শিরোনাম
◈ এআই দিয়ে প্রথমবার তৈরি হলো নতুন ভাইরাস, চিকিৎসায় সম্ভাবনার পাশাপাশি বাড়ছে নিরাপত্তা উদ্বেগ ◈ দ্য ডিপ্লোম্যাটের বিশ্লেষণ: শেখ হাসিনাকে ঘিরে বাড়ছে কূটনৈতিক টানাপোড়েন, নতুন মোড়ে ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক ◈ অধ্যাপক ইউনূসের চেয়ে হাজারগুণ ভালো দেশ চালাচ্ছেন তারেক রহমান: কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি কাদের সিদ্দিকী ◈ দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে হিসেবে আলোচনায় যারা ◈ ডোভালের বদলে আইবি প্রধান, হাসিনাকে ঘিরে বদলাচ্ছে দিল্লির কৌশল ◈ ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে দুই বাসের সংঘর্ষ, নিহত ৮ ◈ পাঁচ বছর ধরে সেঞ্চুরি নেই, এবার বাংলাদেশের বিপক্ষে আশাবাদী অ‌স্ট্রেলিয়ান লাবুশেন ◈ হাসিনার বক্তব্যে নতুন করে উত্তপ্ত ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক : দ্য গার্ডিয়ানের বিশ্লেষণ ◈ মির্জা ফখরুলই কি বঙ্গভবনের নতুন বাসিন্দা হচ্ছেন? ◈ এক্সিমের পর সোশ্যাল ইসলামী বুঝে পেল সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক

প্রকাশিত : ০৩ ডিসেম্বর, ২০২০, ০২:৪১ রাত
আপডেট : ০৩ ডিসেম্বর, ২০২০, ০২:৪১ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] বংশালে সাইকেল ব্যবসায়ীর গোপন বাণিজ্যিক হিসাব জব্দ করেছে ভ্যাট গোয়েন্দা

সুজন কৈরী : [২] রাজধানীর বংশালে একটি সাইকেল ব্যবসায়ীর প্রতিষ্ঠান থেকে গোপন হিসাবপত্র আটক করেছে ভ্যাট গোয়েন্দা অধিদপ্তর। এতে প্রতিষ্ঠানের দেয়া ব্যাপক ভ্যাট ফাঁকির প্রমাণ পেয়েছে ভ্যাট গোয়েন্দার দল। ভ্যাট গোয়েন্দা অধিদপ্তর বলছে, বুধবার অধিদপ্তরের উপপরিচালক তানভীর আহমেদের নেতৃত্বে একটি দল বংশাল রোডের সিরাজ সাইকেল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড নামক প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালায়। এর মূসক নম্বর ০০০১৮৯৭১১-০১০৩। সিরাজ সাইকেলের কারখানা গাজীপুরের শ্রীপুরের মুলাইদে অবস্থিত। তবে বংশালে প্রতিষ্ঠানটির হেড অফিস ও বাণিজ্যিক হিসাবপত্র সংরক্ষণ করা হয়।

[৩] ভ্যাট গোয়েন্দা সাইকেল ব্যবসায়ীর নিয়মিত অডিট চলাকালে নির্ধারিত ছক অনুযায়ী হিসাবপত্র দাখিল করতে বললেও তারা সেগুলো না দিয়ে সময়ক্ষেপণ করতে থাকে। অডিট শুরুর দীর্ঘ এক বছর পরে গত ২৮ সেপ্টেম্বর সিরাজ সাইকেল কতিপয় কাগজ দাখিল করলে তাতে গোয়েন্দাদের সন্দেহ হয়। এরপর গোয়েন্দা দল প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক ও জয়েন্ট স্টক কোম্পানি থেকে যাচাই করে ভ্যাটের হিসাবে গরমিল পান।

[৪] গোয়েন্দাদের কাছে দাখিলকৃত তথ্যাদি ভ্যাট ফাঁকি দেয়ার উদ্দেশ্যে মনগড়া ও বানানো বলে প্রতীয়মান হয়েছে।

[৫] ভ্যাট গোয়েন্দা বলছে, বুধবার গোয়েন্দা সংবাদ অনুযায়ী বংশালের অফিস থেকে সিএ ফার্ম এমএন ইসলাম এন্ড কোম্পানির নিরীক্ষিত রিপোর্ট ও অন্যান্য বাণিজ্যিক তথ্যাদি উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা এসব তথ্যে প্রাথমিকভাবে দেখা যায়, কেবল ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে সিরাজ সাইকেল বিক্রয় প্রদর্শন করেছে ১৯ কোটি ৭৩ লাখ টাকা। কিন্তু আটককৃত সিএ রিপোর্ট ও বাণিজ্যিক কাগজপত্র অনুযায়ী, এই হিসাব ৭৩ কোটি ৮৬ লাখ টাকা। এই তথ্য বলছে, কেবল এক বছরে সিরাজ সাইকেল বিক্রয় তথ্য গোপন করেছে ৫৪ কোটি ১৪ লাখ টাকা।

[৬] ভ্যাট কর্তৃপক্ষের কাছে আগে দাখিলকৃত হিসাব অনুযায়ী, এক বছর সময়ে তারা প্রকৃত বিক্রয় তথ্য গোপন করেছে প্রায় ২৭৪ শতাংশ। গোয়েন্দা দল গভীর অনুসন্ধান করে গত পাঁচ বছরের হিসাব বের করে দেখছে। আরো তদন্ত করে প্রকৃত ভ্যাট ফাঁকির পরিমাণ নির্ণয় করা হচ্ছে। একইসাথে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে ভ্যাট আইনে ব্যবস্থা নেয়া হবে। এই প্রতিষ্ঠানটি নিজেরা সিরাজ ব্রান্ডের সাইকেল পার্টস উৎপাদন করে। সেইসঙ্গে তারা বিদেশ থেকে পূর্ণাঙ্গ সাইকেল আমদানি করে বাজারজাত করে থাকে। সাইকেল ব্যবসায় উৎপাদনে ১৫ শতাংশ হারে এবং ব্যবসায়ী পর্যায়ে ৫ শতাংশ হারে ভ্যাট প্রযোজ্য।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়