শিরোনাম
◈ সৌদি আরবে সোফা কারখানায় আগুন: নওগাঁর ৭ প্রবাসীর মৃত্যু ◈ ইলিয়াস আলী গুমের অভিযোগে বিমানবাহিনীর কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ◈ দেশের উন্নয়নের পথে বাধা সৃষ্টিকারীদের রুখে দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী ◈ দীর্ঘ ১৪ মাস পর সিলেটে মিলল করোনা রোগী ◈ ভারতের নয়াদিল্লিতে শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলনের সঞ্চালক কে এই আবু ওবাইদাহ অরিন, যা জানাগেলো ◈ চার আর্থিক প্রতিষ্ঠানে প্রশাসক, আমানতকারীদের ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ফেরত ◈ বাংলাদেশি শনাক্তের নামে বেঙ্গালুরুতে শতাধিক পরিযায়ী শ্রমিক আটকের অভিযোগ ◈ পরাজয়ের সম্ভাবনা জেনেও কেন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জামায়াত জোট ? ◈ নিজস্ব গ্যাস উত্তোলনে জোর দিচ্ছে সরকার:  তথ্যমন্ত্রী ◈ বাংলাদেশিদের জন্য ইন্দোনেশিয়া ভ্রমণে ভিসা অন অ্যারাইভাল সুবিধা বহাল রাখার আশ্বাস

প্রকাশিত : ২৯ ডিসেম্বর, ২০২০, ০৯:২৪ সকাল
আপডেট : ২৯ ডিসেম্বর, ২০২০, ০৯:২৪ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

অনন্য মামুনকে চিরতরে চলচ্চিত্র থেকে বহিষ্কার করা উচিত, বললেন পরিচালক শাহ আলম কিরণ

ইমরুল শাহেদ: শাকিব খান ও মাহি তারকায়িত নবাব এলএলবি ছবিতে অশ্লীল দৃশ্য ধারণ করে পরিচালক অনন্য মামুন এখন কারাগারে রয়েছেন। পুলিশ বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে সাইবার ক্রাইম অপরাধে। এতে আসামি করা হয়েছিল তিন জনকে। পরে আসামির তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয় অভিনেত্রী অর্চিতা স্পর্শিয়াকে। অপর দু’জন অনন্য মামুন ও শাহীন মৃধাকে কারাগারে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

প্রশ্ন হচ্ছে, একটি ছবির প্রতিটি কাজের জন্য দায়ি থাকেন পরিচালক। একটি ছবির কোনো দৃশ্যের জন্যই শিল্পীরা দায়ি থাকেন না। এই বিবেচনায় অর্চিতা স্পর্শিয়াকে আসামির তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। একই কারণে আসামি তালিকা থেকে অভিনেতা শাহীন মৃধা কেন বাদ যাবেন না? এছাড়া অনন্য মামুন যে অপরাধ করেছেন তার দায়িত্ব পরিচালক সমিতি নিবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে।

সমিতির দৃষ্টিতে তিনি এর আগেও আরও দুটি অপরাধ করেছেন। সেজন্য তার পরিচালক সমিতির সদস্যপদও স্থগিত করা হয়েছিল। কিন্তু অনন্য মামুন ভবিষ্যতে আর কোনো অপরাধ করা হলে আজীবনের জন্য পরিচালক সমিতি থেকে বহিস্কার হওয়ার প্রতিশ্রুতিতে মুচলেকা দিয়ে সদস্যপদ ফিরে পেয়েছেন। পরিচালক সমিতি এ ব্যাপারে এখন সক্রিয় হতে পারে বলে একজন নেতা ইঙ্গিত দিয়েছেন।

পরিচালক শাহ আলম কিরণ বলেছেন, ‘অনন্য মামুনকে চিরতরে চলচ্চিত্র থেকেই বহিষ্কার করা উচিত। মোবাইল ফোনে ছবিটির যে খণ্ডাংশ দেখলাম তাতে পরিচালক হিসেবে লজ্জায় মাথা নত হয়ে আসে। এমন জঘন্য কাজ কোনো বিবেকবান মানুষ করতে পারেন না।’ এভাবে গোটা চলচ্চিত্র শিল্পেই একটা বিরুপ প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে বলা যায়।

শাহ আলম কিরণ প্রশ্ন তোলেন, ‘শুধু পরিচালক কেন? সন্ত্রাসে যারা অর্থায়ন করে থাকেন তারা যদি আইনের দৃষ্টিতে অপরাধী হন, তাহলে এই ধরনের অশ্লীলতা প্রচারে যারা অর্থ সহায়তা দেন, তারা কেন অপরাধী হবেন না। অশ্লীলতা যারা প্রচার করেন এবং এর সঙ্গে যাদের সম্পৃক্ততা থাকে তারা সকলেই অপরাধ করেন বলে আমি মনে করি।’ শাহ আলম কিরণের অঙ্গুলি ছবিটির প্রযোজকের দিকেই। এছাড়া চলচ্চিত্র হিসেবে নির্মাণ করে এ্যাপসে মুক্তি দিয়েছেন ওয়েব ফিল্ম হিসেবে। নবাব এলএলবিকে চলচ্চিত্র বলা যায় না। কারণ চলচ্চিত্রটি সেন্সর বোর্ডে জমা দেওয়া হয়নি।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়