প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[২] ন্যাশনাল আইডিকার্ড নিয়ে সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড কাউন্সিলে গিয়ে নিবন্ধন করতে বলছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

শাহীন খন্দকার: [৩] চাদঁপুরের আবুল খায়ের রাজধানীতে রিকশা চালান। স্ত্রী আদাবর সেন্ট্রাল হাসপাতালে কাজ করেন। সেই সুবাদে ৮ ফেব্রুয়ারি স্ত্রীসহ টিকা নিয়েছেন। কিন্তু ক’জন গরীব মানুষের এমন কপাল হয়?

[৪] রাজধানীতে বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় রিকশাচালক, ভাসমান মানুষ, বাসা-বাড়িতে কাজ করা ‘ছুটা বুয়া’ এবং বস্তিবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেলো, তারা টিকা নিতে আগ্রহী। এখন জানতে চান পাওয়ার উপায়।

[৫] মোহাম্মদপুর বাঁশবাড়ি বস্তির বাসিন্দা সুফিয়া বেগম। স্বামী সন্তান নেই। তিনি বলেন, শুনেছি কম্পিউটারে তালিকা করতে হবে। লেখাপড়া জানি না, টিকাও নেওয়া হবে না। আল্লায় জীবন দিছে আল্লাহ রক্ষা করবে।

[৬] শেরে বাংলা নগর ফুটপাতে চা-পান-কলা বিক্রি করেন মানিক মিঞা। বললেন, সরকার যদি নিবন্ধনের ব্যবস্থা করে দেন তাহলে অবশ্যই টিকা নিবো। পরিবারের সদস্যদেরকেও টিকা দেওয়াবো।

[৭] স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহা-পরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা বলেন, রাজধানীসহ বিভাগীয় শহরের এবং জেলা শহরসহ উপজেলা পর্যায়ে সিটি কর্পোরেশনের শ্রমজীবি মানুষদের নিজ নিজ এলাকার ওয়ার্ড কাউন্সিলরের কার্যালয়ে ন্যাশনাল আইডিকার্ড নিয়ে রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে টিকা নেওয়ার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন।

[৮] তিনি আরও বলেন, টিকা নেওয়ার ক্ষেত্রে দেশের প্রতিটি নাগরিককে ৪০ উর্ধ্ব বয়স হতে হবে এবং রেজিস্ট্রেশন ছাড়া টিকা দেওয়া যাবে না। ডা. নাসিমা সুলতানা বলেন, দ্বিতীয় ডোজ সম্পন্ন হওয়ার পরে টিকা গ্রহনকারিদের একটি সার্টিফিকেট দেওয়া হবে বলেই রেজিস্ট্রেশনের প্রয়োজন।

[৯] রাজধানীর শেরে বাংলা নগর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ এর পরিচালক ডা. মো. খলিলুর রহমান প্রশ্নের জবাবে জানান, শ্রমজীবি মানুষদের টিকা দেওয়ার জন্য সার্বিক সহযোগিতা করবেন দুই সিটি কর্পোরেশন।

সর্বাধিক পঠিত