প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] রাজধানীতে কিউলেক্স মশা বেড়েছে চারগুণ, দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে ভয়াবহতা বেড়ে যাবে: ড. কবিরুল বাশার

মিনহাজুল আবেদীন: [২] বুধবার বিবিসি বাংলার পরিক্রমা অনুষ্ঠানে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালযলে প্রাণীবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. কবিরুল বাশার বলেন, রাজধানীতে প্রতি মাসে মশার ঘনত্ব নিয়ে ঢাকার উত্তরা, খিলগাঁও, শনির-আখড়া, শাঁখারীবাজার, মোহাম্মদপুর, পরীবাগসহ ছয়টি এলাকার নমুনা নিয়ে গবেষণা চলছে।

[৩] তিনি বলেন, ছয়টা জায়গাতে মশার গড় ঘনত্ব প্রতি ডিপে ৬০টিরও বেশি, যেখানে সাধারণভাবে পাওয়া যায় ১৫-২০টি। যা তুলনা মূলকভাবে অস্বাভাবিক পর্যায়ে পৌঁছে গেছে।

[৪] তিনি আরও বলেন, ৯৯ শতাংশ মশাই হচ্ছে কিউলেক্স মশা, এডিস মশা নয়। তবে এই মশাগুলোর সাধারণভাবে পঁচা পানিতে, নর্দমা , ড্রেন, ডোবা, বিল-ঝিলের পানিতে জন্ম নেয়।

[৩] তিনি বলেন, বৃষ্টিপাত না হওয়া এবং পানি বহমান থাকার কারণে কিউলেক্স মশা জন্মানোর হার বেড়ে গেছে। আবার শীতের শেষে তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ার কারণে মশার যে ডিমগুলো ছিলো তা ফুটে যাচ্ছে, ফলে ফেব্রুয়ারি এবং মার্চ মাসে মশার ঘনত্ব বেড়ে যাচ্ছে।

[৪] তিনি আরও বলেন, এ মশার কারণে অনেক সময় গোদ রোগ হয়। যেটাকে ফাইলেরিয়াসিস বা এলিফ্যান্টিয়াসিস বলা হয়। তবে এটি হলে হাত এবং পা ফুলে বড় হয়ে যায়। তবে নিদির্ষ্ট কোনও একটি কীটনাশক একটানা পাঁচ বছর ব্যবহার করলে মশা সেই কীটনাশকের বিপক্ষে সহনশীলতা তৈরি করে। ফলে মানুষ রাতভর কয়েল ব্যবহার করলেও কোনও কাজে আসছে না। এইজন্য প্রতি পাঁচ বছর পর পর কীটনাশক পরিবর্তন করতে হবে।

[৫] এদিকে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জোবায়দুর রহমান বলেন, মশা নিধনের জন্য সব ধরনের চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে। ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে বিশেষ সাঁড়াশি অভিযান শুরু করা হয়েছে, ২৮ ফেব্রয়ারি পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে। আশা করি এই অভিযানের পর মশা বৃদ্ধির হার কমে যাবে। সম্পাদনা : মহসীন

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত