শিরোনাম
◈ বাংলা‌দে‌শের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ দ‌লে নেই শান্ত ◈ হলফনামায় চমক: জোনায়েদ সাকির চেয়ে স্ত্রীর সম্পদ অনেক বেশি ◈ নি‌জের মাঠেই হোঁচট খে‌লো লিভারপুল ◈ বাছাইয়ের প্রথম দিনে বিএনপি-জামায়াতসহ হেভিওয়েট যেসব প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হলো ◈ গণভোটে ‘হ্যাঁ’ দিলে কী পাবেন, ‘না’ দিলে কী পাবেন না ◈ বগুড়া-২ আসনে মাহমুদুর রহমান মান্নাসহ ৪ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল ◈ ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে হাদি হত্যার বিচার না হলে সরকার পতনের আন্দোলন: ইনকিলাব মঞ্চ (ভিডিও) ◈ খালেদা জিয়ার ভারতের জলপাইগুড়িতে জন্ম ও শৈশব নিয়ে যা জানা যায় ◈ ২১ বছর পর চূড়ান্ত হলো জাতীয় নগর উন্নয়ন নীতিমালা, নগরায়ণে নতুন দিশা দিচ্ছে সরকার ◈ আমি আমার মতো করেই রাজনীতি চালিয়ে যাব: রুমিন ফারহানা

প্রকাশিত : ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২১, ০৭:০৪ সকাল
আপডেট : ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২১, ০৭:০৪ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ঘুরে দাঁড়াচ্ছেন ফুল চাষিরা

ডেস্ক রিপোর্ট:শাহ আলম একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিবিএ শেষ করে ফুল রপ্তানি শুরু করেন। তার বাড়ি সাভার বিরুলিয়া ইউনিয়নের শ্যামপুর গ্রামে। একদিন পাশের গ্রাম সদুল্লাপুরের এক ব্যক্তিকে গোলাপ চাষ করতে দেখে ২২ বছর আগে শুরু করেন গোলাপ চাষ। সেই গোলাপ তাকে তৃপ্তির হাসিতে ভাসিয়েছিল। কিন্তু তার সেই হাসি এতদিন পর করোনা মহামারিতে হারিয়ে গেছে। এক করোনাতেই প্রায় ২০ লাখ টাকা লোকসানে তার এখন পথে বসার উপক্রম।

সম্প্রতি সাভারে সরেজমিনে গোলাপ চাষের অবস্থা দেখতে গেলে শাহ আলম ইত্তেফাককে জানান, ভারত ও চীন থেকে ফুল এনে ব্যবসা করেন তিনি। বনানী ও সাভারে দোকান। সব মিলিয়ে ফুলের ব্যবসা ভালোই চলছিল। কিন্তু গত পাঁচ মাস সবকিছু বন্ধ থাকায় ব্যবসা লন্ডভন্ড হয়ে গেছে। ইত্তেফাক/জেডএইচডি

শাহ আলাম বলেন, তিন বিঘা জমিতে ফুলের চাষ করে অনেক অনুষ্ঠানে ফুল নিয়ে অংশ নিয়েছেন। এখন দু-চারটি ব্যক্তিগত পর্যায়ে বিক্রি ছাড়া কোনো বিক্রি নেই। কারণ কোনো অনুষ্ঠানও নেই। তিনি বলেন, এখন নতুন করে ফুল চাষের জন্য জমি উপযোগী করতে নিজের সব সঞ্চয়ের সঙ্গে ধারদেনাও করতে হয়েছে। এত কিছুর পরও সরকারের কোনো সহযোগিতা পাননি তিনি। এখন সামনে ১৪ ফেব্রুয়ারি ভালোবাসা দিবসই একমাত্র ভরসা। সদুল্লাপুরের মো. আনোয়ার হোসেন জানান, অবস্থা খারাপ বলে চাষিরা বাগানের পাশেই ফুল বিক্রি করছেন।

 

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়