শিরোনাম
◈ বাজেট ২০২৬–২৭: মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও প্রবৃদ্ধি বাড়াতে ১০ অগ্রাধিকার ◈ পোলট্রি ও ফিশ ফিডে বিষাক্ত ট্যানারি বর্জ্য, বাড়ছে ক্যানসারসহ নানা রোগ, সংসদে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর স্বীকারোক্তি! ◈ যে ছেলে একসময় টিফিনের টাকাও জোগাড় করতে পারত না, আজ দুবাইয়ে ২০ হাজার কোটির মালিক ◈ মন্ত্রিসভায় অনুমোদন পেল ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাবনা ◈ ভারতের সব কর্মীকে ছাঁটাই করল ওপেনডোর, কারণ দেখালো ‘গ্রাহকরা আমেরিকায়’ ◈ বেনাপোল বন্দরের শেড থেকে উধাও ৬ কোটি টাকার পণ্য, ১৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা ◈ বাংলাদেশের বাজেট ইতিহাস: তাজউদ্দীন থেকে আমির খসরু, কে কত দিলেন? ◈ অর্ধ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়াল বাংলাদেশের অর্থনীতি, নতুন রেকর্ড জিডিপিতে ◈ বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের তথ্য দিয়ে আমাকে ব্ল্যাকমেল করতে চেয়েছিল এপস্টেইন: বিল গেটস ◈ ব্রাজিলকে হালকাভাবে নিলে ভুগতে হবে, বিশ্বকাপে নামার আগে মিডফিল্ডার ব্রুনোর হুম‌কি

প্রকাশিত : ২৮ নভেম্বর, ২০২০, ০২:৫০ রাত
আপডেট : ২৮ নভেম্বর, ২০২০, ০২:৫০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

১২ কোটি টাকা লোকসান, পুঁজি সংকটে শুঁটকি ব্যবসায়ীরা

ডেস্ক রিপোর্ট: করোনার কারণে ১২ কোটি টাকার লোকসানের মুখে পড়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলার লালপুরের শুঁটকি ব্যবসায়ীরা। মেঘনা নদীর পাড়ে শুঁটকি পল্লীখ্যাত এই লালপুর গ্রামের ব্যবসায়ীরা পুঁজি সংকটেও পড়েছেন। তাই নতুন করে শুঁটকি উৎপাদনের জন্য চাহিদা মতো মাছ কিনতে পারছেন না কেউই।

জানা গেছে, লালপুরে প্রায়ই তিন শতাধিক শুঁটকি ব্যবসায়ী আছেন। মাটিতে মটকা পুতে বিশেষ পদ্ধতিতে ক্যামিকাল বিহীন সিদল কিংবা চ্যাপা শুঁটকি তৈরি করে থাকেন। যে কারণে এ শুঁটকির চাহিদা রয়েছে দেশজুড়েই। ব্যবসায়ীরা অধিকাংশই এসবের খরচাপাতির জন্য বিভিন্ন সমিতি ও এনজিও’র কাছ থেকে চড়া সুদ নিয়ে থাকেন। কিন্তু করোনার কারণে তারা আজ বিপাকে পড়েছেন। একদিকে যেমন শুঁটকি বিক্রি হচ্ছে না, অন্যদিকে ঋণও পাওয়া যাচ্ছে না।

লালপুর বাজারের শুঁটকি আড়ৎদার কাজল আচার্য বলেন, সিদল কিংবা চ্যাপা ৪০০ থেকে ৮০০ টাকা কেজি বিক্রি করা হয়ে থাকে। পাশপাশি দেশীয় প্রজাতির বিভিন্ন মাছের শুঁটকি তৈরি হয় এই পল্লীতে। এর মধ্যে পুঁটি, শোল, টাকি, ট্যাংরা ও বাইম অন্যতম। আকারভেদে প্রতি কেজি শোল ৭০০ থেকে ১৬০০ টাকা, টাকি ৩০০ থেকে সাড়ে ৩০০ টাকা, বাইম ৭০০ থেকে ১৬০০ টাকা, ট্যাংরা শুটকি ৪০০ থেকে ৭০০ টাকা দরে বিক্রি করা হচ্ছে।

শুটকি গবেষক বলেন মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক বলেন, শুটকি ব্যবসার মৌসুম ধরা হয় অক্টোবর থেকে মার্চ পর্যন্ত। এই ছয়মাস শুটকি উৎপাদন করা হয়। এরপর বাকি ছয়মাস পুরোদমে বাজারজাত করা হয়। দেশের সীমানা ছাড়িয়ে বিদেশেও প্রচুর চাহিদা রয়েছে লালপুরের শুটকির। রফতানি হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যেও।

ব্যাংক ঋণ সম্পর্কে অগ্রণী ব্যাংক লালপুর শাখার ব্যবস্থাপক হাছান সাইদুর রহমান জানান, ব্যাংকের নিয়ম ও বিধি বিধান মেনে প্রান্তিক ব্যবসায়ীদের সহজ শর্তে ঋণ প্রদান করা হয়।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা তাজমহল বেগম জানান, বর্তমান করোনা সময়ে লালপুরের শুটকি অনলাইনে বিক্রি করা যায় কি না সেটি দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি সহজ শর্তে যেন ব্যবসায়ীরা ঋণ পেতে পারে এই ব্যাপারে সব সহযোগিতা করা হবে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়