প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] সপ্তাহ পেরিয়ে ছুটির দিনে জমেছে একুশে বই মেলা

শরীফ শাওন: [২] মেলার ৯ম দিন শুক্রবার ও স্বাধীনতা দিবসের বন্ধে বইপ্রেমি ও দর্শনার্থীদের ভিড় দেখা যায়। এদিন বেলা ১১টা থেকে মেলা শুরু হয়। দুপুর ১টা থেকে ৩ পর্যন্ত বন্ধ থাকার পর বিকেল থেকে বাড়তে থাকে আগতদের সংখ্যা।

[৩] বাংলাদেশ জ্ঞান ও সৃজনশীল প্রকাশক সমিতির সভাপতি ফরিদ আহমেদ বলেন, আশা করছি এদিন জনসমাগমের সঙ্গে বিক্রিও ভালো হবে। বিগত বছরগুলোর অভিজ্ঞতায় দেখা যায়, প্রথম শুক্র-শনিবার মেলার গতি বৃদ্ধি পায়। এবার মেলা শুরুর প্রথম দিকেই শুক্র-শনিবার হওয়ায় সেই গতি পরিলক্ষিত হয়নি।

[৪] আদর্শ প্রকাশনীর বিক্রয় প্রতিনিধি খায়রুল ইসলাম পলাশ বলেন, দুপুর ৩টায় মেলা উন্মুক্ত হলেও এসময় লোকসমাগম কম থাকে। আগতরা ঘোরাঘুরি না করে নির্দিষ্ট বই কিনে চলে যান। সন্ধ্যার পর থেকে বইপ্রেমী ও দর্শনার্থীদের ভিড় বাড়তে থাকে।

[৫] আগামী প্রকাশণীর প্রকাশক ওসমান গণি বলেন, অস্বাভাবিক পরিস্থিতি, যথাসময়ে মেলা অনুষ্ঠিত না হওয়া এবং প্রচন্ড গরমে মেলায় লোকসমাগম কম হচ্ছে। মেলা সফল হবে না মেনে নিয়েই এবারের আয়োজন করা হয়েছে।

[৬] তিনি বলেন, প্রথম সপ্তাহে গত বছরের তুলনায় কিছুটা কম বিক্রি হয়েছে। তবে তা নিরাশ হওয়ার মতো না, এসময়ে এর বেশি আশা করাও ঠিক হবে না। বিক্রির পরিমাণ জানিয়ে বলেন, শেখ মুজিব আমার পিতা, নারী, মাই ফাদার মাই বাংলাদেশ ও করোনাকালে জ্ঞানী তুলশি এই চারটি বই প্রথম সপ্তাহে ৫০০ কপি করে বক্রি হয়েছে। তবে ছোট প্রকাশনীগুলোর বিক্রির চিত্র একেবারেই ভিন্নরকম।

[৭] বিগত বছরের তুলনায় বিক্রির পরিমাণ ১০ শতাংশ জানিয়ে পলাশ বলেন, মেলার পরিধি বড় হওয়া এবং ছোট প্রকাশনীর স্টলগুলো একপ্রান্তে এবং প্যাভিলিয়ানগুলো আরেকপ্রান্তে থাকায় ক্রেতা সংকট দেখা দিয়েছে। অনেকেই স্টল পর্যন্ত আসছে না। ছোট প্রকাশণীর ১০টির মধ্যে ৬টি স্টলই বণি (দিনের প্রথম বিক্রি) করতে পারে না।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত