শিরোনাম
◈ বিক্ষোভ দমনে ইরানজুড়ে ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন, নিহত অন্তত ২১ ◈ বসুন্ধরায় ভেজাল মদের কারখানা, ওয়ারীতে দূরনিয়ন্ত্রিত ‘কুশ’ ল্যাবের সন্ধান, গ্রেপ্তার ৪ ◈ ক্ষতির মুখে দিল্লির সুতা শিল্প: যুক্তরাষ্ট্রের পর এবার ভারতের ওপর শুল্ক আরোপের পথে বাংলাদেশ ◈ বড় সুখবর! সৌদি আরবে এক খাতেই প্রবাসী কর্মী লাগবে ১৬ লাখের বেশি ◈ মনোনয়ন বাতিল হয়নি দাবি হাসনাতের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সির (ভিডিও) ◈ পাইপলাইনের ওপর ঘর তুলে অভিনব কায়দায় বিপিসির তেল চুরি (ভিডিও) ◈ ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন: পোলিং ও নির্বাচনি এজেন্ট সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি ◈ নীতিগত ব্যর্থতা ও দুর্নীতির চিত্র: টেলিযোগাযোগ খাতের ৩,২৭২ পৃষ্ঠার শ্বেতপত্র প্রকাশ ◈ সিদ্ধান্ত নিতে হবে বাংলাদেশের ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ ও স্বার্থ বিবেচনা করে: তামিম ◈ গাইবান্ধায় ১৪৪ ধারা জারি

প্রকাশিত : ২৯ নভেম্বর, ২০২০, ১০:১৯ দুপুর
আপডেট : ২৯ নভেম্বর, ২০২০, ১০:১৯ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] জিয়াউর রহমান স্কুলের নাম পরিবর্তন, কালি লেপটে দিল বিএনপি নেতারা

শিমুল মাহমুদ: [২] পুরান ঢাকার বংশাল এলাকার মোগলটুলীতে জিয়াউর রহমান উচ্চ বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তনের প্রতিবাদে এলাকায় বিক্ষোভ করেছেন বিএনপির নেতা-কর্মীরা। বিক্ষোভের একপর্যায়ে তারা স্কুলটির নতুন নামে কালি লেপটে দেন। বিক্ষোভে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সবশেষ নির্বাচনে বিএনপির মেয়র প্রার্থী ইশরাক হোসেন, বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা হাবিব-উন-নবী খানসহ দুই শতাধিক নেতা-কর্মী অংশ নেন।

[৩] সরেজমিনে দেখা যায়, স্কুলের প্রধান ফটকে নাম পরিবর্তন করা হলেও তার পাশে থাকা উদ্বোধনী ভিত্তিপ্রস্তরে এখনো ‘শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান উচ্চবিদ্যালয়’ নামের ফলক আছে। ওই ফলকে লেখা রয়েছে, ২০০৬ সালের ২৫ মার্চ স্কুলটির উদ্বোধন করা হয়েছে।

[৪] এলাকাবাসী ও বিএনপির নেতা-কর্মীদের ভাষ্য, দলটির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের নামে মোগলটুলিতে ২০০৬ সালে স্কুলটি প্রতিষ্ঠা করা হয়। তখন নাম রাখা হয় ‘শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান উচ্চবিদ্যালয়’। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) পরিচালিত স্কুলটির নাম রেখেছিলেন তৎকালীন মেয়র সাদেক হোসেন খোকা। কিছুদিন আগে স্কুলটির নাম পরিবর্তন করা হয়। নতুন নাম রাখা হয় ‘মোগলটুলি উচ্চবিদ্যালয়’।

[৫] নাম পরিবর্তনের বিষয়ে ডিএসসিসির মুখপাত্র ও জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আবু নাছের বলেন, দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সর্বোচ্চ ফোরাম বোর্ড সভায় স্কুলটির নাম পরিবর্তন করা হয়।

[৬] বিক্ষোভ মিছিল ও স্কুলের নতুন নাম মুছে দেওয়ার পর নবাবপুর রোডের জাবিন টাওয়ারের সামনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেন বিএনপির নেতা-কর্মীরা। সমাবেশে ইশরাক হোসেন বলেন, এই সিটি করপোরেশনে যাঁরা দায়িত্বপ্রাপ্ত, তাঁরা নির্লজ্জ মানসিকতা দেখিয়েছেন। আপনারা সহনশীলতার রাজনীতিতে আসেন। নাম পাল্টিয়ে জনগণের মন থেকে জিয়াউর রহমানের নাম মুছে ফেলা যাবে না।

[৭] হাবিব-উন-নবী খান বলেন, জিয়াউর রহমানের নামে করা স্কুলের নাম পরিবর্তনের প্রতিবাদে এলাকার মানুষ ফুঁসে উঠেছে। তাদের সঙ্গে নিয়েই আজকের এই প্রতিবাদ। এখন থেকে চলবে। যেখানেই অন্যায়ভাবে নামফলক পরিবর্তন করা হবে, সেখানেই প্রতিবাদ-প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়