প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] কচা নদীর ওপর নির্মাণাধীন বেকুটিয়া সেতুর পিয়ারে ফাটল! (ভিডিও)

বিপ্লব বিশ্বাস: [২] বেকুটিয়া সেতুটি নির্মাণ হলে দক্ষিণাঞ্চলের ১৮ জেলার কোটি মানুষের উন্নয়ন হবে। সেই সঙ্গে পরিবর্তিত হবে দক্ষিণ জনপদের অর্থনৈতিক চিত্র। পিরোজপুরের কচা নদীর ওপর নির্মাণাধীন বেকুটিয়া সেতু নিয়ে এমনটিই প্রত্যাশা স্থানীয় বাসিন্দাদের।

[৩] তবে ব্রীজের কাজ চলমান থাকতেই পূর্ব পাশের একটি পিয়ারের নিচের অংশে ফাটল দেখা দেয়। পিয়ারের চারপাশ জুড়ে এ ফাটল। সেখানে ব্যবহৃত রডও বের হয়ে আছে। ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান এই ফাটল তোয়াক্কা না করে ব্রীজের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

[৪] গত বছরের অক্টোবর মাসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে এ সেতুর নির্মাণ কাজের শুভ উদ্বোধন করেন। দক্ষিণাঞ্চলের স্বপ্নের সেতুটির নির্মাণ কাজ ২০২১ সালের ৩১ জানুয়ারির মধ্যে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। ২০২২ সালের মধ্যে সেতুতে চলবে যানবাহন।

[৫] সেতুটি নির্মাণ হলে দক্ষিণাঞ্চলের ১৮ জেলার কোটি মানুষের উন্নয়ন হবে। এছাড়া এলাকার ব্যবসা বাণিজ্য ও শিক্ষা ক্ষেত্রে ব্যাপক প্রভাব ফেলবে।

[৬] এদিকে সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মাসুদ মাহমুদ সুমন বলেন, বেকুটিয়া সেতু নির্মাণ কাজের অগ্রগতি সন্তোষজনক। করোনাভাইরাসের কারণে বেঁধে দেয়া সময় থেকে এক বছর বেশি সময় লাগতে পারে এ সেতু নির্মাণে। চায়নার একটি প্রতিষ্ঠান সেতুটি নির্মাণ কাজের দায়িত্ব পেয়েছে।

[৭] সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, পিসি বক্স গার্ডার সেতুতে মোট ৯টি স্প্যান ও ৮টি পিয়ার বসানো হচ্ছে। পিরোজপুর সদর এবং কাউখালী উপজেলার রাজাপুর-নৈকাঠি-বেকুটিয়া-পিরোজপুর সড়কে নির্মাণাধীন এ সেতুর দৈর্ঘ্য ৯৯৮ মিটার ও দুই লেনের সেতুর প্রস্থ ১৩ দশমিক ৪০ মিটার ধরা হয়েছে। সেতুটি নির্মাণে ব্যয় হবে ৬৫৪ কোটি টাকা।

[৮] পিরোজপুর-ঝালকাঠি সড়কে কচা নদীর উপর ২ কিলোমিটার দীর্ঘ বেকুটিয়া সেতু নির্মাণ করাই এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য।
প্রতিদিন ৪০০টি গাড়ী ফেরী দিয়ে নদী পারাপার হয়। ফেরী ঘাটের উভয় প্রান্তেই জেলা সড়ক রয়েছে, যা সেতু নির্মাণের পর সম্প্রসারণ করা হবে।

[৯] প্রস্তাবিত সেতু নির্মিত হলে বরিশাল ও খুলনা বিভাগের মধ্যে সরাসরি সড়ক যোগাযোগ স্থাপিত হবে। এর ফলে দুই বিভাগের জনগণ সহজেই যাতায়াত করতে পারবে এবং কৃষি পণ্য ও অন্যান্য দ্রব্য সামগ্রী সরবরাহ সম্ভব হবে। মংলা বন্দর থেকে বরিশালে পণ্য ও অন্যান্য সামগ্রী পরিবহনে এটিই একমাত্র পথ। কিন্তু ফেরী ঘাটের দীর্ঘ গাড়ীর সারি যান চলাচলে বাধা সৃষ্টি করে, যা সেতু নির্মিত হলে দূরীভূত হবে। এই সেতু বাস্তবায়িত হলে রাজধানী শহরের সাথেও সরাসরি যোগাযোগ স্থাপিত হবে।

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত