শিরোনাম
◈ বিরোধী দলের ওয়াকআউট পরিকল্পিত, আইন প্রণয়নে সহযোগিতা করছে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ অর্থনীতিতে গতি ফেরাতে ৬০ হাজার কোটি টাকার প্যাকেজ, ১৭ ব্যাংক দেবে ৪১ হাজার কোটি ◈ আগস্টের ২৬ দিনে রেমিট্যান্স বেড়েছে ২২.৩ শতাংশ ◈ ‘মক্কা চুক্তি’ নিয়ে আলোচনার মধ্যেই সৌদি যুবরাজকে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি ◈ আইনশৃঙ্খলা ও উন্নয়ন দেখভালের দায়িত্বে ৩০ মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও হুইপ ◈ এবার সংসদীয় কমিটি থেকেও বাদ পড়লেন গাজী নজরুল ইসলাম ◈ সংসদে বিল উত্থাপন : গুমের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড ◈ বাসসের এমডি ও প্রধান সম্পাদক হলেন কাদের গনি চৌধুরী ◈ গত বছরের তুলনায় কমেছে খুন, ধর্ষণ ও মব সহিংসতা: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ সেপ্টেম্বরে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তপশিল, নভেম্বরে ভোট: সিইসি

প্রকাশিত : ২৮ নভেম্বর, ২০২০, ০২:৫০ রাত
আপডেট : ২৮ নভেম্বর, ২০২০, ০২:৫০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

১২ কোটি টাকা লোকসান, পুঁজি সংকটে শুঁটকি ব্যবসায়ীরা

ডেস্ক রিপোর্ট: করোনার কারণে ১২ কোটি টাকার লোকসানের মুখে পড়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলার লালপুরের শুঁটকি ব্যবসায়ীরা। মেঘনা নদীর পাড়ে শুঁটকি পল্লীখ্যাত এই লালপুর গ্রামের ব্যবসায়ীরা পুঁজি সংকটেও পড়েছেন। তাই নতুন করে শুঁটকি উৎপাদনের জন্য চাহিদা মতো মাছ কিনতে পারছেন না কেউই।

জানা গেছে, লালপুরে প্রায়ই তিন শতাধিক শুঁটকি ব্যবসায়ী আছেন। মাটিতে মটকা পুতে বিশেষ পদ্ধতিতে ক্যামিকাল বিহীন সিদল কিংবা চ্যাপা শুঁটকি তৈরি করে থাকেন। যে কারণে এ শুঁটকির চাহিদা রয়েছে দেশজুড়েই। ব্যবসায়ীরা অধিকাংশই এসবের খরচাপাতির জন্য বিভিন্ন সমিতি ও এনজিও’র কাছ থেকে চড়া সুদ নিয়ে থাকেন। কিন্তু করোনার কারণে তারা আজ বিপাকে পড়েছেন। একদিকে যেমন শুঁটকি বিক্রি হচ্ছে না, অন্যদিকে ঋণও পাওয়া যাচ্ছে না।

লালপুর বাজারের শুঁটকি আড়ৎদার কাজল আচার্য বলেন, সিদল কিংবা চ্যাপা ৪০০ থেকে ৮০০ টাকা কেজি বিক্রি করা হয়ে থাকে। পাশপাশি দেশীয় প্রজাতির বিভিন্ন মাছের শুঁটকি তৈরি হয় এই পল্লীতে। এর মধ্যে পুঁটি, শোল, টাকি, ট্যাংরা ও বাইম অন্যতম। আকারভেদে প্রতি কেজি শোল ৭০০ থেকে ১৬০০ টাকা, টাকি ৩০০ থেকে সাড়ে ৩০০ টাকা, বাইম ৭০০ থেকে ১৬০০ টাকা, ট্যাংরা শুটকি ৪০০ থেকে ৭০০ টাকা দরে বিক্রি করা হচ্ছে।

শুটকি গবেষক বলেন মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক বলেন, শুটকি ব্যবসার মৌসুম ধরা হয় অক্টোবর থেকে মার্চ পর্যন্ত। এই ছয়মাস শুটকি উৎপাদন করা হয়। এরপর বাকি ছয়মাস পুরোদমে বাজারজাত করা হয়। দেশের সীমানা ছাড়িয়ে বিদেশেও প্রচুর চাহিদা রয়েছে লালপুরের শুটকির। রফতানি হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যেও।

ব্যাংক ঋণ সম্পর্কে অগ্রণী ব্যাংক লালপুর শাখার ব্যবস্থাপক হাছান সাইদুর রহমান জানান, ব্যাংকের নিয়ম ও বিধি বিধান মেনে প্রান্তিক ব্যবসায়ীদের সহজ শর্তে ঋণ প্রদান করা হয়।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা তাজমহল বেগম জানান, বর্তমান করোনা সময়ে লালপুরের শুটকি অনলাইনে বিক্রি করা যায় কি না সেটি দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি সহজ শর্তে যেন ব্যবসায়ীরা ঋণ পেতে পারে এই ব্যাপারে সব সহযোগিতা করা হবে।

  • সর্বশেষ