শিরোনাম
◈ ইরানের মাশহাদ বিক্ষোভকারীদের দখলে—ভিডিও পোস্ট করে ট্রাম্পের দাবি ◈ বিদ্রোহী প্রার্থীদের মনোনয়ন প্রত্যাহারে আহ্বান, না মানলে কঠোর ব্যবস্থা: বিএনপি ◈ শেষ দিনে প্রার্থিতা ফিরে পেতে ইসিতে আবেদনের হিড়িক ◈ গ্যাস সরবরাহ নিয়ে গ্রাহকদের জন্য বড় দুঃসংবাদ ◈ জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট: ভোটগ্রহণে ব্যালট বাক্স হারালে বা ছিনিয়ে নিলে কী করা হবে জানাল ইসি ◈ শেষ ওভারের নাটকীয়তায় চট্টগ্রামের জয় ◈ বি‌সি‌বি প‌রিচাল‌কের স্ট‌্যাটাস, তামিম ইকবাল ভার‌তের দালাল ◈ হাসনাত আবদুল্লাহর মনোনয়ন বাতিল চেয়ে আবেদন মুন্সীর ◈ তারেক রহমানের সঙ্গে পাকিস্তান হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ ◈ ভেনেজুয়েলার পর এবার মেক্সিকোতে স্থল হামলার ঘোষণা ট্রাম্পের

প্রকাশিত : ০৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১, ১২:২৪ দুপুর
আপডেট : ০৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১, ১২:২৪ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] রাজশাহীতে আমের মুকুল পরিচর্যায় ব্যস্ত কৃষকরা

মঈন উদ্দীন: [২] কুয়াশা ও শীত। এমন অবহাওয়ার মধ্যে দেখা দিয়েছে আমের মুকুল। তবে শীতের চেয়ে কুয়াশায় আমের মুকুলের ক্ষতির আশঙ্কা করছেন কৃষকরা।

[৩] তারা বলছেন- কুয়াশায় আমের মুকুল নষ্ট হয়ে যায়। তবে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর বলছে- আমের মুকুল নষ্ট হওয়ার আশংকা নেই। এখনও পুরোপুরি গাছে মুকুল আসেনি। পুরোদমে মুকুল আসতে এখনও সপ্তাখানেক সময় লাগবে।

[৪] অধিদফতর সূত্র জানায়- রাজশাহী জেলায় ১৭ হাজার ৮০০ হেক্টর জমিতে আমের বাগান রয়েছে। জেলায় সবচেয়ে বেশি লক্ষণ ভোগ আম চাষ হয়। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে খিরসাপাত আম। অন্যদিকে, রাজশাহী জেলায় সবচেয়ে বেশি আম চাষ হয়-চারঘাট ও বাঘায়।

[৫] এই দুই উপজেলাতেই ৭০ শতাংশ আম চাষ হয়। বাকি ৩০ শতাংশ আম পুরো জেলায় চাষ হয়।
জানা গেছে- রাজশাহীর বুধপাড়া, মেহেরচন্ডি, পবার হরিয়ান, বায়া, নওহাটা, কুখুন্ডি, কাটাখালী, শ্যামপুর এলাকায় আমের গাছে আগাম মুকুল আসেছে। এর মধ্যে পবার পরিলায় বেশ কিছু বাগানে পরিচর্যা করতে দেখা গেছে কৃষকদের।

[৬] আমচাষি আবের আলী জানায়, ‘বাগানে ২৭টি আমের গাছ রয়েছে। এর মধ্যে ১৭-১৮টি গাছে আমের মুকুল এসেছে। সব গাছেই কিটনাশক দিচ্ছে। বাকিগুলোতে মুকুল আসার সম্ভাবনা রয়েছে।’

[৭] আশরাফের মোড় এলাকায় ব্যবসায়ী আবদুস সালাম জানান- তিনটা বাগান কিনেছি। নওহাটার বাগানে ভালো মুকুল এসেছে। বায়া ও খড়খড়ির বাগানে হালকা মুকুল এসেছে। তবে আশা করছি এক সপ্তার মধ্যে পুরোদমে মুকুল আসবে। নওহাটার বাগানে ভিটামিন ও গোধ হরমন জাতীয় কিটনাশক দিয়েছে। যাতে করে মুকুলগুলো নষ্ট না হয়।

[৮] এছাড়া আমের মুকুলের পরিচর্যার ক্ষেত্রে কিটনাশক ব্যবহার করা হয়েছে। এক্ষেত্রে মুকুল আসার আগে, মুকুল পুরোপুরি ফুটলে ও গুটি বাধার পরে কিটনাশক ব্যবহার করতে কৃষকদের বলা হয়ে থাকে বলে জানায় রাজশাহী কৃষি সম্পসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক শামসুল হক।

[৯] তিনি জানান, ভিটামিন, গোধ হরমন দেয়ার দরকার নেই। গাছে পোকা-মাকড় না থাকলে ও গাছের বৃদ্ধি স্বাভাবিক থাকলে কিটনাশকের ব্যবহার প্রয়োজন নেই। স্বাভাবিকভাবেই আমের ফলন ভালো হবে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়