প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] রাজশাহীসহ তিন জেলায় এক রাতে ৩ হত্যাকাণ্ড

মঈন উদ্দীন : [২] মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে রাতের বিভিন্ন সময় তাদের হত্যা করা হয়। বগুড়া, পাবনা ও রাজশাহী জেলায় হত্যাকাণ্ডের শিকার ব্যক্তিদের মধ্যে ব্যবসায়ী, রাজমিস্ত্রী ও একজন যুবক রয়েছেন। কেন ও কি কারণে তাদের হত্যা করা হয়েছে সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ এখন পর্যন্ত সে বিষয়ে কিছুই বলতে পারেনি। খুনের ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ।

[৩] জেলার বাঘা উপজেলায় এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। বুধবার সকালে উপজেলার তেঁথুলিয়া শিকদারপাড়া এলাকায় তার লাশ পাওয়া যায়। ওই যুবক নিখোঁজের ব্যাপারে আগের রাতে বাঘা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছিল পুলিশ। নিহত যুবকের নাম জহুরুল ইসলাম (২৮)। তার বাড়ি উপজেলার মনিগ্রাম মধ্যপাড়া গ্রামে। তার বাবার নাম রফিকুল ইসলাম।

[৪] বাঘা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ওসি জানান, মঙ্গলবার দুপুরের পর এক ব্যক্তির সঙ্গে জহুরুল দোকান থেকে বের হন। রাত থেকে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যাচ্ছিল। তাই পরিবারের লোকজন বিষয়টি থানায় অবহিত করেন। এরপর পুলিশ একটি জিডি করে তার সন্ধান পেতে কাজ শুরু করে। কিন্তু ফোন বন্ধ থাকায় তাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। সকালে তার লাশ পাওয়া গেল।

[৫] পাবনার আটঘরিয়া উপজেলার দেবোত্তর ইউনিয়নের পাটেশ্বর নামক স্থানে আকরাম আলী নামে ৪২ বছর বয়সী এক রাজমিস্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। মঙ্গলবার দিবাগত রাতের কোনো এক সময়ে এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে বলে পুলিশের ধারনা। বুধবার সকালে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। নিহত আকরাম জেলার চাটমোহর উপজেলার কচুয়াগাড়িয়া গ্রামের মৃত আব্দুস সামাদের ছেলে।

[৬] আটঘরিয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসিফ মোহাম্মদ সিদ্দিকুল ইসলাম জানান, স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে। এ সময় লাশের পাশে থেকে একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।

[৭] বগুড়ার শেরপুর উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের ইতালি পূর্বপাড়া গ্রামে বাড়ির সামনে এক ব্যবসায়ীকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে হত্যার পর একটি মোটরসাইকেল নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। তার নাম ফরিদুল ইসলাম। নিহত ফরিদুল ভবানীপুর ইউনিয়নের ইতালি গ্রামের মৃত কোরবান আলীর ছেলে। তিনি স্থানীয় ছোনকা বাজারে রড সিমেন্টের ব্যলবসা করতেন।

[৮] শেরপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম ঘটনার সত্যকতা নিশ্চিত করে জানান, কি কারণে ফরিদুলকে হত্যা করা হয়েছে সে বিষয়ে এখন জানা যায়নি। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পরিদর্শন করেছে। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের ধরতে এলাকায় অভিযান চলছে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত