প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] দৌলতদিয়া যৌনপল্লিতে এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ৩

কামাল হোসেন: [২] রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া যৌনপল্লিতে দুই স্কুল ছাত্রীর একজনকে জোরপূর্বক ধর্ষণ এবং অপরজনকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে স্থানীয় লোকজন হাতেনাতে তিনজনকে আটক করে গোয়ালন্দ ঘাট থানা পুলিশের হাতে সোপর্দ করেছে।

[৩] আটককৃতরা হলো উপজেলার উত্তর দৌলতদিয়া হোসেন মন্ডল পাড়ার ইসলাম প্রামানিকের ছেলে জীবন প্রামানিক (২৮), ফরিদপুরের ভাঙা উপজেলার গুলপালদী মোল্লা বাড়ির মালেক মোল্লার ছেলে সোহেল মোল্লা ওরফে ভাঙা সোহেল (২৮) ও দৌলতদিয়া হোসেন মন্ডল পাড়ার মোহন মন্ডলের ছেলে ইউসুফ মন্ডল (২৭)। এ ঘটনায় মঙ্গলবার রাতেই গোয়ালন্দ ঘাট থানায় ধর্ষণ এবং ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে পৃথক দুটি মামলা হয়েছে।

[৪] এজাহার সূত্রে জানা যায়, দৌলতদিয়ার একটি বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে চলতি বছর পঞ্চম শ্রেণীতে উত্তীর্ণ হওয়ার পর ফরিদপুর শাপলা সেফহোম নামক সংস্থায় থেকে পড়াশুনা শুরু করে। ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস পালনে গত ১১ ডিসেম্বর তারা দৌলতদিয়ায় পরিবারের কাছে আসে। মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে দুই বান্ধবী দৌলতদিয়া যৌনপল্লির জনৈক লেংড়ার দোকানে আচার কিনে ফেরার সময় টোকাই মোল্লার বাড়ির সামনে পৌছলে ভিতর থেকে তাদের ডাক দেয়।

[৫] সারা দিয়ে টোকাই মোল্লার বাড়িতে পৌছে দেখতে পায় জীবন প্রামানিক, সোহেল ওরফে ভাঙা সোহেল ও ইউসুফ মন্ডল ছাড়া কেউ নেই। জীবন প্রামানিক ১২ বছর বয়সী স্কুল ছাত্রীকে ঝাপটে ধরে একটি কক্ষে নিয়ে দরজা বন্ধ করে দেয়। দাঁড়িয়ে থাকা সোহেল মোল্লা ও ইউসুফ মন্ডল অপর স্কুলছাত্রীকে ঝাপটে ধরে আরেক কক্ষে নিয়ে যায়।

[৬] জীবন জোরপূর্বক ১২ বছর বয়সী স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ করলেও অপর কক্ষে আটকে রাখা আরেকজনকে (১৩) ধর্ষণ চেষ্টা করে ব্যার্থ হয়। তাদের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এমনটি দেখে তাৎক্ষনিকভাবে বাড়ির গেটে তালা মেরে পুলিশে খবর দেয়। পরিবার ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে তাদেরকে উদ্ধার এবং আটককৃতদের থানায় নিয়ে আসে।

[৭] গোয়ালন্দ ঘাট থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল তায়াবীর বলেন, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে থানায় একাধিক হত্যা, মাদক ও সন্ত্রাসী কার্যকলাপের মামলা রয়েছে। ওই মামলায় তারা জামিনে এলাকায় রয়েছে। থানায় ধর্ষণ ও ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে পৃথক দুটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে বুধবার দুপুরে রাজবাড়ীর আদালতে এবং স্কুল ছাত্রীদের ডাক্তারী পরীক্ষা করতে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। সম্পাদনা: সাদেক আলী

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত