প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] সুয়েজ খাল থেকে এভার গিভেনকে সরাতে বড় ভূমিকায় ছিলো প্রকৃতি

সুমাইয়া ঐশী: [২] প্রায় এক সপ্তাহ ধরে সুয়েজ খালে আটকে থাকা বিশালাকার জাহাজটিকে অবশেষে অপসারণ সম্ভব হয় সোমবার। উদ্ধারকারী দলের কঠোর পরিশ্রম ছাড়াও এই সাফল্যের ভাগীদার প্রকৃতিও, বিশেষ করে চাঁদ। সিএনএন

[৩] রোববার ছিলো ভরা পূর্ণিমা। এ সময় চাঁদ পৃথিবীর অত্যন্ত কাছে চলে আসে। এরফলে সোমবার স্বাভাবিকের চেয়েও খালে ১৮ ইঞ্চি বা ৪৬ সেন্টিমিটার বেশি উচ্চতার জোয়ার তৈরি হয়। এ কারণেই জাহাজটিকে ফের ভাসিয়ে নিয়ে সঠিক স্থানে সরিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়। অন্যথায়, এই জাহাজকে ভাসিয়ে নিতেও ব্যাপক বেগ পেতে হতো উদ্ধারকারী দলের।

[৪] বছরে ১২-১৩টি ভরা পূর্ণিমার দেখা মেলে। এরমধ্যে মাত্র ছয় থেকে আটটি পূর্ণিমা এমন উঁচু জোয়ার তৈরিতে সক্ষম। এসব পূর্ণিমায় চাঁদের আকার অত্যন্ত বড় হওয়ায় এগুলোকে বলা হয় ‘সুপারমুন’। মার্চের এই চাঁদটিই ছিলো চলতি বছরের প্রথম সুপারমুন এবং আশা করা হচ্ছে, ২০২১ সালের সবচেয়ে বড় পূর্ণিমার চাঁদগুলোর মধ্যে রোববারের চাঁদটি চতুর্থতম।

[৫] কঠোর চেষ্টা ও ভাগ্যকে সহায় করে সোমবার এভার গিভেন কন্টেইনার জাহাজটিকে সরিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়। তবে এখন বড় চ্যালেঞ্জ হলো, জাহাজ আটকে যাওয়ার ফলে খালে সৃষ্ট যানজট নিরসন করা।

[৬] নাসার প্রকাশিত স্যাটেলাইট চিত্রে দেখা যায়, খালে প্রায় এক কিলোমিটারের বেশি এলাকাজুড়ে যানজট তৈরি হয়েছে। এ পরিস্থিতি কবে নাগাদ স্বাভাবিক হবে সেটিই এখন মূল চিন্তার বিষয়। সম্পাদনা: আসিফুজ্জামান পৃথিল

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত