শিরোনাম
◈ জাপানকে ছাড়িয়ে বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতি হতে যাচ্ছে ভারত: আইএমএফ ◈ ডেঙ্গুতে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড, হাসপাতালে ভর্তি ১,৯৪৩ ◈ মালয়েশিয়ায় ১০ হাজার বাংলাদেশি কর্মী বিনা খরচে নিয়োগ, অনুমোদন পাচ্ছে ৩৩৮ এজেন ◈ সংরক্ষিত নারী আসনের উপনির্বাচন: শুক্রবার থেকে মনোনয়ন ফরম বিতরণ করবে বিএনপি ◈ কৃষিকে লাভজনক খাতে পরিণত করতে হবে, কৃষকদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতের আহ্বান রাষ্ট্রপতির ◈ গাজীপুরে স্বামীকে পাশের ঘরে আটকে গার্মেন্টসকর্মীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ ◈ বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর যে জরুরি নির্দেশনা ◈ ভিনিসিউসের চার ম্যাচ নিষেধাজ্ঞা, এল ক্লাসিকোয় খেলতে পারবেন না ◈ বাংলাদেশের ১৬ হাজার কিলোমিটার নৌপথ সঠিক ব্যবহার হচ্ছে না, কাজে লাগানোর আহ্বান নৌমন্ত্রীর ◈ আইএমএফের নতুন ঋণ পেতে শর্ত পূরণে রাজি বাংলাদেশ, যেসব বিষয়ে চলছে আলোচনা

প্রকাশিত : ১২ জানুয়ারী, ২০২১, ০৯:২৪ সকাল
আপডেট : ১২ জানুয়ারী, ২০২১, ০৯:২৪ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

আরিফ জেবতিক: বিয়ের ধর্মীয় রীতিনীতি পালনে স্থানীয় মসজিদের ইমাম, মন্দিরের পুরোহিত তাঁদের সম্পৃক্ত করা যেতে পারে

আরিফ জেবতিক : বিয়ের দুটো অংশ আছে। একটা ধর্মীয় দিক, আরেকটি আইনগত দিক। দুটোর মাঝে কিছু কিছু পার্থক্য আছে। যেমন ইসলাম ধর্মমতে ১৪ বছরের মেয়েকে বিয়ে করতে কোনো অসুবিধা হবে না, কিন্তু রাষ্ট্রীয় আইনে ১৮ বছরের নিচের কেউ বিয়ে করতে পারবে না। সুতরাং রাষ্ট্রীয় আইনের প্রয়োগ এমনভাবে করতে হবে যা সর্বধর্মের জন্য সার্বজনীন হবে। বিয়ে রেজিস্ট্রেশনের বেলায় দুটোকে আলাদা করে ফেলাটাই ভালো হবে।

আমার মনে হয়, বিয়ের ধর্মীয় রীতিনীতি পালনে স্থানীয় মসজিদের ইমাম, মন্দিরের পুরোহিত তাঁদের সম্পৃক্ত করা যেতে পারে। তাঁরা ধর্মীয় দিকটি নিজনিজ ধর্মীয় মতে পালন করিয়ে একটা সার্টিফিকেট দেবেন। সেটি নিয়ে রাষ্ট্রীয় বা সরকারিভাবে বিয়ে রেজিস্ট্রি করা যাবে। আবার কেউ যদি কোনো ধর্মের অনুসারি না হন বা যদি তিনি এমন সংখ্যালঘু ধর্মের অধিকারি হন যে তিনি এই অংশ বাদ দিয়ে সরাসরি রেজিস্ট্রি করতে চান, তিনি সেটাও করতে পারবেন।

বিয়ের ধর্মীয় অংশে স্থানীয় ইমাম, পুরোহিত ইনাদেরকে সম্পৃক্ত করলে ভালোই হবে। ইনাদের আয় রোজগার কম, তাঁদের কর্মসংস্থানে বিয়ে পড়ানো আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ আয়ের খাত হতে পারে। তাছাড়া সামাজিক ভাবে সারাবছর স্থানীয় মসজিদ মন্দিরের যেহেতু নিবিঢ় সম্পর্ক থাকে একজন মানুষের জীবনে, স্থানীয় ধর্মীয় ব্যক্তিদেরকে বিয়ের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক অনুষ্ঠানেও দায়িত্বপালন করার সুযোগ দেয়া সুন্দর দেখাবে। এ বিষয়ে উনাদেরকে প্রশিক্ষন দেয়া হবে। তাঁরা জন্মনিবন্ধন/ এনআইডি দেখে নিশ্চিত হবেন যে রাষ্ট্রীয় আইন অনুসারে নির্দিষ্ট বয়েসের পাত্রপাত্রীদের মাঝে বিয়েটি হচ্ছে।

আর আইনগত রেজিস্ট্রির বিষয়টি সম্পূর্ণ আলাদা রাখতে হবে।ফ্রি অথবা নামমাত্র ১শ টাকা/ ২শ টাকা ফি দিয়ে সেখানে রেজিস্ট্রি করা যাবে। সেখানে বিয়ে রেজিস্ট্রির খরচ কাবিনের টাকার হারের সাথে কোনো সম্পর্ক থাকবে না। মোহরানার টাকার হারের সাথে বিয়ে রেজিস্ট্রেশন ফি ধার্য করা অনেকটা মোহরানার টাকায় ট্যাক্স বসানোর মতো। মোহরানা ধর্মীয় বিষয়, সেখানে ট্যাক্স বসবে কেন! সেখানে একজন রেজিস্ট্রি অফিসার খাতাকলমে বিয়েটাকে সরকারের তালিকায় তুলবেন। এর সাথে কোনো ধর্মীয় আচার আচরণের কোনো সম্পর্ক থাকবে না।

যেমনটা আমাদের জন্মনিবন্ধনের ক্ষেত্রে হয়। জন্মের পর শিশুর নাম আকীকা করে দেয়া হলো ধর্মীয় রীতি, এখানে সরকারি কেউ থাকে না। কিন্তু পরে সরকারের খাতায় নাম তুলে জন্মনিবন্ধনের সার্টিফিকেট নিতে হয়। সেই জন্মনিবন্ধনের তালিকাটি যিনি করেন তিনি হিন্দু না মুসলিম, নারী না পুরুষ-সেটি কোনো বিষয় না এখানে। বিয়ের ক্ষেত্রেও সেটা করা উচিত। ধর্ম আর রাষ্ট্রকে গুলিয়ে না ফেলাটাই ভালো। ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ