প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] ই-জিপি’র পরিধি বাড়াতে আরও ৪ কোটি ডলার সহায়তা দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক

সোহেল রহমান: [২] কোভিড চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় অন-লাইনে সরকারি ক্রয়ের (ই-জিপি) পরিধি বাড়াতে আরও ৪ কোটি ডলার সহায়তা দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক। শনিবার বিশ্বব্যাংকের বোর্ডসভায় সহায়তার এ প্রস্তাব অনুমোদন দেয়া হয়েছে। রোববার বিশ্বব্যাংকের ঢাকা কার্যালয় থেকে এ তথ্য জানানো হয়।

[৩] বিশ্বব্যাংক জানায়, বাংলাদেশের সকল সরকারি ক্রয়কারী সংস্থায় ই-জিপি সম্প্রসারণে ‘ডিজিটালাইজিং বাস্তবায়ন মনিটরিং এবং পাবলিক প্রকিউরমেন্ট প্রজেক্ট’ (ডিআইএমএপিপিপি) চলমান রয়েছে। প্রকল্পের আওতায় এ অতিরিক্ত অর্থায়ন বাংলাদেশ সরকারের ই-জিপি ডেটা সেন্টারের সক্ষমতা বৃদ্ধি, সাইবার সুরক্ষা উন্নয়ন, জরুরী সংগ্রহ প্রক্রিয়া জোরদার এবং টেকসই সংগ্রহের জন্য একটি রোডম্যাপ তৈরি করতে সহায়তা করবে। এটি ভূ-ট্যাগযুক্ত চিত্রগুলো আপলোড করার বিধানসহ ই-টেন্ডার পরিচালনা এবং অর্থ প্রদানের মডিউলের দেশব্যাপী রোল আউট নিশ্চিত করবে। পাশাপাশি এটি ই-জিপি’র মাধ্যমে সরকারি কেনা-বেচায় ক্ষুদ্র ও মাঝারি এবং নারী উদ্যোক্তাদের দক্ষতা বাড়তে সহায়তা করবে। কোভিড-১৯ মহামারী এবং ভবিষ্যতে অন্য যে কোনও জরুরি পরিস্থিতিতে চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় এ আর্থিক সহায়তা ই-জিপি সিস্টেমে আন্তর্জাতিক বিডিং, প্রত্যক্ষ চুক্তি, কাঠামো চুক্তি, ই- টেন্ডার পরিচালনা ও অর্থ প্রদান, সংগ্রহের তথ্য বিশ্লেষণ, ভৌগলিক ট্যাগসহ গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্যগুলি যুক্ত করতে সহায়তা করবে।

[৪] বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশস্থ কান্ট্রি ডিরেক্টর মের্সি টেম্বন এ প্রসঙ্গে বলেন, সরকারি ক্রয় ব্যবস্থার উন্নয়নে বাংলাদেশ একটি পদ্ধতিগত পরিবর্তন সাধন করেছে। কোভিড পরিস্থিতিতে সরকারি ছুটিকালীন সময়ে সারাদেশে উন্নয়ন কর্মকান্ড পরিচালনা অব্যাহত রাখতে ই-জিপি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। এ অর্থায়ন বাংলাদেশে ই-জিপি সিস্টেমের উন্নয়ন ও শতভাগ ব্যবহার শতভাগ নিশ্চিত করার পাশাপাশি জনগণের জন্য যথাসময়ে ও মানসম্পন্ন কাজ এবং সেবা প্রদান নিশ্চিত করতে সহায়তা করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

[৫] বিশ্বব্যাংক জানায়, ২০০২ সাল থেকে সংস্থাটি বাংলাদেশে সরকারি ক্রয় পদ্ধতির উন্নয়নে সহায়তা দিয়ে আসছে। সংস্থার সহায়তায় ২০১২ সালে চারটি সরকারি ক্রয়কারী প্রতিষ্ঠানে ই-জিপি চালু করা হয়। প্রকল্পের আওতায় চলমান কোভিড পরিস্থিতিতে সরকারি ১ হাজার ৩০০টি প্রতিষ্ঠান তাদের সকল ক্রয় প্রক্রিয়া ই-জিপি’র মাধ্যমে সম্পন্ন করেছে। গত ২০১৯-২০ অর্থবছরে ই-জিপির মাধ্যমে ১ হাজার ৭৫০ কোটি ডলারের সম-পরিমাণ অর্থের ক্রয় চুক্তি সম্পন্ন করা হয়েছে, যা বাংলাদেশের মোট সরকারি ক্রয়ের প্রায় ৬২ শতাংশ।

[৬] বিশ্বব্যাংক জানায়, বাংলাদেশের জনগণ যাতে সরকারি ক্রয়ের বিষয়ে অবহিত হতে এবং এ বিষয়ে মতামত দিতে পারে সেজন্য প্রকল্পের আওতায় একটি ওয়েব-পোর্টাল চালু করা হয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশের ৪৮টি উপজেলায় নাগরিকরা চুক্তি বাস্তবায়ন পর্যবেক্ষণ করছে, যা নতুন অর্থায়নের আওতায় আরও বাড়ানো হবে।

 

 

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত