প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

নায়িকা নয় আমিই বিশ্বসুন্দরী: চম্পা

ইমরুল শাহেদ: এক সময়ের দাপুটে অভিনেত্রী চম্পা, যাকে মুম্বাইয়ের প্রয়াত অভিনেতা ওম পুরী বাংলাদেশের শাবানা আজমি বলে সম্বোধন করতেন, লকডাউন শুরু হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত ঘরেই আছেন। মাঝে মধ্যে বের হয়ে নাতিদের সঙ্গে কিছুটা সময় কাটিয়ে আসেন। তিনি সর্বশেষ কাজ করেছেন গত বছরের মার্চ মাসে একটি টেলিভিশন নাটকে। চম্পা বলেন, কোভিডের দাপট না কমা পর্যন্ত তিনি কাজে ফিরে যাবেন না।

সম্প্রতি চম্পা অভিনীত বিশ্বসুন্দরী ছবিটি মুক্তি পেয়েছে। ছবির শুরু থেকে শেষ পর্যন্তও তার উপস্থিতি আড়ালে রাখা হয়েছে। অনেকে মনে করেছেন বিশ্বসুন্দরী হলেন পরী মনি। আসলে তা নয়। ছবিটির নাম ভূমিকায় অভিনয় করেছেন চম্পা। অর্থাৎ চম্পাই হলেন বিশ্বসুন্দরী। ছবিটিতে চম্পাকে দেখানো হয়েছে একজন বীরাঙ্গনা হিসেবে। তার স্বামী নেই, আছে একটি সন্তান আছে। এই সন্তানকে নিয়েই তার জীবন। চম্পা বলেন, ‘ছবিটির পরিচালক চয়নিকা চৌধুরী মানুষের ধারণাকে বদলে দিয়েছে। নায়িকাই বিশ্বসুন্দরী হবে এমন কোনো কথা নেই।

একজন সন্তানের জননীও যে বিশ্বসুন্দরী হতে পারে সেটাই ছবিতে দেখানো হয়েছে। দর্শক ছবি দেখে চমকিত হয়েছেন। তারা এক ভাবনা নিয়ে ছবি দেখতে গিয়েছেন, বের হয়েছেন অন্য ধারণা নিয়ে। আমার চরিত্রটি দেখানো হয়েছে – আমি একজন দেশপ্রেমিক ও ব্যবসায়ী নারী। বীরাঙ্গনা এই নারীই তার ছেলের চোখে বিশ্বসুন্দরী।’ তিনি বলেন, ‘প্রচারে আমার নাম আনা হয়নি। পরিচালকের আগাগোড়াই পরিকল্পনা ছিল একটা চমক তৈরি করা। সেটা তিনি করতে পেরেছেন।’ তিনি বলেন, ‘পুরো ছবিটাই আমাকে নিয়ে।’

চম্পা মডেলিংয়ের মাধ্যমে গ্ল্যামার জগতে কর্মজীবন শুরু করেন। তারপর টিভি নাটকে অভিনয় করতে থাকেন এবং জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন। শিবলী সাদিক পরিচালিত তিন কন্যা চলচ্চিত্রের মাধ্যমে চম্পা চলচ্চিত্রের সঙ্গে যুক্ত হন। এই চলচ্চিত্রে তারা তিন বোন সুচন্দা, ববিতা ও চম্পা একত্রে অভিনয় করেন। তিনি সত্যজিৎ তনয় স›দ্বীপ রায়ের ‘টার্গেট’ এবং বুদ্ধদেব দাশ গুপ্তের ‘লালদরজা’ ছবিতে অভিনয় করে শিল্পশোভন চলচ্চিত্রেরও একজন অবিসংবাদিত অভিনেত্রী হয়ে উঠেন। এছাড়া তিনি পদ্মা নদীর মাঝি, অন্য জীবন ও উত্তরের খেপ চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত