শিরোনাম
◈ ফারাক্কার সব গেইট খুলে দিতে শুভেন্দুকে বিহারের মুখ্যমন্ত্রীর ফোন ◈ নুসরাত হত্যা মামলায় ১৬ আসামির ডেথ রেফারেন্সের রায় আজ ◈ দুপুরের মধ্যে ঢাকাসহ ৮ জেলায় ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাস ◈ দ্বিতীয় পদ্মা-যমুনা সেতুসহ পাঁচ বছরে ৫০০ কিলোমিটার এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণের পরিকল্পনা সরকারের ◈ তারেক রহমানের সফর অনিশ্চিত, কোন পথে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক? ◈ বাংলা কিউআরে দৈনিক লেনদেনে বড় লাফ ◈ ৬০ লাখ বাংলাদেশির সিভি বিক্রির বিজ্ঞাপন হ্যাকারদের, ডলার দাবি ◈ হাদি হত্যাকাণ্ড: পরিকল্পনা থেকে দেশত্যাগ, তদন্তে উঠে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য ◈ অতিরিক্ত আইজিপি হলেন পাঁচ কর্মকর্তা ◈ জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত : ০৮ জানুয়ারী, ২০২১, ০৭:১৯ সকাল
আপডেট : ০৮ জানুয়ারী, ২০২১, ০৭:১৯ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] কোভিড ভাইরাসের নতুন স্ট্রেইন প্রতিরোধের দাবি করল ফাইজার ও মডার্না

রাশিদুল ইসলাম : [২] মার্কিন ওষুধ কোম্পানি মডার্না জানিয়েছে, মেসেঞ্জার আরএনএ বা বার্তাবহ আরএনএ সিকুয়েন্সকে কাজে লাগিয়ে তৈরি টিকা কয়েক বছর ধরে কোভিড সুরক্ষা দিতে পারবে। টিকার ডোজে তৈরি অ্যান্টিবডি বহুদিন টিকবে বলেও দাবি এই মার্কিন ফার্মা জায়ান্টের। মডার্নার প্রধান নির্বাহি স্টিফেন বানসাল এমনও দাবি করেছেন তাদের টিকা ভাইরাসের নতুন স্ট্রেন থেকেও সুরক্ষা দিতে পারবে। টাইমস অব ইন্ডিয়া/ফক্স নিউজ

[৪] একই ধরনের দাবি করেছে ফাইজারের এক পরিসংখ্যানে। যদিও তা চিকিৎসা বিশেষজ্ঞদের বিশ্লেষণের দাবি রাখে। ব্রিটেন ও দক্ষিণ আফ্রিকায় কোভিড ভাইরাসের যে নতুন স্ট্রেইন তা মোকাবেলায় ফাইজার ও বায়োএনটেক অন্তত ২০ জন কোভিড রোগীর রক্ত স্যাম্পল নিয়ে পরীক্ষার পর এ সফলতা পেয়েছে। ফাইজারের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. ফিলিপ ডরমিটজার বলেন অন্তত ১৫টি অতিরিক্ত সম্ভাব্য ভাইরাস মিউটেশনকে রুখে দেয়া সম্ভব হয়েছে।

[৫] মডার্নার এমআরএনএ সিকুয়েন্সকে কাজে লাগিয়ে তৈরি ভ্যাকসিনের নাম এমআরএনএ১২৭৩। এই ভ্যাকসিন তৈরি হচ্ছে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব অ্যালার্জি অ্যান্ড ইনফেকসিয়াস ডিজিজ -এর ভ্যাকসিন রিসার্চ সেন্টারের বিজ্ঞানীদের তত্ত্বাবধানে। এমআরএনএ হল শরীরের বার্তাবাহক। এর কাজ কোন কোষে প্রোটিন তৈরি হচ্ছে, কোথায় কী রাসায়নিক বদল হচ্ছে সবকিছুর জিনগত তথ্য বা ‘জেনেটিক কোড’ জোগাড় করে সেটা শরীরের প্রয়োজনীয় জায়গায় পৌঁছে দেওয়া।

[৫] এরফলে এই বার্তাবহ আরএনএ দিয়ে তৈরি ভ্যাকসিন শরীরের কোষগুলিকে অ্যান্টি-ভাইরাল প্রোটিন তৈরি করতে উৎসাহ দেবে। এই ভ্যাকসিন মানুষের দেহকোষে ঢুকে করোনাভাইরাসের মতো প্রোটিন তৈরি করার নির্দেশ দেবে। সেই প্রোটিনের বাইরে খোলসটা হবে ঠিক সার্স-কভ-২ ভাইরাল স্ট্রেনের মতোই। অথচ করোনার মতো অতটা সংক্রামক নয়। দেহকোষ তখন এমন ধরনের প্রোটিন দেখে তার প্রতিরোধী অ্যান্টিবডি তৈরি করবে।

[৬] শরীরের মেমরি বি-সেল এই ধরনের প্রোটিনকে চিনে রাখায় রোগ প্রতিরোধ শক্তি তৈরি হবে শরীরে। বানসাল বলছেন, টিকার ডোজ শরীরে ঢুকে কাজ করতে কিছু সময় লাগে। দুটি ডোজ সম্পূর্ণ হওয়ার অন্তত ২১ থেকে ২৮ দিনের মাথায় অ্যান্টিবডি তৈরি শুরু হবে। আরএনএ প্রযুক্তিতে তৈরি টিকার ডোজে পর্যাপ্ত অ্যান্টিবডি তৈরি হবে শরীরে।

  • সর্বশেষ