শিরোনাম
◈ যুক্তরাষ্ট্র–ইরান টানাপোড়েন: সমঝোতার পথ সংকীর্ণ, বাড়ছে ‘মৃত্যু ও ধ্বংসের’ আশঙ্কা ◈ এপ্রিলে ৩ দেশ সফর করবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান: দ্য প্রিন্টের খবর ◈ মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাঁটিগুলো ইরানের হামলায় ক্ষয়ক্ষতির পর কতটুকু কার্যকর? ◈ ব্যাংক ঋণে ব্যবসা করা হালাল হবে কিনা, এ নিয়ে যা বললেন শায়খ আহমাদুল্লাহ ◈ শিক্ষকদের বৈশাখী ভাতা পাওয়া নিয়ে স্বস্তির খবর, যা জানালেন মাউশি ◈ ফিফা র‍্যাঙ্কিং- আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের অবনতি, বাংলা‌দেশ ১৮২ নম্ব‌রে ◈ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি: শর্ত নিয়ে প্রশ্ন, পর্যালোচনায় সরকার ◈ জ্বালানি তেলের অবৈধ মজুতের তথ্য দিলে মিলবে পুরস্কার, সারাদেশে সাঁড়াশি অভিযান শুরু ◈ ৭১-এর অপরাধ পাকিস্তান আজও অস্বীকার করে, বাংলাদেশের পাশে আছে ভারত: রণধীর জয়সওয়াল ◈ সৌদি আরব সত্যিই কি ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জড়াতে পারে, যা রয়েছে গোয়েন্দা তথ্যে

প্রকাশিত : ০১ ডিসেম্বর, ২০২০, ০৬:১২ সকাল
আপডেট : ০১ ডিসেম্বর, ২০২০, ০৬:১২ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

দেবদুলাল মুন্না:  উনারা আমাদের সবাইকে বিশাল এক লজ্জায় ফেলে দিলেন কি?

দেবদুলাল মুন্না: টানা ৩২ বছর টাংগাইল জেলার মধুপুর উপজেলার কালিয়াকৈরে গ্রামের দরিদ্র মানুষদের চিকিৎসা দেয়ার পর মারা যান ডাক্তার ভাই হিসাবে পরিচিত ডাক্তার এড্রিক বেকার। দূরারোগ্য ব্যধিতে আক্রান্ত হলে অনেকেই চেয়েছিলেন- উনাকে ঢাকাতে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা দিতে। তিনি ঢাকা যাননি। তাঁর তৈরি করা হাসপাতালেই তিনি ২০১৫ সালে মারা যান।
মৃত্যুর পূর্বে তিনি চেয়েছিলেন- এই দেশের কোনো মানবতবাদী ডাক্তার যেন গ্রামে এসে তাঁর প্রতিষ্ঠিত এই হাসপাতালের হাল ধরে। কিন্তু হানিফ সংকেতের ইত্যাদিতে প্রচারিত প্রতিবেদন অনুসারে - এ দেশের একজন ডাক্তারও তাঁর সেই আহ্বানে সাড়া দেয়নি।

দেশের কেউ সাড়া না দিলেও তাঁর আহ্বানে সূদর আমেরিকা থেকে ছুটে এসেছিলেন- আরেক মানবতাবাদী ডাক্তার দম্পতি জেসিন এবং মেরিন্ডি। যে দেশে যাওয়ার জন্য দুনিয়ার সবাই পাগল। শুধু নিজেরা যে এসেছেন তা না। নিজেদের সন্তানদেরও সাথে করে নিয়ে এসেছেন। ভর্তি করে দিয়েছেন গ্রামেরই স্কুলে। গ্রামের শিশুদের সাথে খেলছে । ডাক্তার জেসিন কী সুন্দর করে লুঙ্গি পরে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। কিন্তু তিন থেকে কভিট সেবা দিতে গিয়ে গতকাল থেকে তারাই অসুস্থ।

আমরা সুযোগ পেলেই গ্রাম থেকে শহরে ছুটি। শহর থেকে বিদেশ পাড়ি দেই। শিশু জন্মের পর থেকেই চিন্তা থাকে কত দ্রুত সন্তানকে আধুনিক মিডিয়াম ইংরেজি স্কুলে বাচ্চাকে পড়াবো। লুঙ্গি পরাতো আমাদের রুচির সাথে আজ বড়ই বেমানান। লুঙ্গি পরতে পারিনা বলতে পারলে- আমাদের আভিজাত্যের পারদ শুধু একটুকু না অনেকটুকুই বাড়ে। বনানী গুলশান পশ এলাকায়তো একবার লুঙ্গি পরাই নিষিদ্ধ করে দিয়েছিলো। কারণ- ওরা জানেনা- ওদের প্লেটে যে খাবার যায়- তা এদেশের লুঙ্গি গামছা পরা কৃষকরাই তোলে দেয়। উনারা সুস্থ হয়ে উঠুন এই চাওয়া।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়