শিরোনাম
◈ সাবেক ক্রিকেটার নয়, আ‌মি নি‌জে‌কে কোচ হিসেবে প‌রিচয় দি‌তে চাই: আব্দুর রাজ্জাক ◈ ২৩ বছর পর ঠাকুরগাঁওয়ে পা দেবেন তারেক রহমান, বরণে প্রস্তুত বিএনপি নেতাকর্মীরা ◈ ৬.৭ ডিগ্রিতে নেমে এলো নওগাঁর তাপমাত্রা, শীতে বিপর্যস্ত জনজীবন ◈ জকসু নির্বাচন: প্রাথমিক ফলাফলে ভিপি ও জিএস সহ শীর্ষ তিন পদে এগিয়ে ছাত্রশিবির সমর্থিত প্রার্থীরা ◈ হাদি হত্যায় চার্জশিট প্রত্যাখ্যান ইনকিলাব মঞ্চের: রাষ্ট্রযন্ত্র জড়িত থাকার দাবি ◈ প্রশাসনের আশ্বাসে সুন্দরবনে নৌযান ধর্মঘট প্রত্যাহার ◈ ক্রিকবাজের দাবি: আপাতত বাংলাদেশের অনুরোধে সাড়া দেয়নি আইসিসি ◈ রাজধানীতে আরেক হত্যাকাণ্ড: কদমতলীতে ভাঙারি ব্যবসায়ী নিহত ◈ ঢাকা-১৭ এ তারেক রহমানের প্রার্থিতা: ভোটের মাঠে নতুন হিসাব ◈ পুশইন, হাদি হত্যা ও ভিসা সংকটে টানাপোড়েন: বাংলাদেশ–ভারত সম্পর্ক কোথায় গিয়ে দাঁড়াল

প্রকাশিত : ০৬ মার্চ, ২০২১, ১১:৩০ দুপুর
আপডেট : ০৬ মার্চ, ২০২১, ১১:৩০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

উপমা দাশ: সমাজ ও মানুষকে সত্যিকার অর্থে ভালোবাসতে পারে কজন?

উপমা দাশ: যতোক্ষণ না নারী-পুরুষ বৈষম্য, নারীর প্রতি হওয়া অন্যায় চোখে না পরে ততোক্ষণ পর্যন্ত নারীবাদ বা পুরুষতন্ত্র এই সমস্ত টার্ম অপ্রাসঙ্গিক। কিন্তু বাংলাদেশের সমাজে  #সাধু, #কাঠমোল্লা, #নাস্তিক সবাই সমানতালে এতোটাই প্রখর নারীবিদ্বষী যে এই সমস্ত টার্মই বারবার ওঠে আসে। আপনাদের এই নারীবিদ্বষী মনোভাবের অহরহ উদাহরণ সচরাচরই চোখে পরে। আপনাদের এসব নারীবিদ্বেষী বৈশিষ্ট্য নিজেরাই আচরণ, পোস্ট এবং আপনাদের মন্তব্যের মাধ্যমে প্রকাশ করেন। ইগনোর করতে গিয়েও পারি না। কাঠমোল্লাদের কথা না হয় বাদ দিলাম আজকে। কিন্তু  আপনারা যারা প্রতিদিন ফেসবুকে এসে নারীবাদ, নারীমুক্তি ইত্যাদির বড় বড় আলাপ দেন তারা কিন্তু কাঠমোল্লাদের চেয়ে কোনো অংশে কম যান না।

আপনাদের রন্ধ্রে রন্ধ্রে যে পুরুষতন্ত্রের শিক্ষা বর্তমান তা যতো বড় ফেবু সেলেব তথাকথিত মুক্তমনা হয়ে যান না কেন সে শিক্ষা কোনো এক সময় আপনাদের মুক্তমনা চরিত্রকেও ছাপিয়ে যায়। (Exceptionnel is always there)। দুঃখের কথা  নারী সংক্রান্ত কে নো ঘটনা আসলেই নিজের সেই জিনগত বৈশিষ্ট্যেকে আপনারা আর লুকিয়ে রাখতে পারেন না। দিনশেষে আপনারা সবাই আপনাদের ঐতিহ্যে ফিরে আসেন। এমন একটি ঘটনার উদাহরণ হলো: #সুপ্রভাতথসুইট আপু আর #রবিউলের প্রেমের সম্পর্ক।

তাদের বিচ্ছেদের পর রবিউল সুইট আপুর বিরুদ্ধে ক্রমাগত নোংরা অভিযোগ গেয়ে যাচ্ছে। এমনকি উনার ছবি নোংরাভাবে এডিট করে সে উনাকে পতিতা বলে প্রমাণ করার চেষ্টা করছে। মুক্তমনা কমিউনিটিতে সম্পর্কের অবসান হলে এরকম প্রকাশ্যে একটা নারীর দিকে যখন জঘন্য ভাবে কাঁদা ছুঁড়ে দেয়া হয় এবং মৌনতা অবলম্বন করে বাকিরা দেখতে থাকেন, পারলে সেখানে বলতে থাকেন মেয়েটাই নষ্ট ছিলো, তাহলে আপনাদের সঙ্গে কাঠমোল্লাদের আর পার্থক্য কোথায় থাকলো?

প্রেমের সম্পর্ক অবসানের পর কেবল মেয়েটির অন্তরঙ্গ বিষয়গুলোই হয়ে ওঠে পুরুষের হাতিয়ার। প্রেম করলো দুজন আর ইচ্ছাকৃত পতিতা সাজানো হলো মেয়েকে এবং বিভিন্ন মন্তব্যে অথবা মৌন থেকে তাতে সাপোর্ট দিলো তথাকথিত নারীবাদী, মুক্তমনাদের দল। অথচ মুক্তমনারা ভালো করেই জানেন, বুঝেন বাংলাদেশের সমাজে মেয়েরা কতো নাজুক অবস্থানে আছে। তারপরও কাঁদা ছোড়াছুড়ি থামে না, এবং সেটাকে দ্বায়িত্ব নিয়ে থামানোর এতোটুকু চেষ্টাও বোধহয় কেউ করেন না। এমনকি মানসিক সাপোর্ট দেওয়ারও চেষ্টা করা হয় না। এখানেও সবার কেবল নেম ফেম কাম্য। তার চেয়ে হয়তো বেশি কাজ করে ফেসবুক এডিকশন। সমাজ ও মানুষকে সত্যিকার অর্থে ভালোবাসতে পারে কজন? ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়