শিরোনাম
◈ শান্তিপূর্ণ উৎসবমুখর ভোট : সুনামগঞ্জে ৫টি আসনেই বিএনপির বিজয় ◈ তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ◈ নীলফামারীর চারটি আসনেই জয় পেয়েছে জামায়াত ◈ হাসিনাদের দুর্গে ধানের শীষের হ্যাটট্রিক: গোপালগঞ্জের ৩ আসনেই জয়ী বিএনপি ◈ বার্সেলোনাকে চার গো‌লে হারা‌লো অ্যাতলেটিকো মা‌দ্রিদ ◈ বিশ্বকাপে নেপাল‌কে হারা‌লো ইতালি ◈ বিএনপি ও তারেক রহমানকে মার্কিন দূতাবাসের অভিনন্দন: একসাথে কাজ করতে আগ্রহী যুক্তরাষ্ট্র ◈ ভারত ম্যাচ খেলতে নামার আগে আইসিসিকে একহাত নিলো নামিবিয়া   ◈ সব আসনের ফলাফল না আসা পর্যন্ত ভোটের হার জানাবে না নির্বাচন কমিশন ◈ সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য: বিএনপি-জামায়াত কে কত আসন পেল

প্রকাশিত : ০২ ডিসেম্বর, ২০২০, ০৭:২০ সকাল
আপডেট : ০২ ডিসেম্বর, ২০২০, ০৭:২০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] বীর মুক্তিযোদ্ধা আতিক উল্লাহ চৌধুরী হত্যা মামলায় ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড

মহসীন কবির: [২] ঢাকার কেরানীগঞ্জ উপজেলার কোণ্ডা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও তৎকালীন আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আতিক উল্লাহ চৌধুরী হত্যা মামলায় বুধবার (২ ডিসেম্বর) দুপুরে ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামানের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।

[৩] এর আগে সকালে ঢাকার নিম্ন আদালত প্রাঙ্গণে কোণ্ডা ইউনিয়ন পরিষদের ব্যানারে এলাকাবাসী এই দাবি করেন। এর আগে সকাল ১০টার পর আদালত প্রাঙ্গণে কয়েক শ মানুষ জড়ো হয়ে এই মানববন্ধন শুরু করেন।

[৪] দীর্ঘ সাত বছর পর এ মামলার আসামিরা হলেন গুলজার হোসেন, শম্পা, আশিক, শিহাব আহম্মেদ ওরফে শিবু, আহসানুল কবির ইমন, তাজুল ইসলাম তানু, জাহাঙ্গীর খাঁ ওরফে জাহাঙ্গীর এবং রফিকুল ইসলাম ওরফে আমিন ওরফে টুণ্ডা আমিন।

[৫] ২০১৩ সালের ১০ ডিসেম্বর নিখোঁজ হন মুক্তিযোদ্ধা ও ইউপি চেয়ারম্যান আতিক উল্লাহ চৌধুরী। পরদিন ১১ ডিসেম্বর দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের দোলেশ্বর এলাকার একটি হাসপাতালের পাশ থেকে তাঁর আগুনে পোড়া বিকৃত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। আসামিরা তাঁকে হত্যা করে এবং মৃতদেহ গোপন করার উদ্দেশ্যে মরদেহ পুড়িয়ে ফেলে রাখে। পরে তাঁর সঙ্গে থাকা কাগজ ও এটিএম কার্ড দেখে লাশ শনাক্ত করেন নিহতের ছেলে সাইদুর রহমান ফারুক চৌধুরী।

[৬] ওই ঘটনায় নিহতের ছেলে কোণ্ডা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান ফারুক চৌধুরী বাদী হয়ে ২০১৩ সালের ১২ ডিসেম্বর দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় মামলাটি দায়ের করেন। পুলিশ মামলাটি তদন্ত করে ২০১৫ সালের ৩১ জানুয়ারি ৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। এরপর একই বছরের ২ জুলাই আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। গত ১০ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামি পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়। এ মামলা চলাকালে বিভিন্ন সময় মোট ২১ সাক্ষীর মধ্যে ১১ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেছেন আদালত।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়