শিরোনাম
◈ জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করেছিল: রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন ◈ ভারতে থাকা শেখ হাসিনাকে ফেরাতে দিল্লির সঙ্গে আলোচনা চলছে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ◈ বেনাপোল বন্দরে প্রতারক চক্রের দৌরাত্ম্য, পাসপোর্টধারীর ৩০ হাজার টাকা ছিনতাই ◈ জুলাই আন্দোলনের শহীদ-আহতদের সন্তানদের বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত অবৈতনিক শিক্ষার নির্দেশ ◈ আওয়ামী শাসনামলের তিনটি নির্বাচনের পোস্টমর্টেম হওয়া প্রয়োজন: তথ্যমন্ত্রী ◈ সাকিব আল হাসান শুধু অবসরের জন্য নয়, ফিরলে দীর্ঘ সময়ের জন্য ফিরবেন, আশা হাবিবুল বাশার সুমনের ◈ জুলাই সনদ বাস্তবায়ন কোন পথে, উত্তপ্ত হতে পারে সংসদ ◈ সংসদে ১১ জুন নতুন বাজেট উপস্থাপন করবেন অর্থমন্ত্রী ◈ বিএনপি সরকারকে ধন্যবাদ দিলেন আসিফ নজরুল ◈ সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন মির্জা আব্বাসের শারীরিক অবস্থার উন্নতি

প্রকাশিত : ৩০ মার্চ, ২০২১, ১২:০০ দুপুর
আপডেট : ৩০ মার্চ, ২০২১, ১২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

পঞ্চগড়ে চা চাষ বেড়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট: পার্বত্য অঞ্চল ও সিলেটের পর দেশের তৃতীয় চা অঞ্চল হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে পঞ্চগড়। চায়ের মান উন্নত হওয়ায় এরই মধ্যে জায়গা করে নিয়েছে আন্তর্জাতিক বাজারে। তুলনামূলক অন্যান্য ফসলের চেয়ে লাভ বেশি হওয়ায় বড় বাগান মালিকদের পাশাপাশি সমান তালে বাড়ছে ক্ষুদ্র চা চাষ। সময় টিভি

গত এক বছরে জেলায় প্রায় দেড় হাজার একর জমিতে চা চাষের পরিধি বেড়েছে। প্রাকৃতিক কোন দুর্যোগ না হলে চলতি চা মৌসুমে জেলায় এক কোটি কেজি চা উৎপাদন হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

চা চাষে পাহাড়ি ঢালু জমি লাগবে। এমন ধারণা বদলে দিয়েছেন পঞ্চগড়ে সমতল ভূমিতে কৃষকেরা চা চাষ করে। এক সময়ের পতিত জমি বা এক ফসলি জমি এখন চায়ের সবুজ পাতায় ভরে গেছে। জেলায় গড়ে উঠেছে ১৮টি চা প্রক্রিয়াকরণ কারখানা। নগদ মূল্যে কারখানা মালিকরা চায়ের পাতা কেনায় চাষিরা আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন।

স্থানীয় চা চাষিরা বলছেন, অন্যান্য ফসলের তুলনায় চা চাষে লাভ বেশি। তাছাড়া একবার চা চাষ করে ৮০ থেকে ১০০ বছর পাতা সংগ্রহের সুযোগ থাকায় তারা দিন দিন চা চাষের পরিধি বাড়াচ্ছে।

পঞ্চগড় চা বোর্ডের প্রকল্প পরিচালক ড. মোহাম্মদ শামীম আল মামুন বলছেন, প্রয়োজনীয় কারিগরি প্রশিক্ষণসহ অন্যান্য সুযোগ সুবিধা দেয়ায় আগ্রহী হয়ে উঠছেন চা চাষিরা।

পঞ্চগড় চা বোর্ডের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০০২ সালে ৪৫৫ একর জমিতে সবুজ চা চাষ করা হয়। বর্তমানে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০ হাজার ১শ’ ৭০ একর জমি। গত বছর জেলায় ৯৫ লাখ ৪৯ হাজার ৩শ’ ২৫ কেজি চা উৎপাদিত হয়।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়