শিরোনাম
◈ বিশ্বকা‌পের উ‌দ্বোধনী ম‌্যা‌চে পরাজ‌য়ের দ্বারপ্রা‌ন্তে থাকা পা‌কিস্তান‌কে জয় এ‌নে দি‌লেন ফা‌হিম আশরাফ ◈ চট্টগ্রাম বন্দরে কাল থেকে লাগাতার ধর্মঘট, বহির্নোঙরেও কাজ বন্ধের ঘোষণা ◈ জনগণকে সঙ্গে নিয়েই দেশ এগিয়ে নিতে চাই: তারেক রহমান ◈ মিয়ানমার সংলগ্ন সীমান্তে গুলিবিদ্ধ সেই শিশু মারা গেছে ◈ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তরুণ ভোট, নৌকা সমর্থকসহ যেসব 'ফ্যাক্টর' হিসাব পাল্টে দিতে পারে ◈ সূর্যের তীব্র ক্ষোভে বিপদের আশঙ্কা, ভারতে বড় ধরনের রেডিও ব্ল্যাকআউটের সতর্কবার্তা ইসরোর ◈ নির্বাচন উপলক্ষে দুই দিন বন্ধ থাকবে দেশের সব বাণিজ্যবিতান ও শপিংমল ◈ যুক্তরাস্ট্র ও অ‌স্ট্রেলিয়াসহ বি‌ভিন্ন দে‌শে যেতে বাংলাদেশিদের 'ভিসা সংকট' কাটছে না কেন?  ◈ কারাগারে মারা গেলেন সাবেক পানিসম্পদমন্ত্রী এমপি রমেশ চন্দ্র সেন ◈ ভার‌তের চেতন শর্মা বল‌লেন, বাংলাদেশের নির্বাচনের পর সিদ্ধান্ত বদলাবে পাকিস্তান

প্রকাশিত : ৩০ মার্চ, ২০২১, ১২:০০ দুপুর
আপডেট : ৩০ মার্চ, ২০২১, ১২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

পঞ্চগড়ে চা চাষ বেড়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট: পার্বত্য অঞ্চল ও সিলেটের পর দেশের তৃতীয় চা অঞ্চল হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে পঞ্চগড়। চায়ের মান উন্নত হওয়ায় এরই মধ্যে জায়গা করে নিয়েছে আন্তর্জাতিক বাজারে। তুলনামূলক অন্যান্য ফসলের চেয়ে লাভ বেশি হওয়ায় বড় বাগান মালিকদের পাশাপাশি সমান তালে বাড়ছে ক্ষুদ্র চা চাষ। সময় টিভি

গত এক বছরে জেলায় প্রায় দেড় হাজার একর জমিতে চা চাষের পরিধি বেড়েছে। প্রাকৃতিক কোন দুর্যোগ না হলে চলতি চা মৌসুমে জেলায় এক কোটি কেজি চা উৎপাদন হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

চা চাষে পাহাড়ি ঢালু জমি লাগবে। এমন ধারণা বদলে দিয়েছেন পঞ্চগড়ে সমতল ভূমিতে কৃষকেরা চা চাষ করে। এক সময়ের পতিত জমি বা এক ফসলি জমি এখন চায়ের সবুজ পাতায় ভরে গেছে। জেলায় গড়ে উঠেছে ১৮টি চা প্রক্রিয়াকরণ কারখানা। নগদ মূল্যে কারখানা মালিকরা চায়ের পাতা কেনায় চাষিরা আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন।

স্থানীয় চা চাষিরা বলছেন, অন্যান্য ফসলের তুলনায় চা চাষে লাভ বেশি। তাছাড়া একবার চা চাষ করে ৮০ থেকে ১০০ বছর পাতা সংগ্রহের সুযোগ থাকায় তারা দিন দিন চা চাষের পরিধি বাড়াচ্ছে।

পঞ্চগড় চা বোর্ডের প্রকল্প পরিচালক ড. মোহাম্মদ শামীম আল মামুন বলছেন, প্রয়োজনীয় কারিগরি প্রশিক্ষণসহ অন্যান্য সুযোগ সুবিধা দেয়ায় আগ্রহী হয়ে উঠছেন চা চাষিরা।

পঞ্চগড় চা বোর্ডের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০০২ সালে ৪৫৫ একর জমিতে সবুজ চা চাষ করা হয়। বর্তমানে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০ হাজার ১শ’ ৭০ একর জমি। গত বছর জেলায় ৯৫ লাখ ৪৯ হাজার ৩শ’ ২৫ কেজি চা উৎপাদিত হয়।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়