শিরোনাম
◈ ইরানে হামলার ঘটনায় বাংলাদেশের উদ্বেগ ◈ মধ্যপ্রাচ্যে গমনেচ্ছুদের জন্য প্রবাসী কল্যাণের হটলাইন নম্বর চালু ◈ আগামী মঙ্গলবার চন্দ্রগ্রহণ, বাংলাদেশ থেকেও দেখা যাবে ◈ মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা: প্রবাসী বাংলাদেশিদের নিরাপত্তায় প্রধানমন্ত্রীর জরুরি নির্দেশনা ◈ এক দিনে ইরানে ১২০০টির বেশি বোমা হামলা ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের ◈ রোজার পরেই সিটি করপোরেশন নির্বাচন: নির্বাচন কমিশনার মাসউদ ◈ সৌদি আরবের চাপ ও ইসরায়েলের ভূমিকা ট্রাম্পের ইরান হামলার সিদ্ধান্তে বড় প্রভাব ফেলেছে ◈ ইরানের সর্বোচ্চ নেতা খামেনির জীবনের শেষ ভাষণ প্রকাশ, কী কথা বলেছিলেন তিনি ◈ জুলাই অভ্যুত্থানকারীদের সুরক্ষায় জুলাই সনদের নীতিতেই আছে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ আপনি কার সঙ্গে কথা বলেন জানেন? গভীর রাতে গুলশান ডিসিকে হু'মকি (ভিডিও)

প্রকাশিত : ২৭ মার্চ, ২০২১, ০৭:৩১ বিকাল
আপডেট : ২৭ মার্চ, ২০২১, ০৭:৩১ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] স্বাধীনতার স্বপ্ন পূরণ হয়নি: জাপা চেয়ারম্যান

শাহীন খন্দকার: [২]জিএম কাদের আরও বলেছেন, সুবর্ণজয়ন্তী মূল্যায়ন করলে দেখা যায়, স্বাধীনতার পূর্বে পশ্চিম পাকিস্তানীরা আমাদের স্বার্থে বৈষম্য সৃষ্টি করেছিল। তখন স্বাধিকার থেকে স্বাধীনতা সংগ্রাম সৃষ্টি হয়েছে। মহান মুক্তিযুদ্ধে আমরা স্বাধীন হয়েছি কিন্তু বৈষম্য থেকে মুক্তি পাইনি।

[৩] শনিবার জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যানের বনানী কার্যালয়ে এ কথা বলেন তিনি। এসময় গাজীপুরের চিকিৎসক ডা.মো. জহিরুল ইসলামের নেতৃত্বে অর্ধশত নেতাকর্মী জি এম কাদেরের হাতে ফুল দিয়ে জাতীয় পার্টিতে যোগ দেন।

[৪] তিনি আরও বলেন, ১৯৯১ সালের পর থেকে সংবিধান সংশোধন করে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি দেশে একনায়কতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করে স্বৈরতন্ত্র কায়েম করেছে। দলীয়করণের মাধ্যমে দেশের চাকরি, ব্যবসা এবং আইনের শাসনে বৈষম্য সৃষ্টি করেছে। ক্ষমতাসীন দল না করলে চাকরি মেলে না, ব্যবসা করা যায় না। আবার ক্ষমতাসীন দলের জন্য এক ধরনের আইন আর সাধারণ জনগণের জন্য ভিন্ন আইন। বৈষম্যের কারণে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি দলীয়করণের মাধ্যমে দখলবাজি, টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি করে শত কোটি টাকার মালিক হয়েছে।

[৫] তিনি বলেন, তারা হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার করছে। তাই মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন করতে আবারও সংগ্রাম করতে হবে। বৈষম্যহীন সমাজ গড়তে জাতীয় পার্টি রাজনীতি করছে।’ কাদের আরও বলেন, হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ রাষ্ট্রক্ষমতা হস্তান্তরের পর থেকে সংবিধান সংশোধন করে এমন সরকার ব্যবস্থা সৃষ্টি করা হয়েছে যাকে সংসদীয় গণতন্ত্র বলা যায় না। কারণ, দেশের নির্বাহী বিভাগ ও আইন সভা এবং বিচার বিভাগের ৯৫ ভাগই সরকার প্রধানের হাতে। তার ইচ্ছা-অনিচ্ছার বাইরে কোনো কিছু সম্ভব নয়। একারণে দেশে আইনের শাসন নেই, সমাজে সুশাসন নেই।

[৬] বিরোধী দলীয় উপনেতা আরও বলেন, দেশের মানুষের নিরাপত্তা নেই। সড়কে নিরাপত্তা নেই, বাস-ট্রেনে নিরাপত্তা নেই, ব্যবসায়-বাণিজ্যেও নিরাপত্তা নেই। চাঁদা ছাড়া কেউ ব্যবসা করতে পারে না। এখন করোনায় প্রতিদিন যত লোক মারা যায়, তার চেয়ে বেশি মানুষ মারা যায় সড়ক দুর্ঘটনায়। পরিবহণ সেক্টর সরকারের নিয়ন্ত্রণে নেই, মনে হচ্ছে পরিবহণ সেক্টরই সরকারকে নিয়ন্ত্রণ করছে। তিনি আরও বলেন, ‘সংসদীয় সরকার পদ্ধতির নামের ভেজাল গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে আমাদের লড়াই করতে হবে। আমরা প্রকৃত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করব। দেশের মানুষ মুক্তি চায়, দেশের মানুষ আমাদের দিকে তাকিয়ে আছে। দেশের মানুষ আর আওয়ামী লীগ ও বিএনপির শাসন দেখতে চায়না। দেশের মানুষকে মুক্তি দিতে আমরা হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ-এর স্বপ্নের নতুন বাংলাদেশ গড়বো।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়