প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] কুষ্টিয়ার বায়োফ্লক পদ্ধতিতে মাছ চাষ করে শিক্ষিত বেকার যুবকদের সাফল্য

আব্দুম মুনিব: [২] জেলার দৌলতপুর উপজেলায় কয়েক জন শিক্ষিত বেকার যুবক প্রথম বারের মত শুরু করেছে বায়োফ্লক বা ঘরোয়া পদ্ধতিতে মাছ চাষ।

[৩] বায়োফ্লক প্রযুক্তিকে মাছ চাষের একটি আধুনিকতম টেকসই এবং পরিবেশবান্ধব পদ্ধতি বলে মনে করা হয়। উদ্যোক্তারা নিজ বাড়ীর আঙ্গিনায় আবার কেউ বাড়ীর ছাদে ছোট ছোট ট্যাংক বসিয়ে অল্প সময় ও স্বল্প খরচে অধিক মাছ উৎপাদন করা সম্ভব হওয়ায় যুবকদের মাঝে এই বায়োফ্লক পদ্ধতিতে মাছ চাষ অনেক জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।

[৪] ইউটিউব চ্যানেলে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ চাষের আধুনিক পদ্ধতি ‘বায়োফ্লক’ সম্পর্কে জানার স্বল্প পরিসরে শুরু করে চার-পাঁচ মাসেই ভালো সাফল্য পেয়েছেন। তেলাপিয়া, শিং, মাগুর, পাবদাসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ চাষ করার পরিকল্পনাও করছেন তারা। উপজেলার গোলাবাড়ীয়া এলাকার শিক্ষিত যুবক এ্যডভোকেট শিহাব ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইনে উচ্চতর ডিগ্রি লাভ করে বেকার বসে না থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে বায়োফ্লক পদ্ধতিতে নিজ বাড়ীর আঙ্গিনায় দুটি ৭৫ হাজার লিটার ট্যাংকে ৫০ হাজার তেলাপিয়া মাছের পোনা ছেড়ে মাছ চাষ শুরু করেন, আশানুরুপ লাভের পাশাপাশি এলাকার বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের জন্য নানা রকম পরামর্শ দিয়ে আসছেন এই যুবক।

[৫] একই এলাকার শাহিনুর রহমানের ৫০ হাজার লিটার ট্যাংকে ৪০ হাজার তেলাপিয়া মাছের পোনা ও টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার স্বপনের বাড়ীর ছাদে ১০হাজার লিটার ট্যাংকে ৩৬ হাজার তেলাপিয়া মাছের পোনা ছেড়ে মাছের চাষ করছেন। তারা বলেন অন্যের অধীনে চাকুরি করে নিজের স্বাধীনতাকে বিলিন না করে নিজ বাড়ীর আঙ্গিনায় বায়োফ্লক পদ্ধতিতে মাছ চাষ, প্রথম অবস্থায় খরচটা একটু বেশি হলেও লাভবান হতে পারবেন বলে জানান এই উদ্যোক্তারা।

[৬] এ বিষয়ে দৌলতপুর উপজেলা মৎস কর্মকর্তা খন্দকার শহিদুর রহমান জানান, বায়োফ্লক পদ্ধতিতে বেশি ঘনত্বে মাছ চাষ করা সম্ভব, তবে নতুন পদ্ধতি হওয়ায় একটু “রিস্ক” রয়েছে। তাই তরুণ উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ নিয়ে মাছ চাষ করার আহবান জানান, যাতে ক্ষতির সম্মুখীন হতে না হয়। উপজেলা মৎস অফিসে প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ দেওয়ার কথা জানান তিনি। বর্তমানে মৎস্য অফিসের পরামর্শ নিয়ে উপজেলায় ১৪ টি বায়োফ্লক মাছের খামার গড়ে উঠেছে বলে তিনি জানান। সম্পাদনা: সাদেক আলী

 

 

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত