বুলেন্সের ভিড়।

সীমিত জনবল আর লজিস্টিকস নিয়ে আমরা এই করোনা ঝড়ের সামনে দাঁড়িয়ে আছি। অসম এই লড়াইয়ে আমরা হারতে চাই না। তাই দুইবার করোনা আক্রান্ত হয়েও ডিউটিতে ফিরেছি। অনেক সহকর্মী হারিয়েছে তার আপনজন। ১১ মাসের টানা লড়াইয়ে আমরা বিপর্যস্ত। তাই ডাক্তারকে গালি দেওয়া বন্ধ করে নিজেরা একটু দায়িত্বশীল হন। আইসিউ বেড বা অক্সিজেন আমরা তৈরি করি না। তাই স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন, অকারণে ঘরের বাইরে যাবেন না। Help us to fight the pandemic! ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়