শিরোনাম
◈ ডিপি ওয়ার্ল্ডের কাছ থেকে ১২০০ কোটি টাকা ঘুষের অভিযোগ, ‘ইকোনমিক হিটম্যান’ তকমা নিয়ে যা বললেন আশিক চৌধুরী ◈ অ্যাপস ভিত্তিক রাইড পাঠাওয়ের ১ কোটি ৯০ লাখ গ্রাহকের তথ্য চুরির দাবি, মুক্তিপণ চাওয়া হয়েছে ৪ লাখ ডলার ◈ শক্তিশালী হচ্ছে এল নিনো, ডিসেম্বরে চূড়ায় উঠতে পারে; প্রভাব থাকতে পারে ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ◈ ‘বাবা, তারা আমাকে আটকে রেখেছে উদ্ধার করো, না হলে ওরা মেরে ফেলবে’—শেষ ফোনের কয়েক ঘণ্টা পর স্কুলছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার ◈ বিশ্বের সেরা দুই শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় বাকৃবির ১৬ গবেষক ◈ ১০ অক্টোবরের বিক্ষোভের আগে ভারতজুড়ে কর্মী-সমর্থকদের আটক করা হচ্ছে, ‘আরও মানুষ রাজপথে নামবে’: অভিজিৎ দীপকে ◈ বাংলাদেশে ফ্রি ট্রেড জোন ও রেলভিত্তিক আইসিডিতে ডিপি ওয়ার্ল্ডকে বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ◈ বাংলাদেশে স্টারলিংকের মোবাইল সেবা চালু নিয়ে উচ্ছ্বাস ইলন মাস্কের, ক্ষোভ ঝারলেন ভারতের ওপর ◈ রূপপুরের প্রথম ইউনিটে ফার্স্ট ক্রিটিক্যালিটির অনুমোদন, গ্রিডে বিদ্যুৎ আসতে আরও দুই ধাপ ◈ ফ্রান্সে উচ্চশিক্ষার পাশাপাশি ভাষা ও পেশাগত দক্ষতা অর্জনের আহ্বান বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের

প্রকাশিত : ২৮ নভেম্বর, ২০২০, ০২:৫০ রাত
আপডেট : ২৮ নভেম্বর, ২০২০, ০২:৫০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

১২ কোটি টাকা লোকসান, পুঁজি সংকটে শুঁটকি ব্যবসায়ীরা

ডেস্ক রিপোর্ট: করোনার কারণে ১২ কোটি টাকার লোকসানের মুখে পড়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলার লালপুরের শুঁটকি ব্যবসায়ীরা। মেঘনা নদীর পাড়ে শুঁটকি পল্লীখ্যাত এই লালপুর গ্রামের ব্যবসায়ীরা পুঁজি সংকটেও পড়েছেন। তাই নতুন করে শুঁটকি উৎপাদনের জন্য চাহিদা মতো মাছ কিনতে পারছেন না কেউই।

জানা গেছে, লালপুরে প্রায়ই তিন শতাধিক শুঁটকি ব্যবসায়ী আছেন। মাটিতে মটকা পুতে বিশেষ পদ্ধতিতে ক্যামিকাল বিহীন সিদল কিংবা চ্যাপা শুঁটকি তৈরি করে থাকেন। যে কারণে এ শুঁটকির চাহিদা রয়েছে দেশজুড়েই। ব্যবসায়ীরা অধিকাংশই এসবের খরচাপাতির জন্য বিভিন্ন সমিতি ও এনজিও’র কাছ থেকে চড়া সুদ নিয়ে থাকেন। কিন্তু করোনার কারণে তারা আজ বিপাকে পড়েছেন। একদিকে যেমন শুঁটকি বিক্রি হচ্ছে না, অন্যদিকে ঋণও পাওয়া যাচ্ছে না।

লালপুর বাজারের শুঁটকি আড়ৎদার কাজল আচার্য বলেন, সিদল কিংবা চ্যাপা ৪০০ থেকে ৮০০ টাকা কেজি বিক্রি করা হয়ে থাকে। পাশপাশি দেশীয় প্রজাতির বিভিন্ন মাছের শুঁটকি তৈরি হয় এই পল্লীতে। এর মধ্যে পুঁটি, শোল, টাকি, ট্যাংরা ও বাইম অন্যতম। আকারভেদে প্রতি কেজি শোল ৭০০ থেকে ১৬০০ টাকা, টাকি ৩০০ থেকে সাড়ে ৩০০ টাকা, বাইম ৭০০ থেকে ১৬০০ টাকা, ট্যাংরা শুটকি ৪০০ থেকে ৭০০ টাকা দরে বিক্রি করা হচ্ছে।

শুটকি গবেষক বলেন মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক বলেন, শুটকি ব্যবসার মৌসুম ধরা হয় অক্টোবর থেকে মার্চ পর্যন্ত। এই ছয়মাস শুটকি উৎপাদন করা হয়। এরপর বাকি ছয়মাস পুরোদমে বাজারজাত করা হয়। দেশের সীমানা ছাড়িয়ে বিদেশেও প্রচুর চাহিদা রয়েছে লালপুরের শুটকির। রফতানি হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যেও।

ব্যাংক ঋণ সম্পর্কে অগ্রণী ব্যাংক লালপুর শাখার ব্যবস্থাপক হাছান সাইদুর রহমান জানান, ব্যাংকের নিয়ম ও বিধি বিধান মেনে প্রান্তিক ব্যবসায়ীদের সহজ শর্তে ঋণ প্রদান করা হয়।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা তাজমহল বেগম জানান, বর্তমান করোনা সময়ে লালপুরের শুটকি অনলাইনে বিক্রি করা যায় কি না সেটি দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি সহজ শর্তে যেন ব্যবসায়ীরা ঋণ পেতে পারে এই ব্যাপারে সব সহযোগিতা করা হবে।

  • সর্বশেষ