শিরোনাম
◈ ৭ অক্টোবরের পর মধ্যপ্রাচ্যে কার শক্তি বাড়ল, কার কমল? : আলজাজিরার বিশ্লেষণ ◈ এশিয়া কাপে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ শ্রীলঙ্কা, আফগা‌নিস্তান ও মাল‌য়ে‌শিয়া ◈ আগামী বছ‌রের ১৮ মার্চ শুরু হচ্ছে পা‌কিস্তান সুপার লি‌গের দ্বাদশ আসর ◈ ৬ মাস নির্বাসনের মুখে ক্রিশ্চিয়া‌নো রোনাল্ডো, ক্ষমা চাইলে কমতে পারে শাস্তি ◈ ‌লিও‌নেল মেসির তিন ছেলেকে ঘিরে আর্জেন্টিনার নতুন স্বপ্ন ◈ এক জোনের অটোরিকশা চলবে না অন্য জোনে : আসছে নতুন নীতিমালা, কতটা কার্যকর হবে? ◈ ডিপি ওয়ার্ল্ডের কাছ থেকে ১২০০ কোটি টাকা ঘুষের অভিযোগ, ‘ইকোনমিক হিটম্যান’ তকমা নিয়ে যা বললেন আশিক চৌধুরী ◈ অ্যাপস ভিত্তিক রাইড পাঠাওয়ের ১ কোটি ৯০ লাখ গ্রাহকের তথ্য চুরির দাবি, মুক্তিপণ চাওয়া হয়েছে ৪ লাখ ডলার ◈ শক্তিশালী হচ্ছে এল নিনো, ডিসেম্বরে চূড়ায় উঠতে পারে; প্রভাব থাকতে পারে ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ◈ ‘বাবা, তারা আমাকে আটকে রেখেছে উদ্ধার করো, না হলে ওরা মেরে ফেলবে’—শেষ ফোনের কয়েক ঘণ্টা পর স্কুলছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশিত : ২৮ নভেম্বর, ২০২০, ০৬:০৫ সকাল
আপডেট : ২৮ নভেম্বর, ২০২০, ০৬:০৫ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কক্সবাজারের হোটেল-মোটেল স্বাস্থ্যবিধি মানার চেষ্টা করছে

লাইজুল ইসলাম : কোভিড-১৯ অতিমারীর মধ্যে স্বাস্থ্যবিধি দিয়ে খুলে দেয়া হয়েছে হোটেল-মোটেল-রেস্তোরাঁ। নিয়ম প্রতিপালন করে নতুন বোর্ডার তোলা শুরু করেন হোটেল মালিকরা। কক্সবাজারের হোটেল ওসান প্যারাডাইসের ম্যানেজার মো. মাহবুবুল ইসলাম বলেন, আমাদের কাস্টমার ভালো। তবে আমরা প্রতিদিন অনেক বোর্ডার নিতে পারি না। কিছু নিয়ম কানুন মানতে হচ্ছে। হোটেল মোহাম্মাদিয়ার কর্মকর্তা নাঈম হাসান বলেন, আমাদের যা রুম আছে তার অর্ধেক ব্যবহার করতে পারি।

বাকি অর্ধেক খালি রাখতে হয়। হোটেল ওসান প্যারাডাইসের কর্মকর্তারা জানান, একজন বোর্ডার রুম ছাড়ার পর দুই দিন সেই রুম খালি রাখতে হয়। রুমের সব কিছু বিশেষ ধরনের মেশিনের মাধ্যমে পরিস্কার করার পর স্যানেটাইজ করা হয়। বালিশ কম্বল ও বেড সিট সব কিছু ক্লিনিং করতে সময় লাগে। সব মিলিয়ে দুই দিন খালি রাখার পর রুমে বোর্ডার তোলা হয়। হোটেল মোহাম্মাদিয়ার কর্মকর্তা বলেন, একটা বড় সমস্যা রুম স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরিস্কার করার লোকবলের সংকট। তারপরও আমরা কর্মীদের বিভিন্ন ভাবে সরকারি সহায়তা নিয়ে প্রশিক্ষণ দিচ্ছি। ধীরে ধীরে প্রশিক্ষিত লোকবল তৈরি হচ্ছে। হোটেল কল্ললের ম্যানেজার মাসুদ বলেন, আমাদের একটি ফ্লোরে কোয়ারেন্টাইন সেন্টার করা হয়েছে।

এখানে আমাদের কর্মীরা থাকেন। তবে তারা সংক্রমিত না। যারা ছুটি থেকে আসেন তাদের এখানে ন্যূনতম ৭ থেকে ১৪ দিন রাখা হয়। হোটেল ওসান প্যারাডাইসের ম্যানেজার বলেন, আমরা একটা কর্মীকেও ছাঁটাই করিনি। তাদের সবার বেতন ঠিক মতো দিয়েছি। যদিও আমাদের একটু সমস্যা হয়েছে। বসিয়ে বসিয়ে সবাই বেতন দিতে হয়েছে। এছাড়া, ঈদ ও পূজাসহ অন্যান্য উৎসব ভাতাও দিয়েছি। তবে এক্ষেত্রে অন্যান্য বারের চাইতে কিছুটা কম দিতে হয়েছে।

কয়েকটি হোটেল কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে কথা বলতে চায়নি। তবে কিছু ছোট হোটেলের কর্মীরা জানান, তাদের ৫০ জন জনবল ছিলো করোনার আগে। আর এখন লোক আছে মাত্র ২০ জন। এমন অনেক হোটেল আছে যারা অর্ধেকেরও কম জনবল দিয়ে কাজ চালিয়ে নিচ্ছেন। তবে এটা পুরোটাই ক্ষতি পুষিয়ে নিতে। হোটেল কর্মকর্তারা বলেন, আমাদের ব্যবসা আরো ভালো হবে যদি করোনার সংক্রমণ নভেম্বরের মধ্যে শেষ হয়। কিন্তু চলতি মাসে সংক্রমণ বাড়ছে। ডিসেম্বরে আরও খারাপ হলে আমাদের ব্যবসায় খারাপ হতে পারে। এছাড়া যদি লকডাউন বা সাধারণ ছুটি দেয়া হয় তবে আবার ধস নামবে ব্যবসায়।

  • সর্বশেষ