শিরোনাম
◈ প্রতিটি শিশুর প্রতিভা বিকাশে খেলাধুলা ও সৃজনশীলতার সুযোগ দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী ◈ রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিকে জোর করে পদত্যাগে স্বাক্ষরের অভিযোগ ◈ ভিসা আবেদনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের তথ্য না দিলে অযোগ্য হতে পারেন: মার্কিন দূতাবাস ◈ ভারতীয় ভিসা অ্যাপয়েন্টমেন্টে নতুন নির্দেশনা, জেনে নিন বুকিংয়ের নিয়ম ◈ খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে চান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◈ মেট্রোরেল লাইনে কুকুর ঢুকে বন্ধ ট্রেন চলাচল, পরে স্বাভাবিক ◈ ২০২৭ সাল থেকে চতুর্থ ও ষষ্ঠ শ্রেণিতে যুক্ত হচ্ছে ৪ নতুন বিষয়: শিক্ষামন্ত্রী ◈ হঠাৎ দিল্লি গেছেন দীনেশ ত্রিবেদী ◈ প্রকাশ্যে ঘুষ গ্রহণকে ‘যৌক্তিক’ দাবি করা সেই এএসআই প্রত্যাহার ◈ এলপিজির নির্ধারিত দাম নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসকদের নজরদারির নির্দেশ

প্রকাশিত : ০৯ ডিসেম্বর, ২০২০, ০১:১৭ রাত
আপডেট : ০৯ ডিসেম্বর, ২০২০, ০১:১৭ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] কপিলমুনি যুদ্ধক্ষেত্রের স্মৃতি সংরক্ষণে মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি কমপ্লেক্সের উদ্বোধন কাল

মনিরুল ইসলাম : [২] খুলনা জেলার কপিলমুনি যুদ্ধক্ষেত্রের স্মৃতি সংরক্ষণে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। কাল বুধবার মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি কমপ্লেক্সের কাজের উদ্বোধন করবেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক এমপি।

[৩] মন্ত্রী বেলা আড়াইটায় কপিলমুনি সহচরী বিদ্যা মন্দির মাঠে কপিলমুনি মুক্ত দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তৃতা করেবেন।

[৪] মঙ্গলবার দুপুরে খুলনা প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে মূল বক্তব্য উত্থাপন করেন খুলনা-৬ (পাইকগাছা-কয়রা) আসনের সংসদ সদস্য মো. আক্তারুজ্জামান বাবু। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাংবাদিক মকবুল হোসেন মিন্টু, সুন্দরবন ও উপকূল সুরক্ষা আন্দোলনের সমন্বয়ক নিখিল ভদ্র, খুলনা জেলা যুব লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ মো. আবু হানিফ, সাংবাদিক নেতা সাকিলা পারভীন, যুব লীগ নেতা প্রদীপ দত্ত, কপিলমুনি শেখ ইমাম উদ্দিন স্মৃতি সংসদের জিএম আমিনুল ইসলাম প্রমূখ।

[৫] সংবাদ সম্মেলনে কর্মসূচী তুলে ধরে বলা হয়, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী ৯ ডিসেম্বর দুপুর ১২টায় কপিলমুনি স্মৃতিসৌধে পুষ্পার্ঘ অর্পণ করবেন। এরপর মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি কমপ্লেক্স ও জাদুঘরের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন এবং যুদ্ধক্ষেত্র ও রাজাকার ক্যাম্প (রায় সাহেব বিনোদ বিহারী সাধুর বাড়ি) পরিদর্শন করবেন। বেলা একটায় কপিলমুনির পাশ্ববর্তী মাহমুদ কাটিতে অনির্বাণ লাইব্রেরি পরিদর্শনে যাবেন মন্ত্রী। সেখানে মুক্তিযুদ্ধে শহীদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলবেন। বেলা আড়াইটায় কপিলমুনি সহচরী বিদ্যা মন্দির মাঠে কপিলমুনি মুক্ত দিবসের আলোচনা সভায় অংশগ্রহণ করবেন। পরে তিনি বিকেল সাড়ে ৫টায় ডুমুরিয়া উপজেলার চুকনগর স্মৃতিসৌধ পরিদর্শন করবেন। তার সঙ্গে জনপ্রশাসন সচিব শেখ ইউসুফ হারুন ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সচিব তপন কান্তি ঘোষ উপস্থিত থাকবেন।

[৬] সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, কপিলমুনিতে মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি কমপ্লেক্স নির্মিত হবে। এই প্রকল্পে ইতোমধ্যে সরকার দুই কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে। সেখানে আধুনিক মিলনায়তন, পাঠাগার ও পর্যটনের সুব্যবস্থার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। বীরঙ্গনা গুরুদাসি মাসির রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এছাড়া কপিলমুনি হাসপাতালের আধুনিকায়ন, কপিলমুনিকে পৌরসভায় উন্নীতকরণ ও সড়ক সংস্কারসহ মহাত্মা রায় সাহেব বিনোদ বিহারী সাধু প্রতিষ্ঠিত কপিলমুনির ইতিহাস-ঐতিহ্য সংরক্ষণে বেশকিছু কর্মসূচী নেওয়া হয়েছে।

  • সর্বশেষ