প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] হোসেনপুরে আলুর দাম নিয়ে শঙ্কায় চাষিরা

আশরাফ আহমেদ:[২]  চলতি মৌসুমে আলুর ভালো ফলন দেখা গেলেও কাঙ্খিত দাম না পেয়ে দুশ্চিন্তায় চাষিরা। মঙ্গলবার সকালে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, কোনো জমি পতিত নেই।বিস্তীর্ণ জমিতে কৃষকরা ক্ষেত্রে আলু তুলতে ব্যস্ত সময় পার করছেন।

[৩] উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, প্রতি বিঘা জমিতে এস্টোরিস,ডাইমন্ড জাতের বীজ দিয়ে ভালো ফলন হলে ১০০ থেকে ১১০ মেট্রিক টন পর্যন্ত আলু উৎপাদন হয়।বিঘা প্রতি ৩০থেকে ৩০হাজার টাকা খরচ মিটিয়ে বর্তমানে ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা বাজার দরে আলু বিক্রি করে লোকসান গুনতে হচ্ছে।

[৪] উপজেলার আড়াইবাড়িয়া ইউনিয়নের চরজামাইল গ্রামের আলু চাষি আমির হামজা  জানান ,দুই বিঘা জমিতে আলুর বীজ, ঔষধসহ মোট৪০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। কিন্তু আলুর দাম কম থাকায় বড় দুশ্চিন্তায় আছি। বাধ্য হয়ে ৩৫০ টাকা মূল্যে আলু বিক্রি করে শ্রমিকের মজুরি ও কিছু ধার দেনা পরিশোধ করছি। আলুর দাম না বাড়লে সব আলু হিমাগারে রাখবেন বলে জানিয়েছেন।

[৫] উপজেলার সিদলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সিরাজুল হক জানান, উপজেলা কৃষি অফিসের পরামর্শে প্রায় ৩০ বিঘা জমিতে আলু চাষ করেছি। আলু তোলা শুরু হয়েছে। তবে আলুর দাম না থাকলে লোকসান গুনতে হবে। সরকার যদি আলু বিদেশে রপ্তানি  করার সুযোগ করে দেন, তাহলে আলুচাষিদের লোকসান গুনতে হবে না।

[৬] কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ ইমরুল কায়েস জানান,এবছর উপজেলায়  যে পরিমাণ জমিতে আলু চাষ করেছে যা গত বছরের তুলনায় দ্বিগুণ।অনুকূল আবহাওয়া থাকায় ফলনও গত বছরের চেয়ে ১৫ থেকে ২০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে আলুর দাম একটু কম।

[৭] তবে কিছুতেই যেন লোকসান না পড়ে সে কারণে  আলু রফতানির জন্য ব্যাপক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আশাকরি আগামী এক থেকে দেড় মাসের মধ্যে আলুর দাম বৃদ্ধি পাবে এবং কৃষক সুফল পাবে।হোসেনপুর  কিশোরগঞ্জ সংবাদদাতা কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে চলতি মৌসুমে আলুর ভালো ফলন দেখা গেলেও কাঙ্খিত দাম না পেয়ে দুশ্চিন্তায় চাষিরা। মঙ্গলবার সকালে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, কোনো জমি পতিত নেই।বিস্তীর্ণ জমিতে কৃষকরা ক্ষেত্রে আলু তুলতে ব্যস্ত সময় পার করছেন। সম্পাদনা:অনন্যা আফরিন

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত