শিরোনাম
◈ গোলাম পরওয়ারের সঙ্গে ভারতীয় গোয়েন্দার বৈঠকের অভিযোগ, প্রমাণ দিতে রাশেদ খানকে জামায়াতের চ্যালেঞ্জ ◈ ভোগান্তিতে ২২ হাজার যাত্রী, রিয়াদ বিমানবন্দরে বুধবার থেকে ফ্লাইট চালুর সম্ভাবনা ◈ ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের আঘাতের সময় এগিয়ে এসেছে, বাংলাদেশে ৩ দিন বৃষ্টির পূর্বাভাস ◈ জাপানের বিগ-বি পরিকল্পনা কী, মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর ঘিরে বাংলাদেশের সম্ভাবনা এবং ভারতকে যুক্ত করতে চায় কেন? ◈ মাদুশাঙ্কার ক্যারিয়ার সেরা বোলিংয়ে ধস পাকিস্তানের, ফাইনা‌লে শ্রীলঙ্কা ◈ আগামী পাঁচ বছরে প্রতিটি উপজেলায় স্টেডিয়াম নির্মাণ কর‌বে সরকার: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ◈ বুধবার মিরপুরে বাংলা‌দেশ-ও‌য়েস্ট ইন্ডিজ সি‌রি‌জের প্রথম টেস্ট ◈ জাপানের চাকরির বাজারে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের দক্ষতা বাড়াতে বিশেষ প্রশিক্ষণের উদ্যোগ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ◈ সুন্দরবনের পশুর নদীতে ১২৫০ টন কয়লাবোঝাই জাহাজডুবি, ঝুঁকিতে জীববৈচিত্র্য ◈ পর্যটকদের জন্য সুখবর, সেন্টমার্টিনে রাতযাপন নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত

প্রকাশিত : ০৩ জানুয়ারী, ২০২১, ০২:৫৭ রাত
আপডেট : ০৩ জানুয়ারী, ২০২১, ০২:৫৭ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বে-টার্মিনাল নিয়ে রোববার প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে বৈঠক

অনলাইন রিপোর্ট: বে-টার্মিনালের ভবিষ্যত নির্ধারণ হতে পারে রোববার। প্রকল্প নিয়ে আগামীকাল রোববার বিকেল ৩ টায় প্রধানমন্ত্রীর দফতরে উচ্চ পর্যায়ের এক বৈঠক আহ্বান করা হয়েছে। এই টার্মিনাল বাস্তবায়নের সাথে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ কর্মকর্তাদের বৈঠকে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে। বাসস

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের একজন শীর্ষ কর্মকর্তা প্রধানমন্ত্রীর দফতরে বৈঠক অনুষ্ঠানের কথা নিশ্চিত করে বলেন, বৈঠকে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হবে। বে টার্মিনাল কারা বাস্তবায়ন করবে, কিভাবে করবে, কোন কোন দেশ আগ্রহী এবং কারা কিভাবে করতে আগ্রহী এসব বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে। প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি খাত উন্নয় বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান বৈঠকে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।

হালিশহর উপকূলে জেগে উঠা চরের সুবাদে সৃষ্ট চ্যানেল ব্যবহার করে বে-টার্মিনাল বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে এখানে ৬৮ একর জমি হুকুম দখল করা হয়েছে। সাথে ৮৭১ একর সরকারি খাস জমিও যুক্ত করার প্রক্রিয়া প্রায় চূড়ান্ত। এর বাইরে সাগর ভরাট করে টার্মিনালের ভূমি হিসেবে ব্যবহার হবে। সব মিলিয়ে প্রায় আড়াই হাজার একর ভূমিতে বে টার্মিনাল প্রকল্পের পরিকল্পনা রয়েছে। চট্টগ্রাম বন্দরের বর্তমান কার্যক্রম চলে সাড়ে চারশ একর ভূমিতে। চট্টগ্রাম বন্দরের চেয়ে পাঁচ গুণেরও বেশি এলাকায় বে টার্মিনালের কার্যক্রম চলবে। পাশাপাশি এখানে সাগরের গভীরতা বেশি থাকায় ১৪ মিটার ড্রাফটের জাহাজও সহজে ভিড়তে পারবে। বড় জাহাজাকে জোয়ার-ভাটার ওপর নির্ভর করতে হবে না। বহির্নোঙরে অপেক্ষমাণ থেকে সময়ের অপচয় হবে না। কৃত্রিম চ্যানেলটির গভীরতা বাড়ানোর জন্য পরিচালিত ড্রেজিং থেকে পাওয়া মাটি ও বালি দিয়ে ভরাট করা হবে সাগর। একই সাথে ব্রেক ওয়াটার নির্মাণ করে ঠেকানো হবে সাগরের জলোচ্ছ্বাস।

বৈঠকে এ টার্মিনালেকে রেলওয়ে নেটওয়ার্কে যুক্ত করার বিষয়টিও আলোচনা হতে পারে। সরকারের নির্দেশনার আলোকে এই টার্মিনাল নির্মাণের জন্য ইতোমধ্যে বিভিন্ন দেশ থেকে প্রস্তাবনাও পাওয়া গেছে। বন্দর নির্মাণ ও পরিচালনায় অভিজ্ঞ বিশ্বের নয়টি শীর্ষস্থানীয় কোম্পানি তাদের প্রস্তাবনা দিয়েছে। এর মধ্যে সিঙ্গাপুর পোর্ট অথরিটি, সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই পোর্ট ওয়ার্ল্ড, ভারতের আদানি পোর্ট, সাংহাই পোর্ট এবং দক্ষিণ কোরিয়ার হুন্দাই গ্রুপ বে টার্মিনাল নির্মাণের ব্যাপারে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

বন্দর কর্তৃপক্ষ সব প্রস্তাবনার সারসংক্ষেপ প্রধানমন্ত্রীর দফতরে পাঠিয়েছে বেশ আগে। প্রধানমন্ত্রীর দফতরের নির্দেশনার আলোকে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ইতিমধ্যে তাদের কর্মপরিকল্পনা তৈরি করেছে। রোববার বৈঠকে এসব প্রস্তাবনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনার পর একটি চূড়ান্ত দিক-নির্দেশনা আসতে পারে।

  • সর্বশেষ