প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] প্রিন্ট ও অনলাইন গণমাধ্যমকে সরকারের চাপে থাকতে হচ্ছে: যুক্তরাষ্ট্র

কূটনৈতিক প্রতিবেদক: [২] টেলিভিশনগুলোতে রয়েছে নিয়ন্ত্রণ।

[৩] মত প্রকাশের স্বাধীনতা সীমাবদ্ধ, মানবাধিকার পরিস্থিতি ভয়াবহ।

[৪] বিশ্বের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে মঙ্গলবার প্রকাশিত যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের প্রতিবেদনে বাংলাদেশ নিয়ে এ পর্যবেক্ষণ তুলে ধরা হয়।

[৫] এতে জাতীয় নির্বাচন, খেয়ালখুশিমতো হত্যাকাণ্ড, জোরপূর্বক গুম, মিডিয়ায় সেন্সরশিপ, সাইট ব্লক করে দেয়াসহ বিভিন্ন ইস্যুতে সমালোচনা করা হয়।

[৬] সরকারের সমালোচনাকারী গণমাধ্যমে সররকারি-বেসরকারি বিজ্ঞাপন না দিতে প্রতিষ্ঠানগুলোকে গোয়েন্দা সংস্থার চাপ দেওয়ার বিষয়টি উঠে এসেছে।

[৭] প্রতিবেদনে বলা হয়, অনেক সাংবাদিক সরকারের হয়রানি ও প্রতিশোধ নেয়ার ভয়ে সমালোচনামূলক লেখা নিজেরাই সেন্সর করেন।

[৮] ব্যক্তিগত বিষয়ে হস্তক্ষেপ থাকার কারণে জেলের ভিতরে বন্দিদের জীবন হুমকিতে রয়েছে।

[৯] শান্তিপূর্ণ সমাবেশ, মুক্ত মত প্রকাশ, রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের উপর বিধিনিষেধ রয়েছে।

[১০] নারী-কন্যা শিশুদের বিরুদ্ধে সহিংসতা ও দুর্নীতি অব্যাহত আছে।

[১১] তদন্ত ও জবাবদিহিতায় স্বচ্ছতা না থাকায় সমকামী ও আদিবাসী জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে সহিংসতার ঘটনা ঘটছে।

[১২] সরকার ও তার এজেন্টরা বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, গুম করাসহ নির্যাতনের সঙ্গে জড়িত।

[১৩] কমপক্ষে ১৯ জন সাংবাদিক, অধিকারকর্মী, অন্যান্য নাগরিককে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

[১৪] যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেনের সঙ্গে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেনের সাম্প্রতিক বৈঠকের প্রসঙ্গ তুলে ধরে ঢাকায় মর্কিন দূতাবাস বিবৃতিতে বলেছে, গণতন্ত্র, সুশাসন ও মানবাধিকার সমুন্নত রাখা ও এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সঙ্গে বরাবরের মতো একসঙ্গে কাজ করবে।

[১৫] এই প্রতিবেদনে কোনো ধরনের আইনি সিদ্ধান্ত দেওয়া হয় না। যারা মানবাধিকার লঙ্ঘন করে, তাদের জবাবদিহির আওতায় আনাই এর লক্ষ্য।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত