শিরোনাম
◈ ৪৯তম বিশেষ বিসিএসে বাদ পড়া আরও ৪০ জনকে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি  ◈ আমার বক্তব্য থেকে এক ফোটাও সরব না, দেশে আর কোনো স্বপ্ন নেই: ঠিকানায় খালেদ মুহিউদ্দীন’ টকশোতে মুখোমুখি সালমান মুক্তাদির ◈ ফারুকী-তিশার বিচ্ছেদ গুঞ্জন: ভিত্তিহীন বলছে সংশ্লিষ্টরা ◈ ঘুষের টাকা দিয়ে পোশাক লাগিয়েছি ঘুষ খাব না তো কি বায়তুল মোকাররমের ইমাম হব: এএসআইর বক্তব্যে তোলপাড় ◈ দুর্গাপূজায় রাত ১০টা পর্যন্ত শপিংমল-দোকান খোলা রাখা যাবে ◈ ৭০০ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ◈ ৬ দিন বন্ধ থাকছে একাধিক ব্যাংকের অনলাইন-এটিএম-কার্ডসহ নানা সেবা ◈ বিমানবন্দরে লাগেজ হ্যান্ডলিং লাইভ সিসিটিভিতে দেখানোর দাবিতে আইনি নোটিশ ◈ দুর্গাপূজায় টানা পাঁচ দিনের ছুটি, আগের শনিবার খোলা থাকবে অফিস ◈ খাদ্য নিরাপত্তায় বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে ৩০ কোটি ডলারের ঋণচুক্তি

প্রকাশিত : ২৯ ডিসেম্বর, ২০২০, ০৬:২২ সকাল
আপডেট : ২৯ ডিসেম্বর, ২০২০, ০৬:২২ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] বড়লেখা পৌরসভা নির্বাচন সব কেন্দ্রেই বিএনপি প্রার্থী শোচনীয় পরাজয়, পুনঃনির্বাচনের দাবী

স্বপন দেব: [২] মৌলভীবাজারের বড়লেখা পৌরসভা নির্বাচনে ফলাফলে বিএনপি প্রার্থীর ভরাডুবি হয়েছে যা অনেকটা অবিশ্বাস। পৌর নির্বাচনে বিএনপির ধানের শীষের মেয়র প্রার্থী নিজের কেন্দ্রসহ ১০ কেন্দ্রের একটিতে জয় লাভ করতে পারেনি। তিনি সর্বমোট ভোট পেয়েছেন ৫৯৪। এমনকি নিজের ভোট কেন্দ্রে ৩ মেয়র প্রার্থীর মধ্যে তৃতীয় হয়েছেন তিনি। এ নিয়ে পৌরসভার এলাকার মানুষের মধ্যে নানা ধরণের হিসেব নিকাশ চলছে। অনেকে করছেন বিরুপ মন্তব্য আবার কেহ বলছেন এটাতো হবারই কথা। কারণ এটি ছিলো নীল নকশার নির্বাচন।

[৩] সোমবার রাত সাড়ে ৭টায় বিএনপি প্রার্থীর প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট ও উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান খছরু ফেসবুকে লাইভের এসে এক প্রতিক্রিয়ায় নির্বাচনের ফলাফল প্রত্যাখ্যান করে নির্বাচনের ফলাফল বাতিল করে পুণঃ নির্বাচনের দাবি করেছেন।

[৪] উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক আব্দুস শহীদ খানের নিজস্ব ফেসবুক আইডি থেকে দেওয়া লাইভে বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান খছরু বলেন, এটি ছিল একটি পাতানো নির্বাচন। কারচুপি ও ভোট ডাকাতির ও পূর্বে সেটিং করা ফলাফল দেখে আমরা হতবাক, বিষ্মিত হয়েছি। আমরা এই ফলাফল প্রত্যাখান করছি।

[৫] বড়লেখা পৌরসভা নির্বাচনে ৩জন মেয়র প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেন। নৌকা প্রতীক নিয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বর্তমান মেয়র আবুল ইমাম মো. কামরান চৌধুরী বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মো. সাইদুল ইসলাম মুঠোফোনে প্রতীক নিয়ে হয়েছেন দ্বিতীয়। আর প্রধান বিরোধীদল বিএনপির প্রার্থী পৌর বিএনপির সভাপতি আনোয়ারুল ইসলাম হয়েছেন তৃতীয়।

[৬] পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী বর্তমান মেয়র আবুল ইমাম মো. কামরান চৌধুরী ৫ হাজার ৯৭৮ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. সাইদুল ইসলাম পেয়েছেন ৩ হাজার ৮৬ ভোট। অপরদিকে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আনোয়ারুল ইসলাম (ধানের শীষ) পেয়েছেন ৫৯৪ ভোট। সম্পাদনা: হ্যাপি

  • সর্বশেষ