শিরোনাম
◈ ইসলামিক বক্তা মুফতি আমির হামজা কুষ্টিয়া-৩ আসনে বিজয়ী হওয়ার পর যা বললেন (ভিডিও) ◈ কোন দল কত আসন পেল: সর্বশেষ প্রাপ্ত ফল ◈ শান্তিপূর্ণ উৎসবমুখর ভোট : সুনামগঞ্জে ৫টি আসনেই বিএনপির বিজয় ◈ তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ◈ নীলফামারীর চারটি আসনেই জয় পেয়েছে জামায়াত ◈ হাসিনাদের দুর্গে ধানের শীষের হ্যাটট্রিক: গোপালগঞ্জের ৩ আসনেই জয়ী বিএনপি ◈ বার্সেলোনাকে চার গো‌লে হারা‌লো অ্যাতলেটিকো মা‌দ্রিদ ◈ যে চার আসনে ‘না’ ভোট জয়ী ◈ বিশ্বকাপে নেপাল‌কে হারা‌লো ইতালি ◈ বিএনপি ও তারেক রহমানকে মার্কিন দূতাবাসের অভিনন্দন: একসাথে কাজ করতে আগ্রহী যুক্তরাষ্ট্র

প্রকাশিত : ২৩ জানুয়ারী, ২০২১, ০৬:৪৩ সকাল
আপডেট : ২৩ জানুয়ারী, ২০২১, ০৬:৪৩ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মৃত ব্যক্তির শুক্রানু নিয়ে ঐতিহাসিক রায় কলকাতা হাইকোর্টের

ডেস্ক নিউজ: মৃত ব্যক্তির শুক্রানু নিয়ে ঐতিহাসিক রায় দিলেন কলকাতা হাইকোর্ট। আর তা নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে সেখানকার সমাজে। পুত্রের পিতৃত্বের অধিকারে কোনও দাবি থাকতে পারে না বাবার।

শুক্রবার এক থ্যালাসেমিয়া রোগীর পিতৃত্বের অধিকার নিয়ে এই ঐতিহাসিক রায় দিয়েছেন কলকাতা হাইকোর্ট।

রায়ে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি সব্যসাচী ভট্টাচার্য বলেন, “কোনও মৃত ব্যক্তির বীর্যের ওপর সবার প্রথম অধিকার তার স্ত্রীর। আর কারও নয়। কারণ সন্তান ধারণের পরবর্তী সিদ্ধান্ত তার কাঁধেই বর্তায়।”

আদালত সূত্রের খবর, সম্প্রতি এক ব্যক্তি তার মৃত পুত্রের সংরক্ষিত থাকা বীর্যের ওপর অধিকার জানিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন। দীর্ঘদিন আগেই থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত হয়ে ওই ব্যক্তি দিল্লির একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। সেখানে জীবিত অবস্থায় তিনি তার বংশবৃদ্ধির জন্য বীর্য সংরক্ষণে সায় দেন। পরে তার মৃত্যু হয়। বর্তমানে সেই মৃত ব্যক্তির পিতৃত্বের অধিকার নিয়েই টানাপোড়েন শুরু হয়। সেই মামলার শুনানিতেই এই ঐতিহাসিক রায় দিতে দেখা যায় কলকাতা হাইকোর্টকে।

কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি জানান, সংরক্ষিত বীর্য গর্ভধারণের জন্য মৃতের স্ত্রী বা অন্য কাউকে দেওয়া যেতে পারে, কিন্তু তার জন্য সর্বাগ্রে মৃতের স্ত্রীর অনুমতি প্রয়োজন। এক্ষেত্রে বাবা–ছেলের সম্পর্কের জোরে মৃত ব্যক্তির পিতৃত্বের অধিকারে কোনও রূপ হস্তক্ষেপ করতে পারে না তার পরিবার। রায় দেওয়ার ক্ষেত্রে ভারতীয় সংবিধানের ১২ নম্বর অনুচ্ছেদের উপরেও বিশেষভাবে জোর দিতে দেখা যায় বিচারপতি সব্যসাচী ভট্টাচার্যকে। সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়