শিরোনাম
◈ বন্যাদুর্গতদের পাশে সরকার, সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ সংবিধান সংস্কার নয়, সংশোধন চায় বিএনপি: মির্জা ফখরুল ◈ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত: মধ্যস্থতাকারী থেকে সংঘাতের অংশ? কঠিন সমীকরণে পাকিস্তান ◈ ব্যাটারি শিল্পে বড় প্রণোদনা, ২০৩০ পর্যন্ত কর ছাড় ◈ বিশ্বকাপে নতুন ইতিহাস, চ্যাম্পিয়নরা পাবেন বিশেষ রিং ◈ চট্টগ্রামে ত্রাণ বিতরণের মঞ্চ ভেঙে পড়ে গেলেন অর্থমন্ত্রী ও এমপিসহ নেতা-কর্মীরা ◈ অবৈধভাবে বসবাসরত প্রবাসীদের জন্য বড় সুখবর, ইতালির আদালতের নতুন রায় ◈ কা‌রো পছন্দ হোক বা না হোক, আ‌র্জেন্টিনা বি‌শ্বের সেরা দল : লিও‌নেল মে‌সি ◈ অর্থনীতির তিন সংকট নিয়ে আইএমএফের উদ্বেগ: রাজস্ব বাড়ানো ও ব্যাংক খাত সংস্কারের তাগিদ ◈ বন্যা নিয়ন্ত্রণে কাপ্তাই বাঁধের ১৬ জলকপাট খুলে দেওয়া হচ্ছে, প্রতি সেকেন্ডে ছাড়বে ৯ হাজার কিউসেক পানি

প্রকাশিত : ১২ জানুয়ারী, ২০২১, ০৯:২৪ সকাল
আপডেট : ১২ জানুয়ারী, ২০২১, ০৯:২৪ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

আরিফ জেবতিক: বিয়ের ধর্মীয় রীতিনীতি পালনে স্থানীয় মসজিদের ইমাম, মন্দিরের পুরোহিত তাঁদের সম্পৃক্ত করা যেতে পারে

আরিফ জেবতিক : বিয়ের দুটো অংশ আছে। একটা ধর্মীয় দিক, আরেকটি আইনগত দিক। দুটোর মাঝে কিছু কিছু পার্থক্য আছে। যেমন ইসলাম ধর্মমতে ১৪ বছরের মেয়েকে বিয়ে করতে কোনো অসুবিধা হবে না, কিন্তু রাষ্ট্রীয় আইনে ১৮ বছরের নিচের কেউ বিয়ে করতে পারবে না। সুতরাং রাষ্ট্রীয় আইনের প্রয়োগ এমনভাবে করতে হবে যা সর্বধর্মের জন্য সার্বজনীন হবে। বিয়ে রেজিস্ট্রেশনের বেলায় দুটোকে আলাদা করে ফেলাটাই ভালো হবে।

আমার মনে হয়, বিয়ের ধর্মীয় রীতিনীতি পালনে স্থানীয় মসজিদের ইমাম, মন্দিরের পুরোহিত তাঁদের সম্পৃক্ত করা যেতে পারে। তাঁরা ধর্মীয় দিকটি নিজনিজ ধর্মীয় মতে পালন করিয়ে একটা সার্টিফিকেট দেবেন। সেটি নিয়ে রাষ্ট্রীয় বা সরকারিভাবে বিয়ে রেজিস্ট্রি করা যাবে। আবার কেউ যদি কোনো ধর্মের অনুসারি না হন বা যদি তিনি এমন সংখ্যালঘু ধর্মের অধিকারি হন যে তিনি এই অংশ বাদ দিয়ে সরাসরি রেজিস্ট্রি করতে চান, তিনি সেটাও করতে পারবেন।

বিয়ের ধর্মীয় অংশে স্থানীয় ইমাম, পুরোহিত ইনাদেরকে সম্পৃক্ত করলে ভালোই হবে। ইনাদের আয় রোজগার কম, তাঁদের কর্মসংস্থানে বিয়ে পড়ানো আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ আয়ের খাত হতে পারে। তাছাড়া সামাজিক ভাবে সারাবছর স্থানীয় মসজিদ মন্দিরের যেহেতু নিবিঢ় সম্পর্ক থাকে একজন মানুষের জীবনে, স্থানীয় ধর্মীয় ব্যক্তিদেরকে বিয়ের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক অনুষ্ঠানেও দায়িত্বপালন করার সুযোগ দেয়া সুন্দর দেখাবে। এ বিষয়ে উনাদেরকে প্রশিক্ষন দেয়া হবে। তাঁরা জন্মনিবন্ধন/ এনআইডি দেখে নিশ্চিত হবেন যে রাষ্ট্রীয় আইন অনুসারে নির্দিষ্ট বয়েসের পাত্রপাত্রীদের মাঝে বিয়েটি হচ্ছে।

আর আইনগত রেজিস্ট্রির বিষয়টি সম্পূর্ণ আলাদা রাখতে হবে।ফ্রি অথবা নামমাত্র ১শ টাকা/ ২শ টাকা ফি দিয়ে সেখানে রেজিস্ট্রি করা যাবে। সেখানে বিয়ে রেজিস্ট্রির খরচ কাবিনের টাকার হারের সাথে কোনো সম্পর্ক থাকবে না। মোহরানার টাকার হারের সাথে বিয়ে রেজিস্ট্রেশন ফি ধার্য করা অনেকটা মোহরানার টাকায় ট্যাক্স বসানোর মতো। মোহরানা ধর্মীয় বিষয়, সেখানে ট্যাক্স বসবে কেন! সেখানে একজন রেজিস্ট্রি অফিসার খাতাকলমে বিয়েটাকে সরকারের তালিকায় তুলবেন। এর সাথে কোনো ধর্মীয় আচার আচরণের কোনো সম্পর্ক থাকবে না।

যেমনটা আমাদের জন্মনিবন্ধনের ক্ষেত্রে হয়। জন্মের পর শিশুর নাম আকীকা করে দেয়া হলো ধর্মীয় রীতি, এখানে সরকারি কেউ থাকে না। কিন্তু পরে সরকারের খাতায় নাম তুলে জন্মনিবন্ধনের সার্টিফিকেট নিতে হয়। সেই জন্মনিবন্ধনের তালিকাটি যিনি করেন তিনি হিন্দু না মুসলিম, নারী না পুরুষ-সেটি কোনো বিষয় না এখানে। বিয়ের ক্ষেত্রেও সেটা করা উচিত। ধর্ম আর রাষ্ট্রকে গুলিয়ে না ফেলাটাই ভালো। ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়