শিরোনাম
◈ ট্রাম্পকে ইরানের নেতাদের ‘হত্যা’র আহ্বান মার্কিন সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহামের ◈ সালমান এফ রহমান ও আনিসুল হকের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আদেশ আজ ◈ ৫০ বছর আগের চুক্তিতে বাংলাদেশের ট্রানজিট চায় নেপাল ◈ ‘নেপালকে বাংলাদেশ হতে দেব না’: প্রধানমন্ত্রী সুশীলা কার্কি ◈ কাশ্মীর সীমান্তে একাধিক পাকিস্তানি ড্রোন শনাক্ত: সর্বোচ্চ সতর্কতায় ভারতীয় বাহিনী ◈ চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ থামছেই না: বাড়ছে আতঙ্ক, ঝুঁকিতে যাত্রীরা ◈ এবার বাংলাদেশের ওপর নজরদারি বাড়াতে নতুন নৌঘাঁটি বানাচ্ছে ভারত ◈ ভিয়েতনামে ২০ বছরের মধ্যে আসিয়ানের সবচেয়ে বড় তেলের মজুত সন্ধান! ◈ কাউন্সিল হ্যা বললে ২য় বিয়েতে স্ত্রীর অনুমতি লাগবে না: হাইকোর্ট (ভিডিও) ◈ এক-দুই দিনের মধ্যে ২০-২৫ আসনে প্রার্থী ঘোষণা দেবে এনসিপি

প্রকাশিত : ১৪ ডিসেম্বর, ২০২০, ১০:৩৬ দুপুর
আপডেট : ১৪ ডিসেম্বর, ২০২০, ১০:৩৬ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

হেফাজত মহাসচিবের জানাজার স্থান পরিবর্তন

হেফাজতে ইসলামের মহাসচিব নূর হোসাইন কাসেমীর নামাজে জানাজা জাতীয় ঈদগাহ ময়দানের পরিবর্তে বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদে সোমবার (১৪ ডিসেম্বর) সকাল ৯টায় অনুষ্ঠিত হবে।

রোববার রাত ১০টার দিকে বারিধারা মাদ্রাসায় হেফাজতের অর্থ সম্পাদক এবং জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের যুগ্ম-মহাসচিব মুফতি মুনির হোসাইন কাসেমী এ কথা জানান।

করোনা আক্রান্ত হয়ে ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুর ১২টা ৫০ মিনিটে মারা যান নূর হোসাইন কাসেমী। যদিও হেফাজত মহাসচিবের প্রেস সচিব মাওলানা মুনির আহমেদ দাবি করে আসছিলেন যে তার করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। কিন্তু হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে তিনি করোনা আক্রান্ত ছিলেন। এছাড়া তার ফুসফুসে আগে থেকেই সমস্যা ছিল।

গত ১ ডিসেম্বর শ্বাসকষ্টজনিত কারণে অসুস্থতাবোধ করলে তাকে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বৃহস্পতিবার রাতে হঠাৎ শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাৎক্ষণিকভাবে তাকে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়।

মৃত্যুর আগে আল্লামা নূর হোসাইন কাসেমী জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব, বেফাকের সহসভাপতি ও আল-হাইয়া বোর্ডেরও কো-চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন।

আল্লামা কাসেমী ১৯৪৫ সালের ১০ জানুয়ারি কুমিল্লা জেলার মনোহরগঞ্জ থানার চড্ডা গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।

বর্ণাঢ্য শিক্ষাজীবনে তিনি দারুল উলুম দেওবন্দে পড়ার উদ্দেশ্যে ভারতে যান। পরে নির্ধারিত সময়ে পৌঁছাতে না পেরে ভর্তি হন ভারতের সাহারানপুর জেলার বেড়ীতাজপুর মাদ্রাসায়। সেখানে জামাতে জালালাইন (স্নাতক) সমাপ্তির পর দারুল উলুম দেওবন্দে চলে যান। দেওবন্দ মাদ্রাসায় তার অধ্যয়নকাল মোট ৩ বছর। সেখানে দাওরায়ে হাদীস (মাস্টার্স) সমাপ্তির পর আরবি সাহিত্য ও দর্শনে উচ্চশিক্ষা লাভ করেন তিনি।

১৯৮৮ সালে তিনি জামিয়া মাদানিয়া এবং ১৯৯৮ সালে জামিয়া সোবহানিয়া মাহমুদ নগর প্রতিষ্ঠা করেন। প্রতিষ্ঠার পর থেকে মৃত্যু পর্যন্ত এসব প্রতিষ্ঠানের শায়খুল হাদীস ও মহাপরিচালক ছিলেন তিনি। এছাড়াও তিনি প্রায় ৪৫টি মাদ্রাসা পরিচালনার কাজে যুক্ত ছিলেন। এছাড়াও ১৯৯০ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত তিনি খতমে নবুয়ত আন্দোলনের সাথে যুক্ত ছিলেন এবং সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

সূত্র: সময়টিভি

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়