শিরোনাম
◈ এলপিজি আমদানিকারকদের জন্য সহজ হলো ঋণ সুবিধা ◈ জাতিসংঘের সর্বোচ্চ আদালতে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে রোহিঙ্গা গণহত্যা মামলার শুনানি শুরু ◈ নিজেকে ভেনেজুয়েলার ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট ঘোষণা করলেন ট্রাম্প ◈ গণভোট প্রচারণার দায়িত্ব বিএনপির নয়: মির্জা ফখরুল (ভিডিও) ◈ পালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনাও ছিল তাদের, যে কারণে খুন হন বনশ্রীর সেই শিক্ষার্থী ◈ তারেক রহমানের নির্দেশে যেসব ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী সরে দাঁড়ালেন ◈ ফিলিং স্টেশন-দোকানে ঝুলছে ‘গ্যাস নেই’, চরম বিপাকে গ্রাহকরা ◈ ৬৬টি আন্তর্জা‌তিক সংস্থা থেকে যুক্তরাষ্ট সরে যাওয়ার কারণে কতটা ক্ষতিগ্রস্ত হবে বাংলা‌দেশ ◈ বিক্ষোভ ছড়িয়ে ক্ষমতায় আসতে চান ইরানের যে নির্বাসিত নেতা ◈ আগামী নির্বাচনের ফলাফলে সুইং ভোটাররা 'প্রভাবক' হয়ে উঠতে পারেন

প্রকাশিত : ৩০ মার্চ, ২০২১, ১২:০০ দুপুর
আপডেট : ৩০ মার্চ, ২০২১, ১২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

পঞ্চগড়ে চা চাষ বেড়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট: পার্বত্য অঞ্চল ও সিলেটের পর দেশের তৃতীয় চা অঞ্চল হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে পঞ্চগড়। চায়ের মান উন্নত হওয়ায় এরই মধ্যে জায়গা করে নিয়েছে আন্তর্জাতিক বাজারে। তুলনামূলক অন্যান্য ফসলের চেয়ে লাভ বেশি হওয়ায় বড় বাগান মালিকদের পাশাপাশি সমান তালে বাড়ছে ক্ষুদ্র চা চাষ। সময় টিভি

গত এক বছরে জেলায় প্রায় দেড় হাজার একর জমিতে চা চাষের পরিধি বেড়েছে। প্রাকৃতিক কোন দুর্যোগ না হলে চলতি চা মৌসুমে জেলায় এক কোটি কেজি চা উৎপাদন হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

চা চাষে পাহাড়ি ঢালু জমি লাগবে। এমন ধারণা বদলে দিয়েছেন পঞ্চগড়ে সমতল ভূমিতে কৃষকেরা চা চাষ করে। এক সময়ের পতিত জমি বা এক ফসলি জমি এখন চায়ের সবুজ পাতায় ভরে গেছে। জেলায় গড়ে উঠেছে ১৮টি চা প্রক্রিয়াকরণ কারখানা। নগদ মূল্যে কারখানা মালিকরা চায়ের পাতা কেনায় চাষিরা আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন।

স্থানীয় চা চাষিরা বলছেন, অন্যান্য ফসলের তুলনায় চা চাষে লাভ বেশি। তাছাড়া একবার চা চাষ করে ৮০ থেকে ১০০ বছর পাতা সংগ্রহের সুযোগ থাকায় তারা দিন দিন চা চাষের পরিধি বাড়াচ্ছে।

পঞ্চগড় চা বোর্ডের প্রকল্প পরিচালক ড. মোহাম্মদ শামীম আল মামুন বলছেন, প্রয়োজনীয় কারিগরি প্রশিক্ষণসহ অন্যান্য সুযোগ সুবিধা দেয়ায় আগ্রহী হয়ে উঠছেন চা চাষিরা।

পঞ্চগড় চা বোর্ডের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০০২ সালে ৪৫৫ একর জমিতে সবুজ চা চাষ করা হয়। বর্তমানে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০ হাজার ১শ’ ৭০ একর জমি। গত বছর জেলায় ৯৫ লাখ ৪৯ হাজার ৩শ’ ২৫ কেজি চা উৎপাদিত হয়।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়