শিরোনাম
◈ ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পেলেন ডেলসি রদ্রিগেজ ◈ টানা পাঁচ মাস রপ্তানি আয় হ্রাস: দেড় বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পতন ডিসেম্বরে ◈ অ‌্যাস্টন ভিলা বড় জ‌য়ে ম্যান সিটিকে টপকে গে‌লো ◈ চুক্তির পথে বাংলাদেশ–ব্রাজিল, কৃষি ও ওষুধ রফতানিতে নতুন সম্ভাবনা ◈ পাল্টা হামলা চালালো ভেনেজুয়েলা, ক্ষতিগ্রস্ত মার্কিন যুদ্ধবিমান ◈ ভারতে নয়, শ্রীলঙ্কায় বাংলাদেশের বিশ্বকাপ খেলার প্রস্তাব করেছি: আসিফ নজরুল ◈ ওসিকে হুমকি দেওয়া সেই বৈষম্যবিরোধী নেতাকে ছাড়াতে থানা ঘেরাও (ভিডিও) ◈ শাহরুখ খা‌নের কেকেআর থেকে মুস্তাফিজ বাদ পড়তেই উচ্ছ্বসিত ভার‌তের ক্ষমতাসীন দল বিজেপি  ◈ সামরিক অভিযানে আটক মাদুরোর ছবি প্রকাশ করলেন ট্রাম্প ◈ ভেনেজুয়েলায় মার্কিন হামলার প্রতিক্রিয়ায় যা বলল ইরান

প্রকাশিত : ২৭ ডিসেম্বর, ২০২০, ১১:২৯ দুপুর
আপডেট : ২৭ ডিসেম্বর, ২০২০, ১১:২৯ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সাইফুদ্দিন আহমেদ নুন্নু: করোনাকালের তরুণদের কথা বলছি

সাইফুদ্দিন আহমেদ নুন্নু: তরুণরা সাধারণত স্মার্ট থাকার চেষ্টা করে, স্মার্টলি চলে। নিজেকে সুন্দরভাবে অন্যের কাছে তুলে ধরতে চায়। এটাই তারুণ্যের ধর্ম, এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু তাদের অধিকাংশই স্মার্টনেসের সজ্ঞাটাই জানে না। জানলে ঠিক নিয়মে মাস্ক পরা ছাড়া কাউকেই পাওয়া যেতো না। যে বাড়িতে একজন মানুষ মৃত্যুবরণ করেছেন, সে বাড়ির মৃত মানুষটিকে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন ও পরিবারের মানুষকে সমবেদনা জানাতে লাখ টাকা দামের বিয়ের পোশাকের মতো পোশাক বা ...রঙচঙা, ঝলমলে পোশাক পরে যাওয়া স্মার্টনেস না। এমনটা নির্বোধ, নির্বুদ্ধিতা ছাড়া কিছু না।

এক কথায় ওই বাড়িতে ওই দামি ঝলমলে পোশাক পরা তরুণকে হয় জোঁকার নয়তো সার্কাসের ভাঁড় মনে হবে। একইভাবে আনন্দের, উৎসবের, বিয়ের আয়োজনে রাশভারি কালো পোশাক, তা যতো দামিই হোক, যতো সুন্দরই লাগুক তা পরে যাওয়াটাও তাই। যেখানে যা বেমানান, কাক্সিক্ষত না, অবাঞ্ছিত, সেখানে তা পরে যাওয়া, পরে থাকা স্মার্টনেস না। বরং যেখানে যেমনটা কাম্য তার সর্বোত্তম ব্যবহার, পরিবেশ, পরিস্থিতি অনুযায়ী অন্যদের চেয়ে স্বকীয় সৌন্দর্যের সঙ্গে মিলিয়ে চলা, আচরণ করাটাই স্মার্টনেস।

স্মার্ট মানুষেরা তাই করে। এই ঘোর করোনাকালে মাস্কহীন, থুতনীতে মাস্ক ঝুঁলিয়ে রাখা মানুষদের ৫০ শতাংশেরও বেশি তরুণ। তারা দামি পোশাকটা পড়ছে, জুতোটা, হাতের মোবাইলটা, মটরবাইকটাও দামি। হেয়ারস্টাইলটাও লেটেস্ট। কিন্তু মুখে মাস্ক নেই। যারও বা আছে তা আছে থুতনীতে, নয়তো নাকটা হাতির শুড়ের মতো বাইরে লটকানো। তারা স্বাভাবিক সময়ের মতো ফাস্টফুডের দোকানে ঢুকছে, পাড়া, মহল্লার টিস্টলে চা খাচ্ছে, ধুমছে আড্ডা দিচ্ছে, সী বিচের ট্যুরে যাচ্ছে পিকনিক মুডে, হাজার মানুষের মিছিলে, মিটিংয়ে স্লোগান দিচ্ছে, বক্তৃতা দিচ্ছে, সিগারেট ফুঁকছে। এই তরুণদের মাস্কের প্রতি এমন অনিহা, উদাসীনতা দায়িত্ববান, সচেতন, প্রকৃত শিক্ষিত মানুষের কাছে তাদের স্মার্ট তরুণ নয়, নির্বোধ, মূর্খ মানুষ হিসেবেই চিত্রিত করছে। সমাজের মানুষের কথা বাদই দিই। নিজ নিজ পরিবারের বাবা-মা, বয়স্ক কাকা-কাকী, দাদা-দাদির প্রতি বিন্দুমাত্র দায়িত্ববোধ তাদের নেই, ভাবনা নেই। তারা হয় করোনা সম্পর্কে কিছুই জানে না, পড়ে না, শুনে না। অথবা জেনে বুঝেই বাড়ির বয়স্ক মানুষদের করোনাঝুঁকি, মৃত্যুঝুঁকিতে ঠেলে দিচ্ছে।

বয়সগত কারণে এসব তরুণদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেশি, তারা হয়তো নিজেরাও টের পায় না যে, তারা লক্ষ্মণ, উপসর্গহীন করোনাক্রান্ত মানুষ। অথবা একদিনের হালকা জ্বর জ্বর অনুভূতি, একটু কাশিতেই সব সামলে নিচ্ছে, করোনা বলে ভাবছেই না। কিন্তু সর্বনাশটা করছে বাড়ির বয়স্ক আপনজনদের। এই জাতীয় তরুণেরা এই সময়ের সবচেয়ে ইডিয়ট তরুণ, স্মার্টলেস তরুণ। স্মার্ট তরুণেরা মাস্ক পরে, করোনাকালে পরিবারের বয়স্ক মানুষদের কথা ভেবে নিজেকে সংযত রাখে। ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়