প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ফুয়াদ আদনান বিন জামাল: আমরা রাজনীতির ভাষা বুঝি, আমলাতান্ত্রিক ব্যবসায়ী ভাষা বুঝি না

ফুয়াদ আদনান বিন জামাল: রুপপুর পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নিয়ে রাশিয়াতে বিএনপি-জামাতের বহু বড় বড় গলাবাজ সেইসময়ে প্রতিটা দিন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সহ সভাসমাবেশ করে আওয়ামী লীগ,সরকার ও শেখ হাসিনার বদনাম করতো।বিশেষ করে তারা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী পরিবারের সদস্যদের নিয়ে বিভিন্ন কুৎসা রটাতো।সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন এন্টি আওয়ামী লীগ পেইজ হতে গুজব ছড়িয়ে বেড়াতো।শেষপর্যন্ত রুশ-বাংলাদেশ সরকারের সর্বাত্বক সহায়তায় আজ এই মহাপ্রকল্প এগিয়ে যাচ্ছে দ্রুত গতিতে।এখন সেখানে সেই ছদ্মবেশী বিএনপি-জামাতের প্রবাসীরা রাশিয়ার ভাষা জানা ও বিভিন্ন আনুষঙ্গিকতার ছাড়ে চাকুরি নিয়ে দেদারসে কাজ করে যাচ্ছেন যেখানে সর্বনিম্ন মাইনে পাচ্ছেন মাসে এক হাজার ডলার যা বাংলাদেশী টাকায় প্রায় ৮৪ হাজার টাকা।

এখন বেশীর ভাগ ই নিজেদের বায়োডাটা তৈরী করেন অমুক এর আত্মীয় উনার বউয়ের শালীর দুলাভাই আওয়ামী লীগ নেতা,উমুকের বাবা আওয়ামী লীগ করতো কিন্তু বিদেশ গিয়ে ভুল পথে ছিল,উমুকের দাদা মুক্তিযোদ্ধা তারা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব কে ভালবাসেন কিন্তু ১৫ ই আগস্টে মেজর ডালিম কে জাতীয় বীর বলেও স্ট্যাটাস ও বক্তব্য দিতেন।বেশীরভাগের ফেইসবুক আইডি ডিএ্যাকটিভ আবার বেশীর ভাগই চেহারা পর্যন্ত পাল্টে নিয়েছে।কারও চুল ছোট বড় করেছে কারও দাড়ি ছিল না দাড়ি রেখেছে।বিষয় টা এমন না মূল বিষয় হলো রিজিক।এই কঠিন সময়ে দেশে ফিরে এতো টাকা রোজগারের পথ অন্য কোন জায়গায় নেই এমনকি রাশিয়া ইউরোপ থেকেও সমাভব না।অনেকে না খেয়ে মরার পথে বহু জনই দেশে ফেরত আসার চেষ্টায় রুশ পার্সপোট পর্যন্ত নিয়ে এখানে এসে রোজগার করে রাশিয়া টাকা পাঠাচ্ছে।দিনগুলো মানুষ ভুলে যায়।যার বদনাম তারা করেছে তার বদৌলতে আজ অনেকেরই ভাগ্য ফিরেছে।অনেকে রাতারাতি অনেক কিছু করে নিয়েছে।তবে তা আমি খারাপ বলবো না সুযোগ যারা পেয়েছে করেছে করে নিয়েছে এটাই নিয়তি।

আমাকে অনেকেই বলেন, প্রতিবাদ করেন না কেন? বললাম ২০১৩ সালে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সফরে মস্কোর প্রেসিডেন্ট হোটেলের সামনে বিএনপি প্লেকার্ড নিয়ে দাঁড়াতে চেয়ে ছিল প্রতিরোধ করেছি আবার ঐ হোটেলে হল ভাড়া করে প্রতিবাদ সমাবেশ করতে চেয়ে ছিল তাও প্রতিরোধ করেছি কিন্তু যারাই নীতিনির্ধারক ছিল এইসব ষড়যন্ত্রের তারাই আজ বিভিন্ন মহলে উঁচু উঁচু দেবতা বনে আছে। আমরা রাজনৈতিক কর্মী রাজনীতির ভাষা বুঝি আমরা আমলা তান্ত্রিক ব্যবসায়ী ভাষা বুঝি না।

কারও রিজিকে হাত দেবার বা ক্ষতি করার প্রয়াস বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কর্মী হিসেবে করা শিখিনি বরং সেইসব নিন্দুক দের বলবো দিনশেষে আপনারা অন্তত মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কে আপনাদের প্রার্থনায় রাখবেন কারন এ মানুষটা বেঁচে থাকলেই আমরা সবাই এগিয়ে যাবো।

সর্বাধিক পঠিত